লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ মে ২০১৮
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftশহীদ দিবস (মার্চ ২০১৮)

বিপ্লবী একুশ
শহীদ দিবস

সংখ্যা

নুহিয়াত আরেফিন

comment ১  favorite ১  import_contacts ৬৮
সূর্যের উদয়ে এই বাংলায় জ্বলে বাঙালির অগ্নিদৃষ্টি।
হৃদ ভীরু নয়, প্রাণমাঝে টান বাঁচানোর এই কৃষ্টি।
১৪৪ ধারার উদয় মানেনি'কো তারা বাঙালি।
মহাপ্রাচীরের প্রতিরোধ গড়ে তারা শোষকের রক্তচক্ষু করেছিল ফালি ফালি।
নবীন বসন্ত আর ফাল্গুনী ফুল তাদের জোগায় শক্তি বারংবার।
শান্তির নিঃশ্বাস দিয়ে শীতল তরুচ্ছায়ায় বিদায় জানায় সমাপ্তিবার।
রাইফেল সাথে বাহুবন্ধন শক্ত করেছে পাশবিক সেনা।
বইয়েছে তারা রক্তগঙ্গা ; শোষকের অতি চেনা।
নির্ভীক ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সঁপেছিল নিজ প্রাণ।
বাংলার প্রাণে সেই রক্ত লেগে আছে আজ হয়ে অম্লান।
রফিকের খুলি উড়ে গিয়েছিল; ধ্বসে পড়েছিল রাস্তায়।
বুক থেকে তার লাল রক্তের ছেটা রণ্জ্ঞিত করে কৃষ্ঞচূড়ায়।
রক্তের রং মেখে নিয়েছিল পিচ ঢালা কালো পথ।
চার কোটি জনতার তুফানেতে ভেসে সরকার ছিল শ্লথ।
লাঠি, অসি ছাড়া বিপ্লবী বাংলা কাঁপিয়েছিল প্রতি ময়দান।
বাহুর প্ল্যাকার্ড বাংলা স্লোগানে খোঁজে মুক্তির সন্ধান।
সারা বাংলায় মেঘনাদ হয়, অগ্নিবৃষ্টি ঝড়ে।
রক্তচক্ষু শোষকের গদি কেঁপে কেঁপে ওঠে নড়ে।
বিসুভিয়াসের গর্ভ কাঁপানো ভূমির কাঁপন জাগরী পুনর্বার।
হৃদয়ের অবগুণ্ঠিত ক্ষোভ খুলে দেয় ত্রাসের পতন দুয়ার।
জেনো, বাঙালি কাঁপেনি কাপুরুষ বেশে করতে রক্তদান।
করেছিল তারা তূর্যের নাদ, হৃদয়েতে দিয়ে নির্ভীকতার শান।
একুশে হয়েছে রক্তিম এই বাংলার বর্ণমালা।
বিপ্লবে কেঁপে, তুফানেতে ভেসে একুশ খুলেছে আমার কণ্ঠের তালা।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement