এ কবিতায় মায়ের তাৎপর্য ও মহিমা তুলে ধরা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ মে ২০১৯
গল্প/কবিতা: ১২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - মা (মে ২০১৯)

মা
মা

সংখ্যা

নুহিয়াত আরেফিন

comment ৩  favorite ০  import_contacts ৫২
দিনের পুরোটা পথ পশ্চিমে বাঁক ঘুরে
মিশে যাচ্ছে রাতের গলিতে।
পর্বতের ছায়াও এমনকি মৃতপ্রায়।
গোধূলি ও সন্ধ্যার গিলাফে রচিত
দু'রঙের সামান্য ব্যবধান।

একটা পরবাস্তবিক জলোচ্ছ্বাসে ফুলে ওঠে
আমার খুলি, লোমকূপ, কংকাল।
স্বপ্নের ডিঙিতে ভাসতে ভাসতে হাজির হয়
রক্ত-মাংস ও আত্মার কাঠামোহীন
বারবারার মৃত্যুশয্যা।
তার গায়ে তখন তুষারের ফ্যাকাশে কম্বল
অন্ধকারে ডুবন্ত নক্ষত্রের মতো
চোখে মৃত্যুর ইতস্তত ছায়া।
পাশে তার নাবালক ম্যাক্সিম-
মাতামহের অনাগত অত্যাচারের শঙ্কায় ত্রস্ত।

আর আজ; এই অপ্রেমের সারশূন্য জগতে
যখন সন্তান হত্যার শিল্পে আকৃষ্ট
পৃথিবীর সমস্ত ভাস্কর
তখনও উদ্ভাসিত বজ্রের মতো
জিহ্বার সুদৃঢ় উচ্চারণে
মা আমাদের ঢেকে দেন আলোর প্রশস্ত বর্মে।

শুনেছি, নগরীর চতুর্দিকে যখন শুধু ক্ষুধা আর ক্ষুধা
তখন ভোঁদড়েরা মাতৃ-মাংসে বাঁচে আশৈশব।
তাহলে ভাবো একবার, একাত্তরের সেই স্নেহময়ী জননীর কথা
যে নিজের সন্তান ভেবে
বিছানার বালিশ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিল
শত্রুহীন নির্বাক জঙ্গলে।
এখন বাতাসে আবার রটে গি্যেছে রক্তের গন্ধ
মানুষের ঘ্রাণ শুঁকে বাড়ি বাড়ি ইবলিশ দেয় হানা।
আর বুটের আঘাতে থেঁতলে ফেলে
নবজাতকের মগজ।
আদিগন্ত কুয়াশার কুন্ডলী পাকানো এই মৃত্যুর উৎসব রুখতে
রোহিঙ্গা জননীর বাহু আর কতটুকুই বা বিস্তৃত?

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement