এখন নিস্তব্ধ চারিধার,
যেন একটা বিরাট আঁধার গ্রাস করতে আসছে
আমাদের সত্ত্বাকে,
আলো দেখা যায় না কোথাও
আলো খুঁজতেও সাহস করে না কেউ,
অন্ধকারের গলি খুঁজে বেড়াব মোহাবিষ্ট মানুষ।

মনে হয় পৃথিবীটা দাঁড়িয়ে আছে
এক অতল খাদের ধারে-
পলকে ঘটে যাবে বিপর্যয়
ঝোড়ো হাওয়ার সামনে কম্পমান প্রদীপ শিখার মত
অসহায় আমাদের চেতনা, বিধ্বস্ত আমাদের বিচার বোধ।
দিকে দিকে স্বার্থের ফিসফাস্ শব্দ-

একাকীত্বের বিষাক্ত ফণা ছোবল মারছে,
ছটফট করছে সববাই, রুদ্ধদ্বারে মরছে মাথা ঠুকে।
তবু কেউ অর্গল খুলবে না, প্রাচীর ভাঙবে না—
তিলে তিলে সইবে স্বেচ্ছা নির্বাসনের যন্ত্রণা।
হয়তো একদিন সুতীর আলোক রেখা আসবে
নিকষ কালো আঁধারের বুক চিরে,
ভয়ংকর শব্দে ভেঙে পড়বে নিঃসঙ্গতার দেওয়াল,
রুদ্ধশ্বাসে ছুটে যাবে মানুষের কলতান
বাঁধ ভাঙা নদীর মতো।
হয়তো সেদিন আবার ফিরে পাবো
হারিয়ে যাওয়া ছন্দ,
খুঁজে নেব বিস্মৃত আনন্দ,
কিন্তু আজ কেন আমরা এমন প্রাণহীন নিস্পন্দ?