লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ৯টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

১৫

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftমা (মে ২০১১)

অরিন্দম
মা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৫

শেখর সিরাজ

comment ৮  favorite ০  import_contacts ১,০৩১
আমি যা ছিলাম এখনোও তাই আছি।বিশ্বাস কর অরিন্দম।চুলের জুলফিতে দুই একটা গোছিতে ধবধবে সাদা কাশ ফুলের রং লেগেছ।চেহারাতে বোধ হয় একটু বয়স্ক বলি রেখার ছাপও পড়েছে।আয়নার সামনে দাড়িয়ে আজেই দাড়ি কামাতে গিয়ে হঠাৎ চোখে পড়ল । তাছাড়া আমার জীবনে তেমন কোনও পরিবর্তনের তোরণ টেউর ছোঁয়া এসে লাগেনী।।হয়তো আর কোন দিন আসবেও না।

অনেক অনেক অপেক্ষার দীর্ঘ প্রহর দীর্ঘ রজনী গুনে জীবন থেকে সেই সময়টা বেরিয়ে গিয়েছে অনেক দিন হয়।এক একবার কি মনে হয় জানিস উড়ন্চণ্ডী যুবকের মতো লুঘূ বাতাসে উড়ে উড়ে যাচ্ছে আমার চাকচিক্যময় তারুন্যের জ্যোতি।মধ্য দুপূরের সুর্যের মতো আমি শুম্ভক গতিতে ক্রমশ হেলে পড়ছি।মধ্য বয়স্কা এক তেজী লাগামহীন ঘোড়ার মতো।জীবনের এক তৃতীয় অংশ দৌড়ে বেরিয়েছি।কিন্তু প্রাপ্তির যোগফলে খুব একটা বড় রকমের পরিবর্তনের হেরফের হয়নী।বোধ করি আর হবেও না।

বর্তমান থেকে শুরু করে আমি যদি প্রতিটি মর্হুত কঠিন কোনও গানিতিক সংখ্যা তত্ত্বে পচিঁশ কিংবা ত্রিশ বছরের দুরত্বে আমি আমার অতীত পূর্ব পুরুষে ফিরে যাই।নিজের মনের দর্পনে এখনও আমি দেখতে পাই।আমি যেখানে ছিলাম এখনো ঠাই তাল গাছটির মতো সেখানেই দাড়িয়ে আছি। মাঝখান দিয়ে দৌড়ে যেতে দেখলাম ব্যাস্ত ষ্টোশনের প্লাটর্ফমে হরেক রকমের যাত্রীর উঠানামা।যৌবনের প্রথম প্রহরের দিকে ঠিক ঐ রকম ব্যাস্ত প্লাটর্ফমের একজন নিয়মিত যাত্রী ছিলাম আমি।আট-পাচঁটা অফিস করে তৃতীয় শ্রেনীর যাত্রীদের ভীরের দর কষা কষি ঠেলে বাড়ি ফেরার কি বিষন ব্যস্ততা ছিল আমার।দিনখনের প্রতিটা মূহুর্ত জীবন যৌবনের রসের আনন্দ তারিয়ে ফিরছিলাম আমি।

খেলাধূলায় আর কলব্রীজে যতটা না আগ্রহ ছিল।তার চেয়ে অনেক বেশী আগ্রহ ছিল আমার পড়াশুনাতে।আমার সেই ছন্দময় জীবনের পতন ধ্ববনি শুনতে খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নী।নদীর পার ভাঙ্গার মতন ভেঙ্গে ছিল আমার মন।আমি স্বপ্নেও ভাবেতে পারিনী।ড্যফোডিল ফুলের মতো এমনি করে অকাল বার্ধ্যকে ঝড়ে যাবে,একটি জীবনের নীশ্চিত ভবিষ্যত।মনে প্রানে বোদয় চাইলেও মানুষ জীবনে অনেক কিছু ধরে রাখতে পারে না।ধরে রাখতে ছাইলেও আবার অন্যের ইচ্ছা অনিচ্ছার বিরুদ্ধের কাছে নিজের বাৎসল্য ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোর অকাল মৃত্যূ ঘটাতে হয়,নয়তো নিজের আয়ত্বের বাইরে সবার চোখকে ধূলো দিয়ে দামাচাপা দিয়ে রাখতে হয়,অনেকটা সেকালের সাত রাজার গুপ্তধনের মতো,কোনও শুভলগ্ন দিনখনের জন্য।অপেক্ষার দী্র্ঘ প্রহর গুনেছি কিন্তু আমার জীবনে সেই শুভলগ্ন দিনটির আর উদয় হয়নী।গোবরে পদ্ধফুল খুব কম মানুষের জীবনেই ফোঁটে।যদিও বা ফোঁটে অপাত্রে মুক্ত ছড়ানোর মতোই তা যেন ঈশ্বরের দেওয়া এক অসীম কৃপার দান।কিন্তু ঈশ্বরের সেই সুদৃষ্টির কৃপা আমার উপর বর্তায়নী।ভাগ্য আমার বরাবরেই গলার উপর দিয়ে প্রতারনার ছোঁরা ছালিয়েছে।ভাবতে গেলে আজও আমার শরীরের প্রতিটা লোমকূপ ভয়ে শিউরে উটে।আমি আর ভাবতে চাই না ভুলে যেতে চাই।জীবনে ঘটে যাওয়া কালো অধ্যয়ের অন্ধকারের সেসব দুঃসপ্ন দিনগুলোর কথা।কিন্তু অরিন্দম ইচ্ছে করলেই কি মানুষ তার এক জীবনে সব কিছু ভুলে যেতে পারে।কেউ কেউ হয়তো পারে,কিন্তু সবাই পারে না।আমি বোদয় সেই ভুলতে না পারা সবার মধ্যে প্রথম সারির একজন।তুই হয়তো আমার জীবনের সবটা জানিস না।আমার পরিচিত নিকট আত্মীয় স্বজনের কাছে হয়তোবা কিছু কিছু শুনে থাকবি।কিন্তু তোকে আজ বলতে আমার কোনও দ্বিধা নেই কোনও সঙ্গোচ বোধ নেই।আজ আমি শুন্যেরও হিমাঙ্গের নিচে নেমে বরফ জমাট পর্বতশৃঙ্গের মতো স্থবির হয়ে দাড়িয়ে আছি।বয়প্রবীন লোকেরা বলে,এক কানের ধন নাকি পাঁচ কানে বড় সস্তা লাগে।অরিনদম আজ আমি নিজেই নিজের কাছে বড় সস্তা হয়ে গেছি।নিলামে উঠে গেছি,সম্পর্কের টানাপোড়েনে দেউলিয়া হয়ে আছি।শুনেছি মানুষ বৈষিক বিষয় সম্পত্তি অর্থ কড়িতে দেউলিয়া হয়।কিন্তু মানুষে যে সম্পর্কেও দেউলিয়াপনা হতে পারে।আমিই বোদয় সেই প্রথম টের পেয়েছিলাম।দের যুগের বেশি সময় ধরে চাকুরি করেছি।কিন্তু কোন দিনেই আমি ঠিক বৈষিক হতে পারিনী।আমি আমার ঠিক বাবার স্বভাবটি পেয়েছিলাম হাতে নগদ অর্থ কড়ি এলেই দু হাত ভরে তা খরচ করি।পরিচিত মানুষ জনকে খাওয়াতে ভালবাসি।আমি যেন সহানুভুতির হাতেম তাঈ হয়ে উঠছিলাম।ভূত-ভবিষ্যতের ভাবনার কথা আমার মাথায় ঠিক খেলে না।বর্তমানটাই আমার কাছে সব মনে হয় আর ভবিষ্যতটাকে মনে হয় কোনও এক দিনের গৌণ অতীত।বর্তমান জীবন ধারায় একজন মানুষের ভূত-ভবিষ্যত নীতি নির্ধারক।বর্তমান দিনের পুর্নারাবৃত্তি গৌন্তব্য স্থল ভবিষ্যত।এছাড়া ভবিষ্যত আর কিছু নয়।
জানিস অরিন্দম এতো কিছু বুঝেও ঠিক বুঝে উঠতে পারি না।শেষ পয্ন্ত কোথায় যেন অন্তসার শুন্য একটা কিছু লুকোচুরির মতো থেকেই যায়।অনেকটা চোরা বালির মতো ঠিক ধরতে পারি না।বোধদয় ধরাও যায়ও না।তাই হয়তো বেহিসাবি অনূঢ় জীবনের এই খামখেয়ালীপনা স্বভাবটির কারনেই বিষয় সম্পত্তিতে এখনও বৈষিক হয়ে উঠতে পারিনী।কোন দিন হয়ে উঠতে পারব বলেও মনে হয়না।যার হয় তার নয়তে হয়।যার হয় না তার নব্বইতেও হয় না।দিব্য চাকুরি করছি অথচয় পকেটের অন্তরমহলে টাকা পয়সা ধরে রাখতে পারছি না।

নানা অরিন্দম কোন বাজে রকম নেশায় আমি অভ্যস্ত নই।নিষিদ্ধ অন্ধকার রাতের সাতে বরাবরেই আমি দুরত্ব বজায় রেখেছি।অফিসের ইয়ার কলিগ বন্ধুরা যে কখনও অফার করেনী তা নয়।হালকা রসিকতা করে পাশ কাটিয়ে গিয়েছি।আমি যে রাতের অন্ধকারের বাসিন্দা নই।কখনও হতে চায়নী,মিঠা জলের চুনোপুটি হয়ে নোনা জলের হাঙ্গগরের বিশাল সমুদ্রে আমার সাতার কাটতে বিষন ভয়।সমাজের চক্ষু লজ্জার জলে ডুবে যাবো তার ভয় নয়।জীবন আমার হাতের মুটোয়।আমি ইচ্ছে করলেই অনায়াশে লাগামহীন ঘোড়ার মতো দৌড়ঝাপ করতে পারি সমাজের সর্বত্র,আমাকে লাগাম দিয়ে বেধে রাখে এমন দুঃসাহসের স্পর্ধা কেউ দেখাতে পারে এ আমি বিশ্বাস করতে পারি না।আমি নিজেই নিজের জীবনের নীতি নির্ধারক আমি আমার ভাগ্যের নিয়ন্ত্রন কর্তা।তবু আমার এতো ভয়,সামান্য একটা ভুলের কারনে যদি কাঁচ ভাঙ্গার মতো ভেঙ্গে যায়।অকাল বার্ধ্যকে নুয়ে পড়া আমার বাবার একান্নবতি পরিবারের বিশাল ভারবাহি সংসারটি তার ভয়ে।আমি মাল্টিকালচার জীবন ধারা থেকে রোজ ফেরারী আসামির মতো পালিয়ে বেড়ায়।এখানেই আমার মুল্যবোধ আমার হাত পা বেধে দিয়েছে।সেদিন রিজনাল অফিসার নাঈম উদ্দিন সাহেব খুব খোচাঁ মেরে বলছিলেন,শেখর সাহেব এখনওতো বিয়ে করেননী।

জ্বী না,
তবে ভাবছি।
বিয়ে করবেন।তাতে আবার ভাবনার কি আছে।
বিয়ের ব্যপার চট করে সেরে ফেলবেন,ভাবতে গেলেই বিশৃঙ্গলা বাধে।
না।ঠিক এখনও গুছিয়ে উঠতে পারিনী,তাই সময় নিতে হচ্ছে আর কি
কোন দিনেই গুছিয়ে উঠতে পারবেন না আর সময়ও পাবেন না।সময় আর সুযোগ মানুষের জীবনে কখনও আসে না।সময় ও সুযোগ তৈরি করে নিতে হয়।গুছিয়ে উঠতে উঠতে জীবন যৌবন সব খুইয়ে দিবেন।তবুও মনে হবে,গোছানো হয়নী।সংসারে আর পাঁচটা ঝামেলার মতন বিয়েটাকেও একটা ঝামেলা মনে করে যত তারাতারি সম্ভব সেরে ফেলবেন।লোকে বলে শুভ কাজে দেরি করতে হয় না।তাছাড়া লং ম্যরেজে অনেক সমস্যা হয়।বয়সের অসীম পার্থক্য ঠিক মতন এ্যডজাষ্টমেন্ট করা যায় না।চোখে মুখে শুধু সমস্যা দেখবেন,সমাধানের কোনও পথ খুজে পাবেন না। মনে রাখবেন কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ঠাঁস ঠাঁস।আর মুখটা এরকম সব সময় শুকনো করে রাখবেন নাতো।মাঝে মধ্যে এদিক সেদিক একটু আধটু বেড়াতে যাবেন।জীবনে একটু আনন্দ উচ্চাস না থাকলে কাজে কর্মে গতি পাওয়া যায় না।অফিস ছুটির পর যাবেন নাকি।থালা ভতি্ শুধু ভাত খাবেন আর দু একটা ভাতের দানা মাটিতে ফেলবেন না তাতো হয় না।

অরিন্দম আমি কি বলতে চাইছি,তুই বুঝতে পারছিস।চাকচিক্যময় আধুনিক জীবনরের প্রলোভন,বিলাসিতার প্রধান উপজীব্য মদ আর মেয়ে মানুষ আমি বরাবরেই এরিয়ে গিয়েছি।বহুগামি গনিকা ভিত্তিতে নারীরা যেমন সতিত্ব হারায় আর পুরুষেরা হারায় তার পৌষত্ব।বারন্ত বয়সে কাঁচা পয়সা হাতে এলে মানুষ নাকি বখাটে বেপোয়ারা হয়ে উঠে।কথাটা যে সর্ব ক্ষেত্রে সত্য নয় দিনে দিনে আমিই যেন তার জলন্ত উদাহরনের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছিলাম।কলেজের গন্ডি না পেরুতেই বাবা তার সংসারের জোয়ালটি আমার কাধেঁ উঠিয়ে দিয়েছেন।বাবা ততদিনে অকাল বার্ধ্যকে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন।মধ্যবিত্ত টানাপোড়েনের জীবন যাপন সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশি জানি।ছাপোষা বেতনের চাকুরি ঘানি টেনেহেচরেই আমাদের যৌবনের শুরু চল্লিশর্ধো বয়সের পৌরষত্ব সব অকাল বার্ধ্যকে যেয়ে শেষ হয়।আমিও তার ব্যতিক্রম নই।মাসের শেষে বেতন যা আসে তার বেশির ভাগেই সংসার খরচ হিসাবে বাবার নামে মানি অর্ডার করে পাঠিয়ে দিতে হয়।নিজের কাছে অবশিষ্ট বেতনের টাকা যা থাকে তা দিয়ে পুরো মাসের খরচ চালিয়ে নিতে রীতি মতো শরীর দিয়ে ঘাম ঝরে।একদিন দুদিন না হয় এর কাছে ওর কাছে ধার দেনা করে চালিয়ে নেওয়া যায়।কিন্তু প্রতিমাসে...মানুষের তো একটা চক্ষু লজ্জারও ব্যাপার আছে।কতমাসের পর মাস ক্যন্টিনের দুপুরের খাবারের টাকা জমা দিতে না পারায় পয়সার অভাবে একটি মাএ সিঙ্গারা খেয়ে সারা দুপুর কাটিয়েছি।কত রাত উপোস করে নিভৃতে অন্ধকারে চোখের জল ফেলেছি।ছোট ছোট এইসব দুঃখ বিলাসীতার কথা অনুভুতির কথা কি ইচ্ছে করলেই মানুষ জীবন থেকে মুছে ফেলতে পারে।সবাই পারলেও আমি পারি না।আমি কোনও মহাপুরুষ না।আমি জাগতিক নিয়মে দুঃখ কষ্ট ক্লায়েশের ভিতর দিয়ে বেড়ে উঠা একজন মানুষ।দুঃখ কষ্ট ভয় ক্ষুদা দারিদ্র আমাকে বিষগোগরা সাপের মতো শৈশব কৈশ্যর থেকে তারিয়ে এসেছে।এদের সাতে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে আমাকে জীবন সংগ্রামে টিকে থাকতে হচ্ছে।মাঝে মধ্যে ভয়ে দৌড়ে পালানোর সময় পা ছলকে হোছট খেয়ে পড়েছি।ছোবল দিতে পারেনী।কিন্তু পিঠের শিরদাড়টা ভেঙ্গে দিয়ে গেছে।সেই থেকে পুঙ্গত্বের অবিশ্বপ্ত এক জীবন নিয়ে বেঁছে আছি।বেঁচে থাকতে এখন নিজের কাছেই নিজের লজ্জা লাগে,ঘৃনা লাগে।আহত পরাজিত এক সৈনিকের মতো হামাগুড়ি দিয়ে বেঁচে আছি।এভাবে বেঁচে থাকতে কার ভাল লাগে তুই বল?সবাই কেমন করুনার দৃষ্টি নিয়ে তাকায়,দয়া দেখাতে চায়,করুনা করতে চায়।কেউ দায়িত্ব কর্তব্য পালন করতে চাই না।সবাই সবার জীবন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে।আমি কাউর ব্যস্ত জীবনে সুচোঁ কাটা হয়ে বেঁচে থাকতে চাই না।

আমি এখন একা এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দা হয়ে বসবাস করছি।সব থাকতেও আমার জন্য এখন আর কেউ বেঁচে নেই....

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মাহমুদা rahman
    মাহমুদা rahman লেখাটা সুন্দর কিন্তু মা সংখ্যার সাথে মিল নেই কেন?
    প্রত্যুত্তর . ১ মে, ২০১১
  • এস, এম, ফজলুল হাসান
    এস, এম, ফজলুল হাসান মিঠা জলের চুনোপুটি হয়ে নোনা জলের হাঙ্গগরের বিশাল সমুদ্রে আমার সাতার কাটতে বিষন ভয় / তাই আমারও বলতে ভয় হয় এই গল্পতো "মা" সংখ্যার নয়
    প্রত্যুত্তর . ৫ মে, ২০১১
  • মেহেদী আল মাহমুদ
    মেহেদী আল মাহমুদ মাহমুদা এবং হাসান ভাইয়ের সাথে আমি একমত।
    প্রত্যুত্তর . ৭ মে, ২০১১
  • তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল একই কথা আমাকে ও বলতে হচ্ছে লেখাটি কি মা সংখ্খার সাথে সমন্জস্সো নয়
    প্রত্যুত্তর . ১৩ মে, ২০১১
  • সূর্য
    সূর্য গত সংখ্যার প্রথম দিকেই তুমি বন্ধু নেটওয়ার্কে একটা পোস্ট দিয়েছিলে তোমার আইডি মুছে দেয়ার জন্য, তখন আমি জানতে চেয়েছিলাম কেন। উত্তর পাইনি। বিষয়ভিত্তিক লেখা আসলে কঠিন এবং চাপানো মনে হয়। তারপরও আমি মনে করি, প্রতিযোগীতার জন্য এটা ঠিক আছে। তোমার সবগুলো লেখা...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১৩ মে, ২০১১
  • শাহ্‌নাজ আক্তার
    শাহ্‌নাজ আক্তার apni ato valo likhen ........... please , bishoy vittik hishebe lekhun , apner somotullo hote oneker somoy lagbe, khub dhar apner likhar.
    প্রত্যুত্তর . ১৬ মে, ২০১১
  • আনিসুর রহমান মানিক
    আনিসুর রহমান মানিক ভালো লেখা তবে ....
    প্রত্যুত্তর . ২৭ মে, ২০১১
  • বিন আরফান.
    বিন আরফান. মা খুজে ! আমি খুজি গল্প, পেলামও তাই. সমালোচনার কিছুই নাই. চালিয়ে যান চলবে বলে যাই. এরূপ গল্প সামনে আরো চাই. গল্পের জন্য ছালাম বড় ভাই.
    প্রত্যুত্তর . ২৭ মে, ২০১১

advertisement