মানুষ কিভাবে এবং কেন কৃপণ হয় তা এ গল্পে উল্লেখ আছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৩ এপ্রিল ১৯৯১
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

২.০২

বিচারক স্কোরঃ ০.৮২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - কৃপণ (নভেম্বর ২০১৮)

কিপ্টে দুলাল
কৃপণ

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.০২

Arshad Beeg

comment ৬  favorite ০  import_contacts ১২৬

ছেলেবেলা থেকেই যে ছেলেটি এলাকায় কিপ্টে বলে পরিচিত তার নাম দুলাল খন্দকার।তাকে দুলাল খুনকাও বলা হয়ে থাকে। খন্দকারদের এমন নামের কথাটা এদেশে অনেকেরই জানা।তাকে কিপ্টে বলার কারণ এই যে সে টাকা খরচ করতে চায়না।এদিকে তার বাবা একজন ডাক্তার।
সে এলাকায় স্থানীয় নয়।দশ বছর বয়স থেকে সে নতুন এলাকায় এসেছে।তার আগে তার পরিবার ও সে কোথায় ছিল তা জানা যায়না।তার মাও কর্মজীবী সন্তানদের বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।তার পরও কেন সে কিপ্টেমি করে তা কারও মাথায় আসেনা।তার একটি ভাই আছে।নাম তার আলাল।সে দেখতে খুবই সুন্দর।দুই ভাইয়ের মাঝে আকাশ পাতাল ফারাক।দুজন যদি একসাথে চলে মনে হয় একজন আরেকজনের বাড়ির চাকর।
দুলাল পড়াশুনায় ততোটা ভালো নয়।যায় হোক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হলো দুলাল।এবার তাকে বাড়ি ছেড়ে মেসে থাকতে হলো।সেখানেও সে কিপ্টে শুরু করে।ঠিকমত মিলের টাকা দেয়না।আরও হাস্যকর বিষয় আছে। মহাবিদ্যালয়ে তার কিছুটা বেশি বন্ধু জুটলো।তার বন্ধুরা তার কাছে খেতে চাইলে সে দূরে চলে যায়।আবার বন্ধুরা যদি তাকে খাওয়াতে চায় তাও দূরে চলে যায়।কারণ ওদের কাছ থেকে খেলে ওদেরকেও খাওয়াতে হবে।সে মেসের ভাড়া ঠিকমত দিতো না।তাই মেসওয়ালার বকুনি খেতো।কিন্তু সে সময় তার চোখে জল আসতো।তার মহাবিদ্যালয়ে একটি মেয়ের রক্তের প্রয়োজন হয়।সে রক্ত দেয়।এতে তার বন্ধুরা তার চরিত্র নিয়ে কথা বলা শুরু করে।তাকে একজন তো বলেই ফেলে কিপ্টে নারীখোর।

একবার তার মহাবিদ্যালয়ে দুই দলের মাঝে মারামারি হয়।একজন ছাত্র চরমভাবে জখম হয়।সে ছাত্র তার বিভাগের বড় ভাই।তার রক্তের দরকার হলে দুলাল তাকে রক্ত দেয়।এবার তার বন্ধুরা অবাক হয়।তাদের মনে হয় যে ছেলে দশ টাকা বের করতে চায়না সে কিভাবে রক্ত দেয়।তার কাছে তার এক বন্ধু জানতে চায়, কেন সে এ এরকম?
উত্তরে দুলাল বলে, আমার জীবনে অনেক বড় ঘটনা আছে যা তোরা কেউ যানিসনা।তাই তোদের তিরস্কার আমি মেনে নি।আমার ভাগ্যের দোষ দি।তার কিছু বন্ধু একদিন তাকে তার জীবনের ঘটনা জানতে চায়।সে তখন তাদের জানায় যে সে তার বাবার নিজের সন্তান নয়।সে তার মায়ের বৈধ সন্তান নয়।তার আসল বাবা তাকে ও তার মাকে স্বীকার করেনি।তার নতুন বাবা তাকে স্বীকার করলেও খরচ দিতে নারাজ।তাই তার মা শিক্ষকতা করে তার খরচ চালায়।একথা শুনে তার এক বন্ধুর চোখে জল এলো।সে বললো,তোর মত কিপ্টে হওয়া ভালো রে।সব বন্ধু তার কাছে ক্ষমা চাইলো।আসলে না জেনে কাউকে নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। আমাদের একজনের জীবনে কি কষ্ট আছে অন্যজন তা জানিনা।তাইতো কবি বলেছেন,
নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস
ও পাড়েতে যতসুখ আমার বিশ্বাস।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত
    বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত গ-ক তে স্বাগতম । গল্পটি আর একটু বর্ণনা করে লিখলে আমার মনে হয় আর ভাল হত । দাঁড়ির ( । ) পর একটা space ছাড়লে পড়তে আরো ভাল লাগতো । ভোট দিলাম । অনেক শুভকামনা রইল ।
    প্রত্যুত্তর . ৭ নভেম্বর, ২০১৮
  • শামীম আহমেদ
    শামীম আহমেদ শুভ কামনা আর ভোট রইল।আসবেন আমার পাতায়,আমন্ত্রণ রইল।
    প্রত্যুত্তর . ১১ নভেম্বর, ২০১৮
  • Arshad Beeg
    Arshad Beeg ধন্যবাদ
    প্রত্যুত্তর . ১১ নভেম্বর, ২০১৮
  • আবীর রায়হান
    আবীর রায়হান গল্পের থিমটা খুব ভালো। গল্পটা যদি আরেকটু স্বাধীনভাবে ডালপালা ছড়িয়ে বড় হতো তাহলে কিন্তু বেশ হত। লেখার হাত ভাল। চালিয়ে যান। শুভকামনা রইলো।
    প্রত্যুত্তর . ১৩ নভেম্বর, ২০১৮
  • মুহাম্মাদ লুকমান রাকীব
    মুহাম্মাদ লুকমান রাকীব প্রিয় কবি/লেখক.
    অাপনাদের জন্য নতুন ওয়েব সাইট www.kobitagolpo.com
    তৈরি করা হয়েছে নতুন অাঙিকে।
    এখানে বর্তমান প্রতিযোগীতার জন্য নির্ধারিত “বাবা-মা” শিরোনামে লেখা জমা দেয়ার জন্য অামন্ত্রণ করা হচ্ছে। অাগ্রহীগণ ২৫ নভেম্বরের মধ্যে www.kobitagolpo.com এ লিখা জমা...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১৭ নভেম্বর, ২০১৮
  • নাজমুল হুসাইন
    নাজমুল হুসাইন গল্পের থিম ভালো লেগেছে,আমার পাতায় আসবেন।
    প্রত্যুত্তর . ১৮ নভেম্বর, ২০১৮

advertisement