লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
গল্প/কবিতা: ৫২টি

সমন্বিত স্কোর

৫.০২

বিচারক স্কোরঃ ৩.০৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯৯ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftবিজয় (ডিসেম্বর ২০১৪)

নোঙর
বিজয়

সংখ্যা

মোট ভোট ৫৩ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৫.০২

খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি

comment ৪৫  favorite ৫  import_contacts ২,৩৯৮
আগ্রাসী তুফানের নগ্নথাবা থেকে
মুক্তি চেয়েছিল একদিন
উদীচী মেঘের কাছে রুদ্র বৈশাখ।
উত্তাল ঝড়ো মিছিলের তোড়ে
ঠিকানা খুঁজে ফিরে স্বপ্নবীজ,
শিমূল তুলার মতন
উড়ে যায় সুদূরে ফানুস
কিছুতেই পারেনা ছুঁতে
এক লোকমা উর্বর জমিন।
ছিল হাজার বছর ধরে অন্তরীণ
শোষিত বঞ্চিত মানুষ।

না পাওয়ার বঞ্চনা থেকে
শুরু হয় মুক্তির লড়াই,
আরক্ত কবিতার আকাশ হতে
একে একে বর্ণ মালা ঝরে পড়ে
শূন্যে হারিয়ে যাওয়া গিরিবাজ
আর তো এলো না ফিরে।

কবিতার অন্তিম পঙক্তি লিখতে
অবনী তলে মাথা রাখে কবি,
সোনা মাটির কাফনে জড়ায়
আজন্ম কবিতার হিরণ্য বদ্বীপ।

তবু হাল ছাড়েনা শব্দের নাবিক
লহিত সাগর থেকে তুলে আনে
মহাজাতিক কাব্যের উপমা,
লিখা হয় অসমাপ্ত কবিতা খানি।

“ধান কাউনের সিক্ত ঘ্রাণে
দোয়েল শ্যামার এই দেশে,
বাঁশ বাগানের মাথার উপর
কাজলা দিদির মুখ হাসে,
শাপলা শালুক ঝিলের জলে
কদম তলায় বর্ষা নামে,
রক্ত কমল পাতার উঠান
ভরে উঠে সোনার ধানে।

অতঃপর এক হেমন্তের সন্ধ্যায়,
হাজার নদীর ঘাটে হাটে
বিজয় পান্সি নাও এসে,
নোঙর করেছিল অনন্ত এই বাংলায়।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement