বুকের ভিতর ঘুটঘুটে অন্ধকারের মতো -
ঘুমিয়ে রয়েছে অনিবার্য মৃত্যু ,
মুহূর্তেই সহস্রাব্দের ঘুম ভেঙে জেগে উঠবে আর্ত চিৎকারে ।
তবুও জলের গান হয়ে জীবন ছুটে চলে,
বহতা নদীর সাথে ।
কখনো কখনো সবুজ বনানীর মাঝে ,
জীবনের প্রতীক হয়ে নারিকেল বৃক্ষের
ছিপছিপে পাতা থেকে ,
তৈলাক্ত আলো বেয়ে পড়ে-
সুখের মতো ।
সুদূর অতীতের মতো ,
কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে
আগুন ধরে থাকে মায়ার ফুল হয়ে ।
বট আর অশ্বথের ছায়ায় ,
ক্লান্ত পথিকের সাথে ঘুমিয়ে থাকে-
নির্লিপ্ত সময় ।
ঘাস ফড়িঙের চঞ্চলতায় -
চনমনে হলুদ রোদ্দুর খেলা করে ,
সবুজ ঘাসের মাঠে ,
রাঙা রাজকন্যাদের মতো ।
রঙিন প্রজাপতি আর মাছরাঙাদের ধ্যানে-
দুপুরগুলো যখন অলস হয়ে ওঠে ,
তখন সাদা-কালো ঘোড়াগুলি ছুটে চলে
কার্তিকের নবান্নের শেষে ,
পৃথিবীর অন্য প্রান্তে -
নরম ঘাসের রোদে ।
অসংখ্য ভালো লাগা গুলো চিরকাল থাকবে-
এই পৃথিবীতে ,
শালুক ফোঁটা স্বচ্ছ পানিতে
মাছেরা খেলা করবে,
এখন যেমন করে ।
নীলাম্বরীর পরনে থাকবে -
তখনও নীল শাড়ী ,
ফাগুনের মাতাল হাওয়ায় -
তখনও প্রেমের ঘুড়ি উড়বে ,
কারও মনের আকাশে ।
থাকবে নির্ঘুম নক্ষত্রের রাত ;
থাকবে না আমার ইচ্ছে গুলো
হাসি , কান্না -
রাগ কিংবা অভিমান হয়ে ।