লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৫ জানুয়ারী ১৯৯১
গল্প/কবিতা: ৪টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৫

বিচারক স্কোরঃ ২.৪২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.০৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftমুক্তিযোদ্ধা (ডিসেম্বর ২০১২)

একটি নিছক ভালবাসার গল্প অথবা রক্তাক্ত সীমানায় বসতি
মুক্তিযোদ্ধা

সংখ্যা

মোট ভোট ৪৫ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৫

ফিদাতো মিশকা

comment ১৯  favorite ২  import_contacts ১,৩৯৪
ফিদাতো মিশকার গল্প
ছেলেটি টুকটুক করে কবিতা লেখে,বনলতার চোখের মতো মেয়েটির চোখে খুঁজে ফেরে অনুভবের স্বপ্ন ।মেয়েটির হাতে হাত রেখে ছেলেটি কবিতা শোনায় আর সংসার কেমনে সাজাবে ঠিক করে।
মেয়েটি বলে ,আমি কিন্তু বাসার ছাদে বাগান করব,সবছেয়ে বেশী থাকবে অপরাজিতার গাছ।আর আমাকে একটা খরগুশের বাচ্ছা কিনে দিতে হবে কিন্তু্‌ .....................।।আমি সারাদিন
খরগুশের বাচ্ছার সাথে গল্পও করব, আচ্ছা।
না বাবা তাহলে তো দেয়া যাবে না আমি ইচ্ছে করে সতিন কিনি তাই না.......... আর খরগোশের বাচ্ছার গায়ে খুব গন্ধ । তারচেয়ে তোমাকে একটা হাতির বাচ্ছা কিনে দেই, ছেলেটি হাসতে হাসতে বলে ।মেয়েটি হালকা রাগ করে।রাগ করলে মেয়েটির নাক রক্তের মতো লাল হয়ে যায়, আর ছেলেটি সেই মুগ্ধ চাহনির দিকে মুগ্ধতায় বারবার তাকায় ।ছেলেটির পুরো চিন্তার জগত জুড়ে মেয়েটি কেবল মেয়েটি।
ছেলেটির রেজাল্ট ভালো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে অনার্স , ফাইনাল ইয়ার। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হওয়ার কথা।তার সপ্ন পি, এইচ ,ডি করতে বাইরে যাওয়া ,আর সুখের সংসারে মেয়েটির চোখে নিরাপদ স্বপ্ন এঁকে যাওয়া।
মেয়েটি রাগতে রাগতে বলে ,না আমার খরগুসের বাচ্ছা লাগবে লাগবেই.......... আমাকে আকাশের চাঁদ এনে দেওয়া লাগবে ,সেটা হাতে নিয়ে আমি এক্কাদুক্কা খেলব.........,দিবা না বলো ,বলো দিবা, না দিলে তোমার সাথে কথাই বলব না।

-আচ্ছা বাবা দিবো ,হাজার বার দিবো ,এবার একটু হাসো তো হাসো না বাপ
-তাহলে আমায় লাল বেনারশি দিবা, এক হাজার একটা অপরাজিতা দিবা, কোন এক জোৎস্না রাতে আমাদের বিয়ে হবে,সারারাত আমরা গল্প করব, তোমার ঝিমুনি ধরলে আমি খামচি দিব,বলো হবে, বলো ।বলতে বলতে খিলখিল করে হাসতে থাকে মেয়েটি,সাথে ছেলেটি
তাদের মুগ্ধতার হাসি আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয়।
কিছুক্ষন আগে একটা বুলেট ছেলেটির বুকে লাগে ।ছেলেটির গলা শুকিয়ে আসে।সে দেখতে থাকে তার চারপাশে জোৎস্না রাত,লাল বেনারসি পরা মেয়েটি থাকে ডাকছে। মেয়েটি বলে, তুমি এরকম করছ কেন ,আজ না আমাদের বিয়ের রাত, এই তুমি ঝিমাবা না ,ঝিমালে কিন্তু আমি খামচি দিবো।
ছেলেটি হাসতে থাকে আর বলে, লক্ষ্মীটি আমি তোমার প্রত্যেকটা নিঃশ্বাসের সাথে মিশে থাকবে আমি কোথাও যাব না ।শুনো তুমি, তোমার আমার একটা স্বপ্নের মৃত্যুতে হাজার মানুষ স্বপ্ন দেখবে , বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখবে,আমার মৃত্যু একটা অন্য রকম ভালবাসার গল্প।........
জোৎস্না ফুরিয়ে যাচ্ছে ............চারপাশে অন্ধকার ,অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে একটা প্রান আলোর মশাল জ্বালাতে ।

(পাঠক এটা শুধুমাত্র একজন যুবকের গল্প ।এরকম হাজার যুবকের স্বপ্ন বিসর্জনে আমাদের স্বাধীনতা। আসুন আরেকবার শ্রদ্ধায় মাথানত করি এইসব শহীদদের জন্য )

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement