বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৮ নভেম্বর ২০১৮
গল্প/কবিতা: ২টি

keyboard_arrow_leftকবিতা - ঐশ্বরিক (মার্চ ২০১৭)

স্বীকারোক্তি
ঐশ্বরিক

সংখ্যা

নিশ্চুপ রুদ্র

comment ৬  favorite ০  import_contacts ২১৫
আমার ছোট্ট একটা রাজ্য ছিল।
দিগন্ত তার আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিল,
ঘাসফড়িংয়ের স্বপ্নমাখা সবুজ কোনো স্নেহে।
পুবে একটা পদ্মপুকুর, গল্প লিখত
তার শান বাঁধানো ঘাটে।

সেথায় মায়ায় জড়ানো ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর ছিল।
উত্তরে ছিল কারুকার্যে বিভোর ছোট্ট দেবালয়
তার সন্ধ্যা প্রদীপের ম্লান আলোকে,
উঠোনে আঁকা আলপনাটা আবছা দেখা যেত।

দেবালয়ের পাশ ঘেসে এক কৃষ্ণচূড়ারর গাছ,
বোশেখ এলেই লাল রঙে সে স্বপ্ন করত বিলি।
তাকে দেখেই কি যেন আবছা ভাসত আমার তৃষাতুর দুই চোখে,
তার ছায়ার কোলেই কাটত আমার উদাসী বিকেলগুলি।

মাঝে মাঝেই দক্ষিণ থেকে ভেসে আসত
চিরপরিচিত বেলি ফুলের ঘ্রাণে মাতাল হাওয়া।
ভয়ার্ত চোখে ফিরে তাকাতেই একই দৃশ্য-
দক্ষিণের সিংহদ্বারটা খোলা।

একই অবয়ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে
চারপাশেই ধোঁয়া, সে যেন তার রাণী।
তার গায় জড়ানো লাল পেড়ে সাদা শাড়ি
কৃষ্ণচূড়ার রঙে মাখা সিঁথির সীমানা।
দুচোখ জুড়েই শ্রাবণ দিনের ধূসর মেঘের মত
স্পষ্ট কিছু বিষণ্ণতা আঁকা।

তারপর, প্রশান্তির বদলে বিরুপিকা যন্ত্রণায়
দগ্ধ হওয়া আমি,
মৃত্যু চেয়ে আপনার কাছে
যতবার দিয়েছি আবেদন,
আপনি দিয়েছেন কঠিন তীরস্কার।

অতঃপর ঘোর পরিকল্পনা করে
আপনাকে আমার রাজ্যে আনতে বাধ্য হলেম যমরাজ।
বিশ্বাস করুন নিজের তৈরি এত শূন্যতায়
কোন অমানুষই বাঁচতে পারে না, আমিও পারিনি।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন