এ কবিতায় দেখানো হয়েছে যে, ইয়েমেনের নাগরিকরা সৈনিক দেখলেই মৃত্যুর আতঙ্কে ভোগে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ মে ২০১৮
গল্প/কবিতা: ৭টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভয় (ডিসেম্বর ২০১৮)

ইয়েমেন
ভয়

সংখ্যা

নুহিয়াত আরেফিন

comment ২  favorite ০  import_contacts ২৬
বাড়ির পাশে সার সার ট্যাঙ্ক রাখা কেন?
পাহাড়, টিলা বেয়ে নেমে আসছে অস্ত্রধারী
ওরা কারা ? সৌদ সৈনিক ?
ওরা কি জানেনা, এমন আগ্রাসী দুর্ভিক্ষে
ভাই ভাইকে খায়, তরুণ বৃদ্ধকে?
ওরা কি জানেনা, এখানে সমুদ্রের মোহনায়
লাল পানিতে মাছকে ভাসতে দেখা যায়?
ওরা কি জানেনা, এখানে প্রচন্ড ক্ষুধা ও তৃষ্ঞায়
প্রত্যেকের পাকস্থলী একটি জ্বলন্ত উনুনে পরিণত হয়েছে?
ওরা কি জানেনা, এখানকার বৃদ্ধারা
ওদের দিবারাত্রি অভিশাপ দেয়?
তাহলে ওরা এখানে কেন এসেছে?
বিষণ্ন সুরে, ছেড়া সেতার আর বেহালাতে, ধুলো পড়া হারমোনিয়ামে
মৃত্যুর সংগীত বাজাতে?

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • আবু আরিছ
    আবু আরিছ ভাই ভাইকে খায়, তরুন বৃদ্ধকে.. এই কথাগুলি আসলে আবেগকে উতলে দেওয়ার জন্য লিখেছেন, বেমানান বাক্যগুলি না লিখলেও পারতেন...
    প্রত্যুত্তর . ৩ ডিসেম্বর
  • নুহিয়াত  আরেফিন
    নুহিয়াত আরেফিন নিজের পক্ষে দুটো যুক্তি দাঁড় করাচ্ছিঃ ১) আবেগকে যদি জাগিয়ে না তোলা যায়, তবে তা কিসের কবিতা? বিবেককে নাড়িয়ে দেয়া কবির বিরাট সাফল্য। ২) মনোবিজ্ঞানী জেমস হাউলারের মতে, মানুষকে প্রচন্ড মানসিক চাপের মুখোমুখি করা হলে crystal door খুলে যায় এবং মানুষ পরবাস্তব জগত...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৬ ডিসেম্বর

advertisement