লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২২ মে ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ৪টি

সমন্বিত স্কোর

১.৬৮

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঅসহায়ত্ব (আগস্ট ২০১৪)

হলুদ মিছিল
অসহায়ত্ব

সংখ্যা

মোট ভোট ১৪ প্রাপ্ত পয়েন্ট ১.৬৮

অবোধ্য ফাহিম

comment ১৫  favorite ০  import_contacts ৮০৭
ভর দুপুরে ছুটে চলছে বাস
তুলনামূলক ফাঁকা,
‘এই ছোলা’ পেছন থেকে ডাক
ছোট ছোট পা দুটি এগিয়ে আসে,
শব্দোৎসের কাছাকাছি হতেই
এগিয়ে আসা দুটি হাত
তুলে নেয় কয়েকটা ছোলা ঝটপট;
‘ভালো করে মাখ পঞ্চাশ গ্রাম,
বেশি করে তেল পিঁয়াজ দে’।

‘মাইখা খাইতে ভালোই লাগে, কী কন?’
অর্ডারদাতা খোঁজেন সঙ্গীর সমর্থন,
ইতোঃমধ্যে তুলে নিয়ে আরো কয়েকটা
করেন পাচার সঙ্গীর হাতে।

‘এই লন’
মাখানো ছোলার ঠোঙা হাতবদল হয়,
‘এইটুকু! ঐ ব্যাটা আরেকটু দে’
বলেই তুলে নেন গোটাকতক আরো।

‘পাঁচ ট্যাকা দেন’,
অর্ডারকারী সামনের দিকে দেখান
‘কন্ডাক্টররে ক’ গিয়া দিয়া দিবো খন’,
সঙ্গী বলেন, ‘কন্ডাক্টর কি দিব?’
‘দিবনা মানে! ওর বাপে দিবো,
নাইলে গাড়ি চালাইবো কি কইরা এই রুটে?’
ছেলেটি নিজের জায়গায় অনড়,
ধমকে ওঠে অর্ডারকারী
‘যা ব্যাটা, কন্ডাক্টাররে ক’,
হ্যায় চিনে আমগোরে ভালা কইরা
শ্রমিক নেতা কি এমতে হইচি!’

ছেলেটি গেটের কাছে গিয়ে টাকা চায়,
‘খুচরা নাই, পরে দিতাছি’
কন্ডাক্টর জানায় বিরক্তমুখে,
ছোলার রঙে মাখা হলুদ ঠোঁট নিয়ে
নেমে যায় গন্তব্যে নেতাদ্বয় ।

খানিকপর
ছেলেটির গন্তব্য এলে তাগাদা দেয়,
ধমকে ওঠে কন্ডাক্টর-
‘অ্যাই ব্যাটা, এতদূর যে গাড়িতে আইলি
তার ভাড়া কেডা দিব?
পাঁচ ট্যাকার ছোলা তার দাম চাস আবার !
যা ভাগ্!’
ঘাড় ধরে নামিয়ে দেয় হেল্পার।

বালক স্তম্ভিতো, অসহায়!
উঠতে পারেনা বুঝে-
আসল দোষীটা কে?
কার প্রতি রাগ করা যায়?

দুপুরের সোনারোদে শুধু
চোখের জলকণায় তাঁর,
ঝিকমিক করে ওঠে
মিছিল এক হলুদ ঘৃণার!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement