লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ অক্টোবর ১৯৭৩
গল্প/কবিতা: ৮টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৭৭

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftবর্ষা (আগস্ট ২০১১)

আমার বর্ষা-স্নাত কৈশর
বর্ষা

সংখ্যা

মোট ভোট ৭৭

সেনা মুরসালিন

comment ১০১  favorite ৬  import_contacts ১,১৫২
কখনো আচম্বিতে আষাঢ়ের ঢল নামে দু’কুল ছাপিয়ে
উপচে ওঠে মনের আধা-শুকনো নদীগুলো
প্লাবন আসে স্মৃতির বালুচরে
থৈ থৈ জলে ভাসতে থাকে আমার মন-ডিঙ্গি।

বর্ষা-স্নাত কৈশরকে বড্ড মনে পড়ে!

জমাট বাঁধা ছাইরঙ্গা পোয়াতি মেঘগুলো
প্রসব বেদনায় চিৎকার দেয় অকস্মাৎ,
ঝলসে ওঠে বিদ্যুৎ-তরবারী
একটানে চিরে ফেলে কালি-রঙ্গা আকাশ
অঝরে ঝরায় শিশু-বৃষ্টিদের।
উর্বরা ধরনীতে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত বীজের ঘুম ভাঙ্গে,
কাঁচা সবুজ বৃক্ষ-শিশু মাটি ফুঁড়ে উঁকি দেয় ধরনীর বুকে।

সত্যিই বর্ষা-স্নাত কৈশরকে বড্ড মনে পড়ে!

বাড়ী ঘিরে রাখা বাঁশের বেড়া থেকে হাতে তৈরী ছিপ,
হেঁশেল থেকে নেওয়া একমুঠো ময়দা,
মা’র দৃষ্টি এড়িয়ে চুপিসারে বেরিয়ে পড়া।
তারপর ঝিপ ঝিপ বৃষ্টির ভেতর
বিশাল একখানা মান-কচুপাতা মাথায় দিয়ে
মন্ডল বাড়ীর পুকুর থেকে ; সিঁদুর-রঙ্গা পুঁটি মাছ ধরে
ভিজে চুপ-চুপে হয়ে বাড়ী ফেরা।

আহা ! বর্ষা-স্নাত কৈশরকে বড্ড মনে পড়ে!

ঘোর-কালো আকাশকে ফুঁটো করে
অঝর ধারায় নেমে আসা বরষা,
অদম্য কৈশরের আমরা ক’জন,
কাদায় পিচ্ছিল মাঠ ও একটি ফুটবল।

বাংলার দামাল কৈশরের ঐতিহ্য বুকে নিয়ে
ছুটছি তো ছুটছি-ই ফুটবলের পেছনে--
“বাঙ্গালী, বরষা ও ফুটবল” মিলে মিশে একাকার।

ইশ! বর্ষা-স্নাত কৈশরকে বড্ড মনে পড়ে!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement