প্রচন্ড অবসাদ, নিরাশা আর যন্ত্রনার সময় অবচেতন মন একের পর এক ভয়ংকর অলীক কল্পনার জাল বুনে। ইতর শ্রেণীর প্রানিদের কল্পনাশক্তি (যদি থেকে থাকে), আমরা যাকে অনুমান বলি, অনেক প্রখর হয়ে থাকে। হতাশার সাগরে নিমজ্জমান আমি নিজেকে তেমনি নিম্ন শ্রেণীর প্রানি বলে ভাবতে থাকি। আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় তখন জাগতে থাকে। এই ইন্দ্রিয় আমাকে অলীক সাগরে ডোবাতে থাকে। আমি ডুবতে ডুবতে একসময় মৃত্যুরও উর্ধ্বে চলে যাই। এই চিন্তা শুধুমাত্র অলীক কোন জগতেই সম্ভব।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৭ মে ১৯৮৫
গল্প/কবিতা: ১০টি

সমন্বিত স্কোর

৫.২

বিচারক স্কোরঃ ৩.১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - অলিক (অক্টোবর ২০১৮)

ষষ্ঠ
অলিক

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৫.২

আহাদ আদনান

comment ১৪  favorite ০  import_contacts ৪১০
একবার খুব ইচ্ছে হয়েছিল, কিছুটা লাভা ছু্ঁয়ে দেখি,
শেষ রাত্রে হয়ত খানিক লাভাস্নান।
ষষ্ঠ আমাকে বলেছিল আস্ত এক আগ্নেয়গিরি ডাকছে আমায়।
আমাজনের খুব গহীন কোন ভাঁজে,
উলঙ্গ সূর্য কিংবা নগ্ন দোপেয়ে শ্বাপদ যেখানে
অশ্লীল পদরেখা যায়নি একে আজও,
কৃমির মত জীবনটা যদি লেপ্টে যেত কুমারী দোআশে।
ষষ্ঠ হেসেছিল, এক আমাজন জাগছে অচিরেই।
কৃষ্ণপক্ষের ঘোরে যখন আমি আকাশ আর জল
গুলিয়ে ফেলি ভুলভাল,
ষষ্ঠ বলে আমি নাকি কোনদিন নিজেই নদী হতে পারি।
একটা বিশাল অজগর আমার গলা জাপটে ধরে,
আর চুম্বনের মত চুষে নেয় ফুসফুসের শেষ অক্সিজেন অণু,
ষষ্ঠ কানে কানে বলে জোছনা নামের অজগরটার সাথেই
আমার যাবজ্জীবন অসহনীয় সহবাস।

আমাজনের জঙ্ঘা বেয়ে উদ্ভট নদী আজও ছুটে মরে,
সোনালি মৎস্য নয়, বরং লিকলিকে পরজীবি
প্রসব করে চলে তার ঘোলা ঘোলা জল।
সেই জলে মগ্ন উর্ধমুখে আমি হাতে বিষাক্ত করবীর বীজের অঙ্কুরোদগম হৃদয় হাতে
শামের মত শুক্লপক্ষে লাভাস্নান করি।

(শাম পয়গম্বর নূহের সন্তান, মহাপ্লাবনের সময় যে পাহাড়ে বসে মাছ ধরে সূর্যতাপে শুকিয়ে খেত)।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement