ভয় বহুবিধ। ভয়ের উৎসও তাই। পার্থিব অপার্থিব ভীতির মধ্যেই মানবকুলের বসবাস। আবার এই বসতিও চিরন্তন নয়। শাশ্বত সত্য এই, সৃষ্টির বিলয় অনিবার্য – বহুমাত্রায়, বহুকাল ধরে। শাস্ত্রীয় বর্ণনায় রয়েছে অলৌকিক ও অচিন্ত্য ঘটনার বিবরণ যা কালের বাঁকে বাঁকে তার উপস্থিতির যথাযথ স্বাক্ষর রেখে যাবে। সার্বিক বিবেচনায় ভয় মানুষের জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। কবিতায় সেইসব অনাগত ভীতিকর সময়ের রূপকল্প আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ২৯টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৫৫

বিচারক স্কোরঃ ২.১৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৪ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভয় (ডিসেম্বর ২০১৮)

বিকিরিত আঁধার
ভয়

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৫৫

জামাল উদ্দিন আহমদ

comment ১২  favorite ০  import_contacts ১৯৯
হাতদিয়ে টেরপাই ঘাড়ে, যদি পাই, এবং পাইও কদাপি
ঘোলা চোখ – ফোলা আঙুর, একচোখা দাজ্জাল
টেরপাই ঝুপ-কোপতরঙ্গ তির্যক
গোল মেলে ঘোরবেঘোর নিকাশ
বেসামাল কবল,চারপাশে চক্র বায়ু
বেদখল হয়ে যাই, হয়ে চলি,অনস্তিত্বের বেপথু শুন্যতায়।

চেতনার অসীমতায় বসতি গাড়ে মরুময় কায়া –
হাবিয়ার হল্কায় কাঁপে ঝাক্কুমের সারি - আকণ্ঠ কন্টক
টেরপাই মস্তিস্কের টগবগ – অন্তঃস্থ দাহ্য প্রপাত
আমাকে দখল করে দাজ্জালের কুহক – অগ্নি আর জল।

ক্রমশ তোষিত হই বিভ্রমের প্রহসন পীঠে, আঁধারের গায়ে ফেলে ছায়া
উচ্ছাস প্রকট হয় জল আর ধূলার
ঘিরে থাকে প্রপঞ্চের বিচ্ছুরিত ঝালর
অগ্নি আশ্রয় চায় বায়ুর ডানায়
ঈশান হামলে পড়ে নৈঋতের কোলে
স্থবির দৃষ্টিরা খিদামেস্কের দিকে, জীসাসনা মলেন বুঝি ওই।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement