উক্ত কবিতায় একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রারম্ভে মুক্তিকামী জনতা ও হানাদার বাহিনীর মধ্যে প্রতিকী কথোপকথন এর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাকিস্তানি শোষকরা কখনো ভাবতেও পারেনি আমরা তাদের সাথে সম্মুখ সমরে যাওয়ার সাহস করব! তাই শুরুতে আমাদের সকল প্রতিবাদের জবাবে তারা তাচ্ছিল্যের হাসি হেসেছে; হেয়-প্রতিপন্য করেছে; ভীতি প্রদর্শন করে আমাদের দাবিয়ে রাখার চেস্টা করেছে।আমরা যুদ্ধ চাইনি, শান্তি চেয়েছি।কিন্তু শেষে উপায়ন্তর না দেখে বাংলার মুক্তিকামী জনগন স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যুদ্ধে নামে। বাংলার মানুষের এই অভূতপূর্ব সাহসীকতা দেখে হানাদার বাহিনী ভীত হয়ে পড়ে।তারা বুঝতে পারে তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে।অত:পর শুরু হয় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৪ এপ্রিল ১৯৯৩
গল্প/কবিতা: ৪টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৬৭

বিচারক স্কোরঃ ১.৭৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - স্বাধীনতা (মার্চ ২০১৯)

মুক্তির ফরমান
স্বাধীনতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৬৭

রণতূর্য ২

comment ২০  favorite ০  import_contacts ৩১৪
"রক্তচোষার দল
ভালোয় ভালোয়
বাংলা এবার
ছাড়বি কিনা বল!"

"কে হাকে?বাঙাল নাকি
রাস্তার ঐ কাঙাল নাকি,
এদেশকে ভাংবি তোরা?
কি করে পারিস দেখি!"

"ওরে ও পাক হানাদার
তাফালিং করিস বেকার,
যখন মোরা নামব পথে
পাবি না পথ পালাবার।"

"গায়ে নেই বস্ত্র তোদের
হাতে নেই অস্ত্র তোদের,
কি করে লড়বি তোরা?
পথে ঘাটে মারব তোদের।"

"শোন তবে নরপশুরা
খালি হাতে লড়ব মোরা,
প্রতিরোধ করব তোদের
গেলে যাক প্রান-ভোমরা।"

"বহাব রক্ত নদী
আরেক পা বাড়াস যদি,
থেমে যা ওখানটাতেই
ধরা খাবি শেষ অবধি।"

"আমরা মুক্তি সেনা
কিছুতেই ভয় করিনা,
দলে দলে শহীদ হয়ে
মেটাব দেশের দেনা।"

"এদেশে গড়ব ঘাটি
মানুষ নয় চাই যে মাটি,
গুনে ফেল শেষের শুরু
আসছে যমের লাঠি।"

"তবে হোক এবার লড়াই
ভেঙ্গে দেব সকল বড়াই,
চেয়ে দেখ কেমন করে
আকাশে পতাকা ওড়াই।"

"ওরা তো আসছে তেড়ে
জল-স্থল-আকাশ ফুড়ে
স্থান হবে এবার আমার
ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে।"

"জেগেছি কালো সে রাতে
ভেসে যাবি রক্ত-স্রোতে,
দেখা হবে আবার সেদিন
বিজয়ের রাঙা প্রভাতে"।।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • Ms Ahmad
    Ms Ahmad ভালো হয়েছে।
  • বাসু  দেব নাথ
    বাসু দেব নাথ খুবই সুন্দর লাগলো সাহিত্যিক সংগ্রামী ভাষা।
  • রণতূর্য ২
    রণতূর্য ২ আনেক ধন্যবাদ কবি বাসু দেবনাথ।শুভকামনা আপনার জন্য।
    প্রত্যুত্তর . ১০ মার্চ
  • কাজী জাহাঙ্গীর
    কাজী জাহাঙ্গীর স্বাধিনতার আকাঙ্খায় উদ্দীপ্ত চেতনার সেই ক্ষণটাকে বেশ ভালো ভাবেই তুলেছেন , অনেক শুভকামনা রইল। এগিয়ে যান দৃপ্ত পায়ে..
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী স্বাধীনতার অঙ্গীকার, খুব সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর। তবে কিছু লাইন যথোপযুক্ত নয়,যেমন- হাতে নেই অস্ত্র তোদের; হাতে অস্র না থাকলে তারা ৩০লক্ষ মানুষকে মারছে কিভাবে? জানি বলেবন- সবাইকে কি আর অস্র দিয়ে মারছে, যেভাবে মারুক না কেন, আংশিক ছাড়া তো বাকীসব অস্রের কবলে। এমন...  আরও দেখুন
    • রণতূর্য ২ ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য। আমি এখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তের চিত্রায়ন করার চেস্টা করেছি।যেখানে হানাদার বাহিনী আমাদের চোখ রাঙিয়ে দাবানোর চেস্টা করছে।যুদ্ধের পূর্বে আপামর জনসাধারনের কাছে অস্ত্র ছিল না।আমার ধারনা আপনি ব্যপারটি ধরতে পারেননি।এখানে কথোপকথন দেওয়া হয়েছে এবং "হাতে নেই অস্ত্র তোদের" এই কথাটি পাক সেনাদের যারা আমাদের মুক্তিকামী জনতাকে ভয় দেখাচ্ছে যেন তারা যুদ্ধে অগ্রসর না হয়।
      প্রত্যুত্তর . ১২ মার্চ
    • রণতূর্য ২ কবিতাটি সংলাপ মূলক এবং উক্ত চরনটি পাক হানাদারদের করা।তাদের দৃষ্টিতে বাংলার অস্ত্রহীন মানুষ যদি যুদ্ধে নামে তবে পথে ঘাটে মারা পড়বে।এটাই বোঝাতে চেয়েছি।
      প্রত্যুত্তর . ১২ মার্চ
  • শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান
  • আবিদ হাসান
    আবিদ হাসান "ওরা তো আসছে তেড়ে
    জল-স্থল-আকাশ ফুড়ে
    স্থান হবে এবার আমার
    ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে।" পাকিস্তানী বাহিনীর করুন দশা চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন এই লাইন দিয়ে।আপনার কবিতাটি ভালো লাগল।যদিও দুবার পড়ে বুঝতে হয়েছে।
    • রণতূর্য ২ ধন্যবাদ আবিদ হাসান আপনাকে ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য।আমার কবিতাটি সংলাপমূলক।আপনাদের ভালো লাগাই আমার অনুপ্রেরনা।
  • জামাল উদ্দিন আহমদ
    জামাল উদ্দিন আহমদ অনেক সুন্দর কবিতা। শুভ কামনা, ভাই।
  • নুরুন নাহার  লিলিয়ান
    নুরুন নাহার লিলিয়ান ভাল লেগেছে । ভোট দিলাম । শুভ কামনা ।
  • মোঃ মোখলেছুর  রহমান
    মোঃ মোখলেছুর রহমান সাবলিল বুনন কবি।

advertisement