কবি-র পারিপার্শ্বিক পরিবেশ এবং মানুষগুলোর কঠোরতা কিভাবে কবিকে কষ্ট ও পীড়া দিচ্ছে তার-ই বহিঃপ্রকাশ এই কবিতা।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ১১টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৫

বিচারক স্কোরঃ ২.৮৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কঠোরতা (মে ২০১৮)

স্থাবর-অস্থাবর চিন্তা
কঠোরতা

সংখ্যা

মোট ভোট ৩৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৫

মোঃ জামশেদুল আলম

comment ২৯  favorite ০  import_contacts ৭১২
আমি কতোটুকু আমাকে ঘৃণা করি সেটা জানার অধিকার একমাত্র আমার-ই আছে।
আমার স্বপ্ন ধ্বংস করার অধিকার কিভাবে যেনো তোমাদের হয়ে গেলো।
ভালো থাকার, চিন্তা করার সুখটুকুও ব্যারাম হয়ে গেলো।
আমাকে নিশ্চিহ্ন করে তোমাদের কবিতার খাতায় তোমরা জোছনা লিখো।
তোমাদের ক্যানভাসে আমার কদাকার শরীরের কাব্য আঁকো।
শরীরের পুড়ে যাওয়া সত্যগুলো শ্মশান ঘাটের ছাই হয়ে উড়ে উড়ে পাখিদের নীড়ে অনাহুত অতিথি হয়ে রয়।
তোমাদের হৃদয়ে ছয় ফুট গর্তে একা হয়ে যাওয়ার ভয়।

আমার সস্তা দেশী মদের গ্লাসে উইপোকাদের বাসর হয়।
তাদের শেষ হয়ে যাওয়া বাসরের দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া ফুলে আমি প্রেমিকার খোঁপা সাজাই।
পাপ হবে ভেবে ছুঁয়ে দেখিনা কাজলের রেখা।
ধার করে আনা তোমাদের বাস্তবতা দিয়েই আমার স্বপ্ন দেখা।

কি বোকা আমি!
তোমাদের দেখানো জীবনকে নিজের জীবন ভেবে দুশ্চিন্তায় ঘেমে বালিশ ভিজাই।
আমার প্রতিদিনের মৃত্যুর জন্য তোমাদের গালাগাল দেই।
আমার প্রতিটি পদক্ষেপে, স্থাবর-অস্থাবর চিন্তায় তোমরা ঠিক-ই থাকো।
কিন্তু তোমাদের কোথাও আমি নেই।
তোমাদের কঠোরতায় আমার মৃত্যও নেই।

advertisement

ট্যাগগুচ্ছ

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement