লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ মার্চ ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ২৩টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৬৩

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftশীত (জানুয়ারী ২০১২)

শৈত্য বৈষম্য
শীত

সংখ্যা

মোট ভোট ৬৩

সঞ্চিতা

comment ৭৩  favorite ১  import_contacts ৮৭৩
রেল স্লিপারে শুয়ে ছোট্ট রমিজ ভাবে কত কি
আজ শীতের প্রভাবটা বেশ, ছেঁড়া কাঁথাটায় উম ধরেনা
ঘুম ! সে আসবে কি করে পেটে যে নেই দানা ।
চোখ মেলে দেখে গাড়ি হতে নামে ঢুলুঢুলু কজন
রেস্তোরাঁ দোরে জানায় তাদের উষ্ণ অভিনন্দন।
বড় আমেজে ফরমায়েশ দিল খাবার
অদূরে রমিজের পেটে ক্ষুদার হাহাকার।
সহসা পড়িল মনে,কেন আজ সে পাষাণ শহর কোনে ?
পৌষের শীতে হাড় কাঁপুকাঁপু –মা বানাতেন ভঁাপা
রসবড়া ,আর চিতই এ সুনাম নিত আপা।
আপার হল শাদী,ঋণ পরিশোধে আব্বা হল সফল আধি
দুটি ভাইবোন,বাবা আর মা ছোট্ট সুখের সংসার
অভাব ছিল, শান্তি ছিল – ছিলনা তো ক্ষুদার হাহাকার।
কালক্রমে গেল সব, বাবা ও হল নিস্তব
ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে ছোট্ট রমিজ শহরে ।
মা বুঝি ডাকে আয়রে ‘রজু’ দাঁড়ায় তার শিয়রে
ভালো লাগেনা কিছুই; রাক্ষস নাড়ী আবারও মোচড় মারে
ততোক্ষণে ধনীর দুলালরা বেড়িয়ে রাস্তায়
দৌড়ে রমিজ পা জড়িয়ে খাবার পয়সা চায় ।
এক ধাক্কায় পিচ পথে পড়ে হাঁটু যায় তার ছিঁড়ে
মাগো কই তুমি? আদরের হাত বুলায় না কেউ
ইট কাঠের এই শহরে।
ওরা সবই পায় অঢেল তাই করে নষ্ট অজস্র
আমিই কেবল পাইনা খাদ্য পাইনা শীত বস্ত্র।
কতকাল আর এ বৈষম্য চলবে নিরবধি ?
কভু কি ফুরোবেনা রমিজদের এই নাপাওয়ার দুঃখের নদী?
আমরা তো চাই সমাধিকার সমান সুখি দুঃখী
এক দেশেরি সবাই যেন পায় সুখ একই ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement