বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৪
গল্প/কবিতা: ২টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

গল্প - স্বপ্ন (জানুয়ারী ২০১৮)

মোট ভোট লাল বেনারসি

সানজিদা বারী
comment ২  favorite ০  import_contacts ২৫৩
মানুষ কেন সিগারেটের প্যাকেটের মতো হয় না? সিগারেটের প্যাকেটের মতো মানুষের দেহে লেখা থাকা উচিত আমাকে গ্রহন করা মানে মৃত্যুকে ধীরে ধীরে গ্রহন করা অথবা আমাকে অতিরিক্ত ভালোবাসা তোমার জন্য ক্ষতিকর যেমন করে অতিরিক্ত ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর!

এই ক্ষতিকর ভালোবাসা নামক রোগটাতে স্বপ্না বারবার আক্রান্ত হয়। প্রতিবার যখন নতুন একটা পুরুষ স্বপ্নার ঘরে প্রবেশ করে স্বপ্না তখন সেই পুরুষ মানুষকে ভালোবেসে ফেলে। সে ভাবে আগের পুরুষ মানুষটা তাকে যে রকম ফেলে চলে গেছে আর ফিরে দেখে নাই এবারের পুরুষ মানুষটা হয়তো আগের জনের মতো হবে না। এবারের জন হয়তো একটু আদর সোহাগ করবে, তাকে লাল বেনারসির জরি ফিতাওয়ালা শাড়ি কিনে দিবে! আরো হরেক রকম স্বপ্ন প্রতি বার স্বপ্না দেখে আর প্রতি বার স্বপ্না ভুল প্রমানিত হয় যে যায় সে তো আর ফিরে আসে না!

প্রতিবার প্রতারিত হবার পর স্বপ্না ভাবে সে এই কাজ আর করবে না ছেড়ে দিবে। কিন্তু আর সবার মতো স্বপ্না ভুলে যায় জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে কাজটা তুমি করতে চাও তা ঠিকমতো করা অথবা সেই কাজটা থেকে দূরে সরে আসা! স্বপ্না তাই প্রতিনিয়ত দোলাচলে ভুগে। স্বপ্না ভেবে মরে দেহ বেঁচার এই কাজটা সে ঠিক মতো করবে নাকি তা থেকে দূরে সরে আসবে। তাদের সর্দারনী তাকে বলেছে “কাস্টমার হলো স্বামীর মতো তাদেরকে স্বামীর মতো আদর সোহাগ করবা”! স্বপ্না তো তাই করে তবে তারা কেন চলে যায় তবে তারা কেন আর ফিরে আসে না!
আরে দূর,তারা কেন ফিরে আসে না তার উত্তর তো স্বপ্না জানে ।

যার নাম স্বপ্না যার দেখা মিলে রাতে যার দেহ তিন গাঁয়ের পুরুশ মানুষ খুবলে খায় তার কাছে কেন পুরাতন পুরুষ মানুষগুলো আবার ফিরে আসবে। খাঁচাভেঙে পাখি চলে গেলে সে কি আর ফেরত আসে!

এতো কিছুর পরেও স্বপ্না স্বপ্ন দেখে প্রতিবার যখন কোন নতুন পুরুষ তার ঘরে ঢুকে তার প্রতিবার মনে হয় এই মানুষটা বোধহয় তার জন্য লাল বেনারসি নিয়ে এসেছে! এই মানুষটাকে নিয়ে লাল বেনারসি পরে সে তার উজানতলীর গাঁয়ে চলে যাবে অথবা মানুষটার গাঁয়ে চলে যাবে! মানুষটার কোন গ্রাম না থাক যদি মানুষটা দুবাই নিয়ে যেতে চায় তাও যাবে। বিদেশ মানে সে চিনে শুধু দুবাইকে! দুবাই ছাড়া আর কোন বিদেশ আছে নাকি স্বপ্না জানে না! তার কাছে এক হলো দেশ আর বাকি বেবাকটা হলো বিদেশ! দুবাইয়ের কথাও সে জানতো না। একবার এক কুত্তার বাচ্চা তাকে বলেছিল ............. পরে তাকে দুবাই নিয়ে যাবে। হারামজাদা দুবাইয়ের কথা বলে তার পাওনা পয়সা দেয় নাই। পরানের বান্ধবের কাছ থেকে তো আর পয়সা নেওয়া যায় না তাই সে পয়সা দাবি করে নাই। আগে জানলে ঝাড়ু পেটা করে হারামজাদাকে স্বপ্না ঘর থেকে বের করতো!

স্বপ্নার কিন্তু বিয়েও হয়েছিল দুবার! তার প্রতি বিয়ের আগে তার মনে হয় এবার তার বাজান তাকে যার সাথে বিয়ে দিচ্ছে সে তার মনের মানুষ হবে, যার সাথে তার বিয়ে হচ্ছে সে তাকে আদর সোহাগ করবে! অথচ মনের মানুষগুলো দুঃখ যন্ত্রনা বেশি দেয়, কষ্ট দেয়! মনের মানুষ দুঃ দিয়ে হয় যন্ত্রনা স্বপ্নার মনের মানুষরা তা বুঝে না। এরকম দুঃখের সময়ে স্বপ্নার তার মা’র কথা মহে হয়। তার মা কিছু হলেই বলতো সব আল্লার ইচ্ছা গো মা, খোদার ইশারা ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। তার মা খানকি মাগী আশেপাশে থাকলে জিজ্ঞেস করা যেত তাকে যে প্রতি রাতে এই ভরা যৌবনের দেহটা হাট বাজারে কামলা গুলোর কাছে বেঁচতে হয় এটাও কি খোদার ইচ্ছা! খোদার ইশারাতেই সে কি এই বেশ্যা পাড়াতে পরে আছে! চাইলেও স্বপ্না তার মাকে এখন আর জিজ্ঞেস করতে পারবে না কারন তার মাকেও তার নরপিশাচ বাপটা বেঁচে দিলো। তার মা অনেক কেঁদেছিল যাইতে চায় নাই কিন্তু তার বাপের কাছে এক বোতল মদের থেকে যে তার মা বড়ই কম দামি! এক বোতল মদের বিনিময়ে তোকে সহজেই বেঁচা যায়।

স্বপ্নার মা তাকে বলেছিলো মানুষ তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, পরিবর্তন করতে পারে কিন্তু কপালের লিখন পারে না! কপালের লিখন না যায় খন্ডন। ভাগ্য মানে এখনও সুযোগ আছে। ভাগ্য একটা গাড়ির মতো ডানে বামে ঘুরে সঠিক পথে আইতে পারে। কিন্তু কপালের লিখন সহজে ফিরান যায় না! ভাগ্য নির্ধারিত না কিন্তু অদৃষ্ট নির্ধারিত! তাই অদৃষ্ট পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই! তাই স্বপ্নার জীবনে এই দেহ বেঁচাই হলো তার নিয়তি! তাকে তার দেহ বেঁচে যেতে হবে কারন এটা তার নিয়তির লিখন! নিয়তির লিখনের হয় নাকো মরন!

স্বপ্না মাঝে মাঝে ভাবে ভেবে মরে তার এতো বড় একটা জীবনে এমন কোন দিন আছে যেদিন সে মুখের মুখ দেখেছে, এমন একটা দিন যেদিন সে কিছু করেনি শুধু সারাদিন হেসেছে! এমন একটা দিন যেদিন তার মন বিষাদে ক্লান্ত হয়নি। নাহ, এমন কোন দিন নেই এরকম একটা দিন আসলে কখনোই আসেনা স্বপ্নাদের জীবনে! একটা সুখের স্বপ্নের দিন স্বপ্নাদের কাছে স্বপ্নের চেয়ে বেশি কিছু যার দেখা স্বপ্নারা কখনও পায় না!

স্বপ্নার জীবনেও কিন্তু ছিল একজন যাকে স্বপ্না জান প্রান দিয়ে ভালোবাসতো। রহিমকে ভালোবাসতো সে। যদিও মানুষটার দেহ থেকে বাসি পান্তা ভাতের মতো গন্ধ আসতো, ভুক ভুক করে মানুষটা সিগারেট ফুকতো। দিন রাত স্বপ্নাকে মারতো তারপরেও রহিমকে সে ভালোবাসতো! তার রঙয়ের মানুষ আছিলো রহিম। যার সাথে স্বপ্না পরানের কথা বলার চেষ্টা করতো যদিও মানুষটা কিছুই বুঝতো না! সেই রহিমও তার কপালে নাই! সেই করে কোন এক রবিবার রহিম তাকে কোন এক ছেমড়ির জন্য ছেড়ে চলে গেছে!

রহিমকে স্বপ্না সব বলে রেখেছিলো তবু সে তাকে রেখে অন্য ছেমড়ির কাছে চইলা গেলো!

স্বপ্না বলেছিল তুমি কি আমারে ভালোবাসতে পারবা এটা জানার পরে তোমার আগেও কেউ এই দেহে হাত রেখেছিল আর তোমার আগে কেউ এই মুখে চুমু খাইছিলো? স্বপ্না বলেছিলো রহিমকে স্বপ্নার ভালোবাসা মানে নিভন্ত সিগারেট হাতে নিয়ে বসে থাকা, যার সব নিভে গেছে শুধু ক্ষনে ক্ষনে ধমকা দিয়ে কিছুক্ষন পর পর শুধু ধোয়া উঠছে!

রহিমের সাথে তার দিনগুলো অনেক ভালো কেটেছিল। রহিম তাকে মাঝে মাঝে সোহাগও করতো। যেমন একবার তাকে একটা নাকছাবি কিনে দিয়েছিলো। সুন্দর একটা নাকছাবি। নাকছাবিটি দেখে সে খুশিতে অনেক কেঁদেছিল! রহিম আরেকবার তাকে হলে নিয়ে গেছিলো ছবি দেখতে তারা ছবি দেখছিলো কি যেন ছবির নাম মনে পড়ছে আচ্ছা, হাজার বছর ধরে। ছবির একটা গান শুনে সে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। কি যেন গানটা আছিলো! গানটার কলি এরকম ছিল আশা ছিল মনে মনে, ঘর বাঁধবো তোমার সনে। তোমায় নিয়া ঘর বাঁধবো গহীন বালুর চরে গো, গহীন বালুর চরে! হ আজ স্বপ্না বলবে তার স্বপ্ন আছিলো রহিমকে নিয়ে ঘর বাধার গহীন বালুর চরেই ঘর বাধতো কারন এখানে তাকে কেউ ঘর বাধতে দিতো না।

স্বপ্নার মাঝে মাঝে এই কাজ ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করে। ইচ্ছা করে নতুন করে জীবন শুরু করতে। পরক্ষনে মন থেকে ভাবনাটা উড়িয়ে দেয়। বেশ্যাগিরি করা ছাড়া আর কোন কাম তো সে জানে না? দেহ বেচাঁ ছাড়া আর কোন কাজ তো সে পারেও না। এই কাম ছাড়লে তো তার ভিক্ষা করতে হবে কিন্তু সে তো ভিক্ষা করতে পারবে না। কারণ তার মা ছোটবেলায় তারে শিখাইয়াছে কখনও কোন কিছু ভিক্ষা চাবি না, যা দরকার তা দখল করে নিবি, খুঁজে নিবি আর যদি তাতেও না হয় তাহলে পাবার আশা ছেড়ে দিবি কিন্তু কখনও ভিক্ষা করবি না আর ভালোবাসা তো আরো আগে ভিক্ষা চাবি না, মনে রাখবি ভালোবাসা কখনও ভিক্ষা চাইয়া পাওয়া যায় না। তাই তো রহিম যখন চলে গেলো স্বপ্না তাকে পিছন থেকে ডাকে নি!

কেউ কখনও জিজ্ঞেস করেনি স্বপ্নার কোন স্বপ্ন আছে নাকি? তার মতো মাইয়া মানুষের স্বপ্ন থাকতে হয় না সে জানে! তয় সব জেনেও সে স্বপ্ন দেখে। তার স্বপ্ন আছে বিয়ে করার, ঘর সংসার পাতার, বাচ্চা কাচ্চা হবে ঘর ভর্তি! তার বিয়েতে তার বাপ তাকে তুলে দিবা তার নয়া স্বামীর হাতে! চারিদিকে থাকবে চান্নি পসর রাইতের আলো! চান্নি পসর রাইতে সে বলবে সে কারে বাসে ভালো!

একটা সময় স্বপ্নার ধারনা ছিল তাকে সবাই ভালোবাসে! সবাই তাকে আদর সোহাগ করে। কিন্তু এখন তার মনে হয় আসলে কেউ তাকে ভালোবাসে না, সময়ের সাথে সাথে স্বপ্নার বিশ্বাস আরো দৃঢ় হচ্ছে সে আসলে কোথাও নেই, নেই কারো হৃদয়ে, নেই কারো অন্তরে, সে আসলে কোথাও বাস করে না, স্বপ্না আসলে কোথাও নেই! স্বপ্না আসলে কোথাও নেই আর কেউ স্বপ্নাকে চায় না, স্বপ্না নিজেও কাউকে চায় না! স্বপ্না জানে সে এরকম কেউ না যার জন্য কেউ অন্তরে ভালোবাসা জমা করে রেখেছে। স্বপ্না জানে সে এরকম কেউ না যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায়! সে এরকম কেউ না যাকে রাত তিনটায় বউ বলে ডাকা যায়! স্বপ্না এমন কেউ নয় যাকে কেউ ভালোবাসার জন্য খুঁজে। সে বেশ্যা হয়েছে কারন বেশ্যা হওয়ার জন্যই সে জন্ম নিয়েছে! পুরুষ মানুষ গুলো খালি অন্য কাউকে খুঁজে! আর যখন খুঁজতে গিয়ে কাউকে না পায় তখন তার কাছে আসে!

স্বপ্নারা কারো গন্তব্য নয়, তারা শুধু মাত্র যাত্রী ছাউনী দীর্ঘ যাত্রা পথে কিছুক্ষনের প্রশান্তির জন্য এখানে কোন পথিক হয়তোবা থামে! স্বপ্নারা আসলে শুধু কিছুক্ষনের জন্য তারা আসলে একটা পেইন কিলার! যাকে শুধু ব্যথা প্রশমনের জন্য দরকার হয়। শুধু কিছুক্ষনের জন্য তার দরকার হয়। কারন স্বপ্না সে নয় যাকে ভালোবাসা যায় অথবা এমন নয় স্বপ্না কাউকে ভালোবাসে! স্বপ্না শুধু একটা সুযোগ মাত্র যাকে চাইলেই নেওয়া যায় অথবা ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায়!

আচ্ছা স্বপ্নার সমগ্র জীবনে স্বপ্নের স্থান কোথায়?

স্বপ্নার জীবনটাকে কি আমরা নোংরা বলবো? তা না বলে আমরা বলতে পারি একটা লাল বেনারসির জন্য একটি জীবন অপেক্ষা করছে। স্বপ্নার মতো মেয়েরা সারা জীবন একটা লাল বেনারসির জন্য অপেক্ষা করে কাটিয়ে দেয়। স্বপ্নারা সারা জীবন খালি স্টেশনে বসে থাকে ট্রেনে উঠবে বলে। অথচ তারা জানেই না তারা যে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছে তা কখনো আসবে না। আহারে, মানবজনম জীবনের বেশীর ভাগ সময় সে অপেক্ষা করেই কাটিয়ে দেয় ভুল মানুষের জন্য আর ভুল ঠিকানাকে আপন করে পাবার জন্য। স্বপ্নাদের অথবা আমাদের কিংবা সবার দিন শেষে একটা মানুষ প্রয়োজন হয় যখন পৃথিবী অনেক কঠিন মনে হয় দৌড়ে যেন করো কাছে আশ্রয় নেওয়া যায় তার জন্য একটা মানুষ প্রয়োজন হয়। দিন শেষে সবার একটা পৃহ প্রয়োজন হয় যেন যখন সে ক্লান্ত তখন কিছুক্ষনের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার জন্য যেখানে বসা যায়।

স্বপ্নারা জানে না কিভাবে ভালোবাসতে হয়, কিভাবে প্রিয় মানুষকে কাছে ডাকতে হয়। অতীতে একজন আরেক জনকে কিভাবে ভালোবেসেছে স্বপ্নারা জানে না। কারন জানার জন্য তো ভালোবাসা পেতে হয় সে ভালোবাসা স্বপ্নাদের দেখার কখনও সুযোগ হয়ে উঠে না। ভালোবাসা হয়তো স্বপ্নাদের রক্তে মিশে আছে তাই স্বপ্নারা কিভাবে ভালোবাসতে হয় না জেনেই সবাইকে ভালোবেসে ফেলে! ভালোবাসবার আর স্বপ্না দেখার ক্ষমতা নিয়েই তারা জন্মায়! তাই তারা এতো সহজে ভালোবেসে ফেলে এতো সহজে আবার তাদের লাল বেনারসির স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া
    মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া গত পর্বে লিখেছিলেন প্রশ্ন হবে নাকি উত্তর। এর উত্তর জানা ছিল না। এবারের লেখাটিও বেশ হয়েছে। তবে আপনার লেখায় ক্লান্ত শব্দটি ঘুরে ফিরে আসে... আশা করি লিখতে লিখতে ক্লান্ত হবেন না। নুতন বছরে লিখবেন অবিরাম। আমার গল্পের পাতায় আমন্ত্রণ।
    প্রত্যুত্তর . ১ জানুয়ারী, ২০১৮
  •  মাইনুল ইসলাম  আলিফ
    মাইনুল ইসলাম আলিফ গল্প ভাল লেগেছে গল্প ।শুভ কামনা পছন্দ আর ভোট রইল।আমার কবিতায় আমন্ত্রণ জানিয়ে গেলাম।ভাল থাকুন।
    প্রত্যুত্তর . ১৪ জানুয়ারী