এখানে নিচু শ্রেণীর খেটে খাওয়া মানুষদের কথা বুঝিয়েছি। দু বেলা দুমুঠো অন্ন যোগাড় করতে ওরা দিনভর খেটে খায়। ওদের জীবনই কঠোরতার মধ্য দিয়ে,যায়। ওরা রাতদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কঠোর জীবন যাপন করে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ৯০টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কঠোরতা (মে ২০১৮)

নিয়তির নির্মম পরিহাস
কঠোরতা

সংখ্যা

এই মেঘ এই রোদ্দুর

comment ৪  favorite ০  import_contacts ৭৯
ঝরঝরে সকালের বুকে নিভৃত্তে চষে বেড়ায় ঝাড়ুদার'রা
নিরিবিলি হাওয়ায় ওদের দেখতে ভাল লাগে,
সকল অলসতা দূরে ঠেলে
ওরা আমার শহর পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত।
শলার ঝাড়ুর খসখসানি আওয়াজ আর ধূলোর গড়াগড়ি
আর পাতা'রা তুলে মর্মর গান
সুনসান রাস্তায় ওরা সবুজ এপ্রোনে সেজে
পরিচ্ছন্নতার ফুলে সাজায় শহর।
অথচ আমরা সেখানে থু থু ফেলি নির্দ্বিধায়
ছেঁড়া পলিথিন, চিপসের প্যাকেট ছুঁড়ে ফেলি।
ওরা আড়চোখে তাকায়, নিশ্চুপ কাজে মন..
কিছু বলার সাহস নেই ওদের
কেননা আমরা স্বাধীন সচেতন বড়লোক নাগরিক
আমাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপে আমরা ক্ষেপে যাই
আর ওরা দু চার আনার ঝাড়ুদার,
ওদের কষ্ট দেখার কিইবা প্রয়োজন!
রাস্তার কিনারে গোলাপী রঙ ডাস্টবিন
উপছে পড়া ময়লায়, নোংরা পরিবেশ
ওরা বেলচা দিয়ে পচা গলা উচ্ছিষ্ট ডাস্টবিনের ভিতর
ঠেলে ফেলে দেয়,
ওদের পাশেই নগ্ন পুরুষ তার উচ্ছিষ্ট জল ঢেলে দিচ্ছে
ওরা তখনো কিছু বলে না, ওরা সে জল ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে
দিনভর কাজ করে যায়, দু বেলার ভাত জুটবে বলে।
আমরা ভদ্র লোক, ওরা গরীব
ওদের কথা বলার অধিকার হারিয়েছে জন্মলগ্নে
দরিদ্র পিতামাতার জন্ম দেয়ার কারণে।
বেঁচে থাকার কি নির্মম পরিহাস, ভেদাভেদ,
আমরা তবুও মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব।

advertisement

ট্যাগগুচ্ছ

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement