আমি জীবনানন্দের চোখে দেখেছি আমার স্বদেশকে,
দেখেছি তার রূপময়তা আর স্নিগ্ধা সকল বেশ।
দেখেছি মাগো, তোমার দীর্ঘ অঞ্চলের লালিত্য মাখা ভালবাসা; আর দেখেছি তোমার নবনব রূপের লাবণ্যতা।

বাদলের ধারায় মুছে দাও তুমি সকল ক্লেদ-ক্লান্তি; আর বিমুগ্ধ কর কদমের সুগন্ধি সৌরভে।
মাগো, তোমার শাড়ির নকশা হেরেছ যে এ জীবনে; ভুলিবে কি সে আর এ জনমে?
হেমন্তি-বাসন্তি ফুলে নাও তুমি নবনব রূপ;
তোমার রূপের গুণ-গান গাহিল তাই ফাহিয়েন বতুতা প্রমুখ।

স্রোতস্বিনী রূপ দুগ্ধ তুমি ছড়ায়ে রেখেছ সকল গাঁয়,
সকল বাচা- ধনেরা মা তাই বেঁচে রয়।
তোমার রূপ আমি আজ কি করিব বর্ণন? শ্রেষ্ঠা তুমি;_
হতে সকল জন। তাই মিনতি তোমা দ্বারে,
রেখো গো মা এ বাছারে আগলে_ চিরকাল; তোমার আঁচলে।