কোন নারী যখন কারো হাতে হাত রেখে একই সময়ে অন্য কারো সাথে সম্পর্ক রাখে বা রাখার চেষ্টা করে সেটা লজ্জার, এই লাজটুকু রাখা উচিত।এটি নারী বা পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে, আমি নারীকে উপমা হিসাবে ব্যবহার করেছি। আবার নারীর বেপর্দায় বেসামাল হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকেও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছি।কারণ আমরা জানি লজ্জা নারীর ভূষণ।তাই নিজেকে আড়াল করে রাখা,গোপনীয়তা বজায় রাখাটাই স্বাভাবিক।না হলে আর লাজ থাকে না। একইভাবে শিক্ষকের মাথা ন্যাড়া করে দেয়া বা মাথায় মানুষের মল ঢেলে দেয়া যেমনি অপমানের তেমনি লাজ লজ্জারও ব্যাপার। সর্বোপরি কবিতাটি বিষয়ের সাথে পুরোপুরি সমঞ্জস্যপূর্ণ বলেই আমার মনে হয়েছে।বাকীটা বিবেচনার জন্য আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জানুয়ারী ১৯৮৩
গল্প/কবিতা: ১৪টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - লাজ (জুন ২০১৮)

তিলোত্তমা তোমায় এঁকেছি চৌকাঠে।
লাজ

সংখ্যা

মাইনুল ইসলাম আলিফ

comment ১৩  favorite ১  import_contacts ৩০২
সময়ের মানসে তোমাকে গড়েছি,
তিল তিল করে তিলোত্তমা তোমায় এঁকেছি চৌকাঠে।
বৃষ্টিতে ভিজে সারাদিন কাকভেজা রোদ্দুর হবো, তাই সময়ের গুন টেনে
দাড়িয়েছিলাম প্রতীক্ষার শায়রে, তুমি আসোনি।
অথচ আবেগের আকাশে ফোটা বৃষ্টির মেঘদল বাসা বেঁধেছিল।
হয়তো ভালই বাসোনি।

তোমাকে দেব বলে পকেটে জোনাক নিয়ে
অপেক্ষায় থেকেছি অনেক পূর্ণিমা,
রাত ভোর হয়ে গেছে তবু দিতে পারিনি
অথচ ভাঁজ করা রুমাল, বুক পকেটের সেই চিরকুট,
কিংবা ডাইরীর ফাল্গুনের পাতা জুড়ে লেখা কবিতায় নিশ্চুপ ভ্যালেন্টাইন
আমাকে স্বপ্নের চৌহদ্দি পেরুতে বলত।
আমি পেরিয়েছি,হেঁটেছি অনেকটা পথ,
তারপর আচমকা তোমার হৃদয় জানালায়
আর কারো কড়া নাড়ার শব্দে থমকে দাঁড়াই।
দেখি অন্য কারো হাতে রাখা তোমার হাত।

এ লজ্জা হয়তো তোমার কাছে মরিচীকা বিভ্রম না হয় শিশির কান্না!
মনটাকে তোমার সরিষার মতো ছড়িয়ে দিতে
হয়তো লাজে লাগে না!
অথচ ক্যাকটাস কল্পনায়, অনুরাগ অনুযোগে,
ভাবতেই আমার শিহরণ জাগে।
লজ্জায় ঘৃণায় মাথা নিচু হয়ে যায়।
তোমার লজ্জা শুধু আমাকে পোড়ায়,
অথচ তোমার মতো অসংখ্য তুমি যখন
চুলখোলা বেসামাল হারিয়ে যাও নীলপদ্ম,নীল আকাশ, নীল নীল নীলাচলে,
তখন আমরা পুড়ি,শাসনের দৈন্যতায়,
ব্যর্থতার গ্লানিতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় অস্থিরতায়।

তুমিতো এক তুমি শুধু,
শিক্ষকের মাথা ন্যাড়া করে দিতে কিংবা
মাথায় মানুষের মল ঢেলে দিতে যাদের বাঁধে না
তাদের লজ্জাও আমার , আমাদের।
লজ্জাবতী লতার মতো ছুঁয়ে দিয়ে যাও,
দ্যাখো, নিজেকে গুটিয়ে নেবো,
তবু যদি তোমাদের লাজে লাগে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement