কর্মব্যস্ততা
অল্পএকটু মৌনতা
দিনশেষে যখন আঁধার নামে
কর্মঘন্টার ঘড়িটা যখন থামে
খুজে পাই শুধু নিঃসঙ্গতা।
হাজারো লোকের মাঝে
ভীড় ঠেলে এগিয়ে যাওয়া,
একই পথধরে একই সীমানায়
জীবনের উৎসবে নিয়মের গান গাওয়া
প্রতিটি অচেনা মুখ
মনে করিয়ে দেয়
আমি একা, আমার নিঃসঙ্গতা ।
রাত জেগে থাকি অসীম শূন্যতায়
জীবনের স্বপ্ন চুরি সব অপুর্নতায়
হাজারো নিঃশব্দ কান্না
বুকে জমে জমে পাহাড়
কবে ঝরনা ঝড়িয়ে
সব হয়ে যাবে একাকার
নোনা জলে ভেসে খঁুজে নেব আমার নিঃসঙ্গতা।
নিয়তির খেলাঘরে একাকী যে খেলা
প্রতিদ্বন্দ্বী না থেকেও বারবার হেরে যাওয়া
অদৃশ্য বেড়ি পায়ে জড়িয়ে
গন্ডির বাহিরে নির্বাক দৃষ্টিতে চাওয়া।
জীবন নামের কারাগারে অদৃষ্টের অত্যাচারে
ভাবনার শেষ সীমায় দীর্ঘ শাসের প্রনয়ে
এঁকে হিজিবিজি কতশত ছবি কল্পনার বালুচরে
আবারো এগিয়ে চলা একাকীত্বের তরী বেয়ে।
রাতের আধার এসে, হঠাৎ একরাশ দীর্ঘ শাসের প্রলয়ে
মনে করিয়ে দেয় আমার নিঃসঙ্গতা।।।।।।