এক কিশোরের স্বপ্নীল কল্পনা। অনামিকা নামের এক রূপবতী মেয়েকে সে ভালোবাসে। তাকে দেখলে সে ভীষণ আন্দোলিত হয়। ভাবনায় সে হারিয়ে যায় কল্পনার জগতে। সামনের ভেলেন্টাইন ডেতে হয়তো সে অনামিকার সাথে কথা বলতে পারবে। হয়তো সে ঘুরতে যেতে পারবে কোন এক নদীর তীরে কাশবনের পাশে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৮ এপ্রিল ১৯৭৩
গল্প/কবিতা: ৪টি

সমন্বিত স্কোর

২.৭৩

বিচারক স্কোরঃ ০.৯৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভ্যালেন্টাইন (ফেব্রুয়ারী ২০১৯)

ভ্যালেন্টাইন প্রত্যাশা
ভ্যালেন্টাইন

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৭৩

Mohammad Sharif Uddin

comment ৩  favorite ০  import_contacts ১২৩
একদিন ভ্যালেন্টাইন ডে আসবে
অতীতে আসেনি বলে আসবেনা কখনো তাতো হয় না।
অবশ্যই আসবে দিনটি সুখময় ঝর্ণাধারা হয়ে
দুরন্ত ঘোড়ার মতো দৌড়ে এসে সামনে দাঁড়াবে একদিন।

পড়ার চেয়ারে বসে ভাবনায় অনামিকার মুখ
ঘুমের ঘোরে বিভোর স্বপ্নে হাত ধরার সুখ
বারান্দায় দাঁড়িয়ে ওই মোড়ের দিকে চেয়ে থাকা
পরীর মতো উড়ে উড়ে হেঁটে যাচ্ছে অনামিকা।

বুকের ভিতরে ঢিবঢিব উত্তেজনা জাগে
অনামিকা সামনে আসে ঘাড় এলিয়ে
ঠোঁট নাড়ে যেনবা অলীক স্বপ্নের মতো হাসে
দুগালে টোল পড়ে- গোলাপের পাপড়ি ঝরে বাতাসে।

কত স্বপ্ন কত কথা - কেমন আছো অনামিকা
তোমার পায়ে নুপুরের শব্দ বাজে ঝনাৎ ঝনাৎ
বিকেলের রক্তাভ আলোয় তোমার দেখা মিলে কদাচ
ওড়নাখানি হাওয়ায় দোলে ছাদের কোণে দৈবাৎ।

হয়তো সেদিন ভেলেন্টাইন ডেতে হেঁটে যাবো দূরে
কাশবনের পাশে নদীর তীরে বসবো দুজন
হয়তো সেদিন ঢেউয়ের শব্দে লেখা হবে গান
চোখের তারার আলোয় মিশে যাবো উষ্ণতায়।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement