প্রতীক্ষায় কেটে গেছে নির্ঘুম রাত ;
প্রতীক্ষায় কেটে গেছে প্রশান্ত প্রভাত ;
দ্বিপ্রহরের সময়টাও কেটে গেছে চুপে-চুপে ;
ভাবছি তখন আসবে তুমি, গোধূলির রঙ্গিন রূপে।
কিন্তু পশ্চিমাকাশে যখন ডুবছে রবি, যাচ্ছে অস্ত-ক্ষণ,
তখনও নেই কোন সাড়া নেই, শুধুই নির্ভাবনায় মন।
আবারও স্বপন দেখালে তুমি, ইঙ্গিতে বললে আমায়ঃ
'আসব আমি আসব, থেকো আগামী দিনের আশায়’।
আবারও কোন প্রভাত, কোন একটি দ্বিপ্রহরের মাঝে,
কোন এক দিগন্ত-অপরাহ্ণ কিংবা কোন এক সাঁঝে।
তবে আমি কি থাকব, এই প্রতীক্ষার বেড়াজালে?
থাকব কি অবিরাম এই ঝলকানি আশার হালে?
হেন কোন কালে, মিলবে কি দেখা তোমার?
নাকি মরীচিকার পথে হেঁটে নিচ্ছ আবার
খালি পায়ে মোর, তপ্ত বালুর পাথারে?
ঘুমে-নির্ঘুমে দেখেছি যে স্বপ্ন বারে বারে,
তা কি করবে না সত্যিই কোন অর্থ বহন?
উফ! কেন মেলেনা এই প্রতীক্ষার সমীকরণ!
অকারণেই কেন স্বপ্ন আঁকি তবু চক্ষু-নীলিমায়?
তা বুঝেও যেন বুঝি না, থাকি আবারও প্রতীক্ষায়।