লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৬ নভেম্বর ১৯৯৫
গল্প/কবিতা: ১৬টি

সমন্বিত স্কোর

২.৩৯

বিচারক স্কোরঃ ০.৮৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৫ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঅস্থিরতা (জানুয়ারী ২০১৬)

এক অস্থির বন্ধুত্বের পরিণতি
অস্থিরতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৫ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৩৯

ফাহিম আজমল রেম

comment ১৩  favorite ০  import_contacts ৭৮৩
অস্থির চাহনিতে আমি হাটছি রাস্তার একপাশ ধরে।আমাকে আটকানোর যেন আজকে আর কেউ নেই।পুরো পৃথিবী একদিকে আর আমি সবার উল্টো দিকে ছুটছি নিজের রাঙানো স্বপ্নটিকে উজ্জল করার জন্য।
আগে অবশ্য এমনটা ছিলাম না।বেশ শান্তশিষ্ট একটা চরিত্র থেকে আজকের এই অবাধ্য এই আমি।বেশ অবাক লাগছে তাইনা।আসলে এর মাঝে ঘটে গেছে অনেক বৈচিত্রপূর্ণ ট্র্যাজেডিক ঘটনা।মায়শা নামের একটি চরিত্র ভর করছিল আমার মাথায়।সেটি সরাতে সরাতে আমার জীবনযাপন পদ্ধতিই যেন বদলে গিয়েছিল তখন।তার ভাষা পর্যন্ত আয়ত্তে এসে যাচ্ছিল আমার।মনে হচ্ছিল কত গভীর জানাশোনা আছে আমাদের মাঝে।নাহ,সবই ছিল তার বানানো কিছু ছলনা।দিনের পর দিন মিষ্টি সুরে কথা বলে ভুলিয়েছে সে আমাকে একটি চরম বাস্তবতা।আর সেই কঠিন সত্যটি ছিল যে তার জীবনের উদ্দেশ্যই ছিল একজন বুয়েটের ছেলেকে তার লাইফ পার্টনার বানানো।আমি সেই হিসেবে ছিলাম অনেক নিচু যোগ্যতার মানুষ তার কাছে।তাই একসময়ের সেই মধুর বন্ধুত্বের পরিণতি হল বিষাক্ত শত্রুতার।আজ মায়শা আমার দুচেখের বিষ।কারণ তার মন চলে গেছে কোন বিদ্যাবুদ্ধিতে সিদ্ধ প্রতিভাবানের কাছে।যেখানে আমার স্থান খালি একজন বহিরাগত বন্ধু হিসেবে।এভাবে মন নিয়ে দোটানায় থাকতে থাকতে একসময় এ জগতের মানুষজন থেকে আলাদা হতে থাকলাম আমি।সবাই যে জিনিসে সুখ পায় তার উল্টোটাতেই আনন্দ পেতাম আমি।আস্তে আস্তে পুরো পৃথিবীর মানুষগুলো অচেনা হতে থাকল আমার কাছে।কাউকে আপন করে নিতে ভয় লাগত আমার।আমি হয়ে গেলাম একা এক নিভৃত পথিক।যার দৃষ্টি খালি সামনের দিকে,আশেপাশের কোন সুন্দরীর পাতানো বন্ধুত্বে আজ সে আর বিশ্বাস করেনা।যে খালি মন কিনে তার দামটা ঠিকঠাক দিতে পারেনা,তাকে এই জীবনে আমার আর দরকার নেই।সে পারত আনার জন্য সামান্য কয়টা বছর অপেক্ষা করতে।কিন্তু এই মেয়েটির দেওয়া ধোকা আমাকে শিখিয়েছে কিভাবে চিনতে হয় মেয়েদের,তাদের রহস্যময়ী মনটা যে কিভাবে ঠুনকো যোগ্যতার কাছে বশীভূত হয়ে যায় সেটাও জেনেছি আমি ভাল ভাবে।তাই সকল অস্থিরতা থেকে মুক্ত হয়ে এক শীতল বরফময় জীবন পার করছি আজ আমি খালি সময়ের হাত ধরে

আমার যোগ্যতাই যেন আজ আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement