লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৮
গল্প/কবিতা: ৪১টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৯৭

বিচারক স্কোরঃ ২.১৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - ভৌতিক (সেপ্টেম্বর ২০১৭)

ইস স স স স...
ভৌতিক

সংখ্যা

মোট ভোট ১৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৯৭

কাজী জাহাঙ্গীর

comment ১১  favorite ০  import_contacts ৫৬৪
স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের সাথে নিয়ে বনভোজনে এসেছেন তিতাস চৌধুরী।স্কুল থেকে আসা সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য এটা একটা বড় দায়িত্ব ছাত্রছাত্রীদের দেখভাল, নিরাপত্তা আর বিনোদনের আয়োজন একসাথে করা। তাই শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেদের কথা ভুলে গিয়ে ঐ সময়টুকুতে শুধু ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবে সময় পার করার পাশাপাশিমানসিক ও কায়িক্ ‍উভয় দিকের পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন,তবুও দায়িত্ব এড়াবার কোন সুযোগ নাই।সব শিক্ষকরাই যার যার দায়িত্ব ঠিকভাবে সম্পন্ন করছেন। বাবুর্চিরা দুপুরের রান্না নিয়ে অনেক ব্যস্ত। খাওয়ার সময় হওয়ার আগে আগে খেলাধুলা পর্বেযেসব ইভেন্টস ছিল সবগুলোই শেষ করে এনেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা। এরই ফাঁকে প্রধান শিক্ষক ঘোষনা দিলেন ছাত্রছাত্রীদের শেষ হলেশিক্ষিকাদের অংশগ্রহনে একটা বিশেষ ইভেন্ট থাকবে।এই ইভেন্ট যখন শুরু হবে তখণ সব শিক্ষিকাদের অংশগ্রহন করতে হবে এবং সব শিক্ষকদেরওএকত্রিত হয়েপ্রতিযোগীদের উৎসাহ দিতে হবে। এতক্ষণ পয্যন্ত উপস্থানার কাজ করছিলেন তিতাস চৌধুরীম্যাডাম।ছাত্রছাত্রীদের ইভেন্টস শেষ হতেই প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে মাইক্রোফোনটা নিয়ে ঘোষনা দিলেন শিক্ষিকাদের জন্য আজকের বিশেষ আয়োজন মিউজিক্যান চেয়ার। শিক্ষকরাও হাততালি দিয়ে স্বাগত জানালেন।
বারো জন শিক্ষিকার জন্য বসানো হলো এগারটা চেয়ার। খেলা পরিচালনা কারি শিক্ষকরা বুঝিয়ে দিলেন মাইকে ৩০-৫০ সেকেন্ড বাজানো হবে গান,গান বন্ধ না হওয়া পয্যন্ত চেয়ার গুলোকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে বৃত্তাকারে ঘুরপাক খেতে হবে এবং গান বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে সামনে থাকা চেয়ারে বসে পড়তে হবে।কিন্তু চেয়ার একটা কম থাকায় একজন প্রতিযোগী বসার জন্য চেয়ার পাবেন না। যিনি বসার জন্য চেয়ার পাবেন না বা চেয়ারে বসতে পারবেন না তিনি প্রতিযোগিতা থেকেবাদ পড়বেন। এভাবে এক রাউন্ড শেষে একটা করে চেয়ার কমে যাবে আর একজন করে প্রতিযোগী বাদ পড়তে থাকবেন আর শেষ রাউন্ড পয্যন্তযিনিচেয়ারে বসতে পারবেন তিনিই হবেন চুড়ান্ত বিজয়ী।
আজকের এই আয়োজনটা বেশ আনন্দমুখর পরিবেশে রূপ নিয়েছে বুঝা যাচ্ছে। মুহুর্মুহু হাততালিতে পর্বটা বেশ জমে উঠেছে।পর্বটা শিক্ষিকাদের হলেও অনেক ছাত্রছাত্রীরাও বেশ জমিয়ে উপভোগ করছে। সবাই সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাইরে থেকেদর্শকরাও নানান উপদেশ ছুড়ে দিচ্ছেন বাতাসে প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্যে। পরিচালনা কারি শিক্ষক বলছেন-
‘দাড়াই থাকলে হবেনা কিন্তু, সামনে আগান , সামনে আগান..
আবার সমর্থকরা বলছেন ‘ম্যাডাম ওখানে একটু দাড়ান’
এসবের মধ্যে দিয়ে খেলা খুব প্রানবন্ত হয়ে উঠছে। প্রতিযোগীদের জন্য এটা একটা বড় পরীক্ষাও বটে। কেননা খেলাতে প্রথমে কান পেতে শুনতে হবে কখন গান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, চোখ রাখতে হবে চেয়ারটার দিকে যাতে বেশি দুরে ছিটকে না যায়, আবার খেয়াল রাখতে হবে প্রতিপক্ষ প্রতিযোগী সুবিধা নেওয়ার আগেইযাতে বসে যাওয়া যায়।এরকমই টান টান উত্তেজনার মধ্যেখেলাটা ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। আজ আবার প্রতিযোগীরা সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে একটা অন্যরকম চাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে কারণ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আজ এইআয়োজনে অংশগ্রহন করেছেন এবং প্রধান শিক্ষকের সাথে র্দ্শকসারিতে থেকে তিনিও খেলা উপভোগ করছেন আর মাঝে মাঝে শিক্ষিকাদেরকে উৎসাহ দিচ্ছেন।
১২জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হওয়া খেলাটায় ইতিমধ্যে ৮জন বাদ পড়ে গেছেন।যে চার জন এখনও টিকে আছেন তাদের সমর্থনকারিদের মধ্যেবিভক্ত হওয়ার কিছু দিক স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। কেউ ‍উৎসাহ দিচ্ছেন আগের অনুষ্ঠান উপস্থাপনাকারীতিতাস ম্যাডামকে, শিক্ষকদের মাঝে ওনার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে,স্কুলের বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার দায়িত্বপান তিনি।উচ্চারণ ভাল, সংস্কৃতিমনা, সবকিছু মিলেয়ে তিতাস চৌধুরী সমর্থনে একটু এগিয়ে আছেন। আবার দেখা যাচ্ছে সভাপতি সাহেব আর প্রধান শিক্ষক সাহেবসমর্থন দিচ্ছেন শাহিদা ম্যাডামকে।তিনি একজন জুনিয়র শিক্ষিকা।এই সভাপতির মেয়াদেই নিয়োগ পেয়েছেন।বুঝা যাচ্ছে সভাপতি সাহেবের বিশেষ নজর আছে উনার প্রতি, তিনি যখনই বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন শাহিদা ম্যাডামের খোজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ফলে অন্যান্য শিক্ষকরাও মাঝে মাঝে হাসি ঠাট্টার খুনসুটিতে মেতে উঠেন। আজও দেখা যাচ্ছে এক্ই অবস্থা দর্শকরা স্পষ্টতই দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে।
শেষ পয্যন্ত তাইহল। চারজনথেকে প্রতিযোগীহয়ে গেল দুই জন, আর প্রতিযোগী দু’জন মানে চেয়ার হয়ে গেল একটা। এখন দু’জন প্রতিযোগীকে ঘুরপাক খেতে হবে একটা চেয়ারকে কেন্দ্র করে।এইরাউন্ডে এসে তিতাস ম্যাডামের মাথাটা কেমন যেন চক্কর দিয়ে উঠল।অনেকক্ষণ ধরে বৃত্তাকারে ঘুরতে ঘুরতে এমনটা হতেই পারে।কিন্তু এখানে ব্যাপারটা সেরকম না, তিতাস আসলে বুঝতে পারেননি ফাইনাল রা্উন্ডে এসেতিনি শাহিদার মুখোমুখি হয়ে যাবেন। সেটিই তিতাসকে একটু ভাবিয়ে তুলল, শক্ত প্রতিযোগী বৈ কি।শিক্ষক ছা্ত্র সবার মাঝে তিতাসের বেশ জনপ্রিয়তা থাকলেও শাহিদাকে সমর্থন দিচ্ছেন সভাপতি স্বয়ং। সেজন্য কেন জানি তিতাসের মাঝে একটু অন্তর্মুখিতাও কাজ করছে।তিতাস আসলে বুঝতে পারছেন না পরিস্থিতিটা কিভাবে সামলাবেন, শেষ পয্যন্ত বিষয়টা প্রেজস্টিস ইস্যুহয়ে না দাড়ায়। খেলা পরিচালনাকারিরকাছ থেকে তাই দুই মিনিট সময় চেয়ে নিলেন। মাথায় হাত রেখে নিজেকে একটু শক্ত করার চেষ্টা করলেন তিতাস চৌধুরী। কিন্তু নিজের ভিতরেতিনি কেমন যেন ভয় আর লজ্জা দুটোই অনুভব করতে লাগেলেন। যখন তিনি দেখলেন হঠাৎ করে বৃত্তটাবেশ ছোট হয়ে গেছে। সব দর্শকরা তাদের দুজনকে ঘিরে রেখেছে বৃত্তাকারে, মাঝখানে একটা চেয়ার।শেষ পয্যন্ত ‍যিনি এই চেয়ারটায় বসতে পারবেন তিনিই হবেন প্রতিযোগীতার প্রথম স্থান বিজয়ী।কিন্তু পরিবেশটা তিতাসের কাছে কেমন যেন ভুতুড়ে ভুতুড়ে লাগতে লাগলো। অন্যরকম একটা চিন্তা হঠাৎ তার মাথায় হোচট খেয়ে গেল।

এটাই কি তবে সেই চেয়ার, যেটাকে ঘিরে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে ? দুই জন প্রধান মহিলা যেন উম্মুখ হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছেন এসে বসে পড়ার জন্য চেয়ারটিতে, ঠিক এই খেলাটির মতন।পুরো দেশটাতে কেমন যেন একটা ভৌতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে কখন জানি কী হয়ে যায় অবস্থা। একজনের জনপ্রিয়তা আছেসাধারন জনগনেরমাঝে যেমন জনপ্রিয়তা রয়েছে তিতাস এর, আরেকজনেরসমর্থনে আছে সরকারি ক্ষমতা পরিগ্রহ কারি শক্তি, যেটা পাচ্ছেন শাহিদা ম্যাডাম কেননা তার সমর্থনে আছেন স্বয়ং বিদ্যালয়পরিচালনা কমিটির সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক সাহেব। তিতাস আর কিছু ভাবতে পারছেন না, মাথাটা যেন আরো ঝিমঝিম করে উঠলো। ইতিমধ্যে পরিচালক ঈশারা দিলেন গান শুরু করার জন্য। তিতাস আর শাহিদা ম্যাডাম চেয়ারটার চারিদিকে ঘুরতে শুরু করে দিলেন।
হঠাৎ করে দর্শকরা যেন এক্কেবারে নিশ্চুপ হয়ে গেল, একটা টু শব্দ পয্যন্ত নেই।শুধু মাইকে বাজা গানটাই যেন চিৎকার করে যাচ্ছে। এক মিনিট পেরিয়ে গেল, গানটা তবুও বেজেই যাচ্ছে। পরিবেশটা যেন আরো ভুতুড়ে, থমথমে। সবার চোখগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে দুই ম্যাডামের আবর্তনের সাথে সাথে। একেবারে শুনসান নিরব দর্শক। গানটা বন্ধ হতেই তিতাসই আগে বসার জন্য চেয়ারটার কাছাকাছি চলে গেলেন। বসে পড়ার ঠিক আগ মুহুর্তে শাহিদা এক ঝটকায় চেয়ারটাকে নিজের দিকে একটু সরিয়ে এনে বসে পড়লেন যদিও পুরোপুরি বসতে পারলেন না, অর্ধেকটা বসলেন শাহিদা আর অর্ধেকটা বসলেন তিতাস। কিন্তু শাহিদা টান দিয়ে চেয়ারটা সরিয়ে আনায় তিতাস শরীরের ভার নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে অর্ধেক বসা থেকে পিছলে উপুড় হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হলেন।কিছুক্ষণ মাটিতে পড়েরইলেন, পড়েথেকেইনিজেকে গোছাতে চেষ্টা করলেন। তিতাস ভাবতেই পারেন নি যে শাহিদা এমন করে বল প্রয়োগ করবেন।দুজনই শিক্ষিকা, ব্যাপারটা ভাবতেই তিতাস নিজের ভিতরে আরো যেনকুকড়ে গেলেন।আর দর্শকদের মধ্যে কেমন যেন একটা হতাশা প্রকাশের শব্দ বাতাসের ইথারে সন্তরিত হল
ইস স স স সস...
শুধু একজন লোকই হাততালি দিতে দিতে দাড়িয়ে গেলেন, তিনি হলেন সভাপতি সাহেব।প্রধান শিক্ষক তখনো নির্বাক হয়ে তাকিয়ে আছেন সভাপতির দিকে।পরে ধাতস্ত হয়ে ঈশারা দিলেন অন্যান্য শিক্ষিকারা এসে তিতাসকে তুলে নিতে। সব শিক্ষিকারা যে যার মত করে তিতাসের গায়ে লেপ্টে যাওয়া ধুলোবালি ঝাড়াতে লাগলেন। কিন্তুসবাই অবাক হয়ে শুনলেন,খেলা পরিচালনা কারী শিক্ষকেরা একমত হয়ে শক্তি প্রয়োগের কারনে (খেলার শুরুতে বলা হয়ে ছিল কোন রকম শক্তি প্রয়োগ করা যাবেনা) শাহিদাকে দ্বিতীয় এবং তিতাসকে প্রথম বিজয়ী ঘোষনা করার উদ্যোগ নিলে বাধ সাধলেন সভাপতি সাহেব, তিনি বলে উঠলেন-
-খেলায় এরকম একটু আধটু ধাক্কা লাগতেইপারে সেটা কোন ব্যাপার না। যে চেয়ারে বসতে পেরেছে সেই বিজয়ী।
শিক্ষক শিক্ষিকা ছাত্রছাত্রী সব দর্শকই যেন একেবারে নিশ্চুপ হয়ে থ মেরে গেলেন। মাটিতে পড়ে ব্যাথায়চোখ বুজে গোঙাতে থাকা তিতাসওবিষয়টা পরিষ্কার শুনতে পেলেন কানে। উদ্ধার করতে আসা বাকী ম্যাডামরা চোখ খটমট করে একপলক সভাপতির দিকে তাকালেও পরক্ষনেই নিশ্প্রতিভ হয়ে ধরাধরি করে তিতাস কে নিয়ে ক্যাম্পের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলেন...।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • বকুল বকুল
    বকুল বকুল হাহাহা গল্পটা পড়ে হাসি পাচ্ছে। আমাদের স্কুলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এই খেলাটার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে আমি আমার জীবনের প্রথম অংশগ্রহণ করেছিলাম। ঠিক একই অবস্থা হয়েছিল আমার। তারপর অবশ্য নেমে এসেছিলাম আমি। এই খেলাটির নাম মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা। ভাইয়া...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী গল্প যে দারুণ হয়েছে, তা বলার লাগে না। আমার মনে হয় ভাইয়া রাজনীতির ব্যাপারটাকে ঘিরে, সভাপতি সাহেবের আচরণ গুলো যে পর্যায় সৃষ্টি হয়েছে সেটাকে ভৌতিক প্রকাশ করতে চেয়েছেন। অথবা, খেলনার সমাপ্তে বিজয় ঘোষণার প্রারম্ভে সভাপতি যে আচরণ করলেন তা অমঙ্গল (ভৌতিক) হিসেবে ব...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . thumb_up . ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • সাইফুল বাতেন টিটো
    সাইফুল বাতেন টিটো আমি বুঝিনা ভৌতিক সংখ্যা ঘোষনা দিয়ে এরা যেকোন লেখা পাবলিশ করছে কি কারণে? কেউ জানালে খুশি হবো।
    প্রত্যুত্তর . ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ইমরানুল হক বেলাল
    ইমরানুল হক বেলাল দেশটাতে ভৌতিক আসর ভর করেছে,
    কখন কী হয় কে জানে?
    আসলে ঠিকই বলেছেন প্রিয় লেখক জাহাঙ্গীর ভাই,
    এক কথাতেই স্পষ্ট অসাধারণ!
    তবে কিছু কিছু কথা রাজনৈতিক প্রসঙ্গে চলে গেলো,
    ভৌতিক চরিত্রে মানায়নি,
    তবুও ভালো লাগলো,
    একটি অন্যতম ভিন্ন স্বাদের
    গল্প হয়েছে।
    ভোট ও মুগ্ধ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . thumb_up . ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • আহা রুবন
    আহা রুবন গানটি কী ছিল? ভয় বা ভৌতিক ব্যাপারটি খুব একটা স্পর্শ করেনি। নতুনত্ব ছিল দুই মহিলার চেয়ার যুদ্ধের আড়ালের বক্তব্য! ভোট থাকল।
    প্রত্যুত্তর . ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • মোঃ মোখলেছুর  রহমান
    মোঃ মোখলেছুর রহমান জাহাঙ্গীর ভাই আশা করি ভাল আছেন,আপনার এবারের লেখাটা ভাল কিন্তু বিষয়ে খাপ খাওয়াতে পারছি না, না চিন্তাশক্তিই কমে গেল।ভাল থাকবেন।
    প্রত্যুত্তর . ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
    খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি এটাই কি তবে সেই চেয়ার, যেটাকে ঘিরে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে ? // ভালো লাগলো তবে কম্পোজিং এর কারণে পড়তে কষ্ট হয়েছে...শুভ কামনা রইলো জাহাঙ্গীর ভাই....
    প্রত্যুত্তর . ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • সেলিনা ইসলাম
    সেলিনা ইসলাম এক চেয়ার নিয়ে ছুটাছুটি খেলা 'চেয়ার চিটিং'। নস্টালজিক করে দিল গল্প। ভূত প্রেত ছাড়াও যে ভয় পাওয়া যায়! গল্পে তা বেশ ফুটে উঠেছে। মনে হল সবাই সভাপতিকে বেশ ভয় পায় বোঝা গেলো। কিন্তু কেন ভয় পায় তার কিছুটা ইঙ্গিত গল্পে দিলে মনে হয় আরও ভালো লাগত। আরও ভালো ভালো গল্...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . thumb_up . ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • জসিম উদ্দিন আহমেদ
    জসিম উদ্দিন আহমেদ ‘অ্যালোগরিক্যাল স্টোরি’ হিসেবে উতরে গেছে, তবে ভৌতিক গল্প হিসেবে সেভাবে যাচ্ছে না। শুভকামনা রইল। আর অভিযোগ রয়েছে বিস্তর, আমার পাতায় এখনো পাইনি কিন্তু, প্রতীক্ষায় রইলাম।
    প্রত্যুত্তর . ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  •  সালমা  আক্তার
    সালমা আক্তার হৃদয় ছুঁয়ে গেল গল্পটি।
    প্রত্যুত্তর . ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

advertisement