ধীরে ধীরে বাতাস বয়ে যায়,
চারিদিক কেঁপে উঠে পবনের স্রোতে,
গাছের পাতারা পারে না থেমে থাকতে,
কুণ্ডলী পাকিয়ে নেমে আসে প্রচন্ড ঝড়।
দৌড়ে গিয়ে আটকে দেই দরজার খিল,
জানালার বাইরে তেড়ে আসে অবিরাম বাতাস,
নিভু নিভু করে জ্বলন্ত প্রদীপের শিখাটা,
দু হাতে আটকে রাখি যেন নিভে না যায়।
আকাশে মেঘের গর্জন বারবার হুংকার দিয়ে,
চমকে ওঠে সাদা আলোর ক্ষনিকের ঝলকানি,
বেড়ে যায় একটু একটু করে বাতাসের জোর,
ছোট্ট হাতের বাঁধা মানে না সর্বনাশা ঝড়।
শিখার সলতেটা পুড়ে পুড়ে শেষ হয়,
তেলটাও ফুরিয়ে যায় একটু একটু করে,
ভাঙা বেড়ার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিই,
যদি থেমে যেত অবিরাম বাতাসের বেগ।
শিখা ছেড়ে দিয়ে বিধাতার কাছে দু হাত বাড়াই,
কেড়ে নিও না এক চিমটি আলো,
নয়তো আঁধারের মাঝেই বিলীন হবে,
স্বপ্নে সাজানো আমার ভাঙা কুঁড়েঘর ।