লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৪ মে ১৯৯৬
গল্প/কবিতা: ৪টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - রমণী (ফেব্রুয়ারী ২০১৮)

রাজো রমণী
রমণী

সংখ্যা

মোট ভোট

Radhashyam Jana

comment ৩  favorite ০  import_contacts ১১৯
'সংসার সুখী হয় রমণীর গুনে' বাক্যটা যেন কোথাও নির্ভুল নয়।তাঁরই একটি চিত্র ধরা পড়ল রাজোর ঘরে।রাজো একটি প্রায় ৩০ বছরের রমণী।স্বামী অকর্মণ্য দ্বিতীয় বিয়ে করে।রাজো হল প্রথম স্ত্রী।স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কখনই পটে না।সবসময় ঝগড়া লাগতো ঘরে।হঠাৎ স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে ফেলে।এখন রাজোর ঘরে স্বামী থাকে না,স্বামী থাকে দ্বিতীয় বিয়ে করা রমণীর ঘরে।এখন রাজো রমণী একা!একটি ছেলে আছে খুব ছোট।স্বামী এখন তাঁকে দুচোখে সৌহ্য করতে পারে না।পয়সা কড়িও দেয় না আর দেখাশোনাও করে না।তাঁর স্বামী এতই অকর্মণ্য ছিল যে স্বামী দেবেশ-এর নাম না চিনে রাজোর নাম বেশি লোকে চিনতো।হয়তো তাঁর স্বামীকে ধরে বেঁধে বিয়ে দিয়েছিল!
রাজো রমণী খুব নিরহ প্রকৃতির,কিন্তু একটু তোতলা কথা বলে।রাজোর স্বপ্ন ছেলে আমার বড় হবে।দুটো খাওয়াবে পরাবে।তাই সে রোজ আনাজপাতি আর দুধ তুলে বাজারে যায় বিক্রি করতে।আর কি বা করবে সে রমণী?দুটো পেট চালাবে কি করে?স্বামী যে অকর্মণ্য বিয়ে করে অন্যের ঘরে।যৌবনে পেলনা রাজো স্বামীর ভালোবাসা!এখন তাঁর বয়স প্রায় ৫৫!রোজ যায় বাজারে আনাজসবজ্বী আর দুধ তুলে বিক্রি করতে।ছেলেও বড় হয়েছে বেশ।রোজ সাইকেলে টিউশন স্কুল যাতাযাত করে।আর এ বেচারী রোজ সকালে আনাজ আর দুধ তুলবে দিয়ে একটা ভাঙা সাইকেলে প্রতিদিন বাজারে দিকে রওনা দিত আর কি!বাজার থেকে ফিরতো যখন বিকাল গড়িয়ে আসতো।সেই বিকালেই বাড়িতে এসে প্রতিদিন রান্না করতো;আর ছেলের খাবার জোগাড় করতো।কখনও ছেলে বাড়িতে আসতো যখন মা নেই তাই খেলতে বেরিয়ে যেত।ছেলে দেবু সেও তোতলা কথা বলতো কিন্তু পরিষ্কার।একদিন তাঁর ঘরে সত্যিই সুখ ফিরে এল।রাজো রমণী সবজ্বী আর দুধ ব্যবসা করে অনেক টাকার ব্যাঙ্ক ব্যলান্স করেছে এখন।সেই স্বামীও একদিন ফিরে এল তাঁর ঘরে।কারণ দ্বিতীয় বিয়ে যে করেছিল দেবেশ তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী প্রমিলা!এখন রাজোর কাছে দেবেশ থাকে এবং কাজকর্মও করে।এখন রোজ সকালে স্বামী স্ত্রী দুজনে বেরিয়ে পড়ে বাজারের দিকে।ছেলে বড় হয়ে গেছে চাকরী পাওয়ার সম্ভবনা!

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement