খুব হাকডাক ওয়ালা হলেও কবিতাটিতে দেখা যায় লস্কর সাহেব একজন যথেষ্ট কৃপণ লোক। কোন একটা দোকানে তিনি কুড়ি টাকা ধার খায়। এরপর টাকা দেওয়ার ভয়ে দীর্ঘদিন ও দোকানমুখো হয়নি। একদিন ভুলক্রমে দোকানের ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় দোকানীর সামনে পরে গেলে ঐ কুড়ি টাকা তাঁর পকেট থেকে খসে যায়।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২২ জুন ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৃপণতা (নভেম্বর ২০১৮)

বাটে পরেছেন লস্কর সাহেব
কৃপণতা

সংখ্যা

মোট ভোট

সজল আহমেদ

comment ৭  favorite ০  import_contacts ৫৩
লস্কর সাহেব;ছাতি খানা বগলে জোড়া পায়ে হাটে
ভাবখানা এমন;পৃথিবীকে যেতে চান পাশ কাটিয়ে,
পকেটে পানের কৌটা ঘনঘন বার করে
পাতার বিড়ি ধরিয়ে জোড়েসোড়ে টান মারে।
চায়ের দোকানে গিয়ে ওমা সেকি কারবার
এক কাপ চা নিয়ে ফু মারে বারবার!
সব মিলিয়ে ২০ টাকা বিল করে,
নতুন পাঞ্জাবীর পকেটে বারে বারে হাত ভরে।
খাওয়া দাওয়া শেষে বলে ওহে দোকানি বৎস
পকেটে খুচরো নেই আছে বাপু কড়কড়া পাঁচশ।
কাল দিয়ে দেবো ক্ষণ টুকে রাখো না,
এই বলে গেলো চলে আর এলোনা।
একদিন দুই দিন সপ্তাহর পর মাস পেরিয়ে যায়,
কই গেলেন লস্কর সাহেব খুুঁজে কেহ নাহি পায়।
উধাও লস্কর সাহেব মেরে টাকা কুড়ি
দোকানি রেগেছে বেশ, পেলে ফাঁসিয়ে দেবে ভুঁড়ি।
একদিন ভোরবেলা পাওয়া গেলো তাঁকে
বগলে ছাতা নিয়ে মাথা উঁচিয়ে হাটে,
দোকানি বেচারা ছিলো এমনই সুযোগে
সুযোগে সৎ ব্যবহার;লস্কর পরিলেন বাটে।

বগল থেকে ছাতা খান মেরে হ্যাচকা টান
দোকানির সাফ কথা ;ছাতা নিতে হলে বাপু পুরানা পাওনা মিটান।
লস্কর ওঠেন খ্যাকিয়ে,কত টাকা পাও ব্যাটা ওহে কিপ্টে দোকানি?
সামান্য টাকার দায়ে হাতিয়েছ মোর দামী ছাতা খানি।
আজ্ঞে কুড়ি টাকা তাড়াতাড়ি দেন,
কুড়ি টাকা দিয়ে বাপু ছাতা নিয়ে যান;
লস্কর পকেটেতে হাত ঢুকিয়ে
কুড়ি টাকা বের করে দিলো দোকানির মুখে ছুড়ে।
যাবার সময় সিংহ গর্জন,ওহে ব্যাটা দোকানি,
হিম্মত থাকে যদি যাস ও পারায় তোকে দেখে নেবো আমি!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement