বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬

keyboard_arrow_leftসাহিত্য ব্লগ

প্রকৃতি এবং আমি

নৈশতরী

  • advertisement

    রহস্যের প্রিয় বান্ধবী সন্ধ্যা, ধূসর শাড়ী পড়ে
    বাঁশির বেতাল সুর সুরের ধরে, ভারী করছে বাতাসের বাউলা মন!
    আমি হাঁটছি! হাঁটছি, হাঁটছি, পথ কথা বলছে!
    পথের অসুখে নাকি দুঃখ বেড়েছে রাতের।
    রাত এখন মারুতিদের পিছলে শরীরের গন্ধ শুঁকে শুঁকে
    মাতাল হয়ে ক্ষেপে আছে।

    ছেঁড়া জামা পড়ে পেছন থেকে ডাকছে অতীত,
    অতীতের আজ মন ভালো নেই।
    সামনে বড় বড় দীঘি ভর্তি ঘোলা জলে তোমার গন্ধ!
    জল নাকি রোজ ভোরের দিকে
    তোমার ভেজা শরীরের উঁচু নিচু রহস্যগুলো দেখে দেখে
    দিওয়ানা হয়ে গেছে।
    আমি অতীতকে থামতে বলে, জলের সাথে জুড়ে দিলাম গল্প।
    সন্ধ্যা হাত নেড়ে বিদায় নিলো, রাত আমার পাশাপাশি হাঁটছে।

    ঠিক আছে জল, বল তুমি কি দেখেছো?
    “আমি দেখেছি তোমার প্রিয়তমর খোলা খোলা চুলের বেণী,
    মচকে যাওয়া নাকের নোলক-বালা,
    আর শ্বেত বর্ণ কোমরের তলদেশে পশুদের আঁচড় কাটা দাগ”
    রাত
    ক্ষেপে উঠে মুহূর্তেই কালোতে গুলিয়ে ফেললো সব!
    ত্রাসের বুকের উপর পা রেখে বলতে লাগলো-
    "আমি তোর প্রিয়তমর হাত ধরে যেতে দেখেছি
    বায়ান্ন হাজার যুবকের পাল!
    আর একটা নেড়ি-ভাল্লুক অনর্গল চেটেপুটে খাচ্ছে!"

    আমি ভয় আর উপহাসের ক্রোধক্ত মুখ দেখে
    টের পেলাম এখন রাত্রিকাল।
    কোথায় যেন ঝিঁঝিঁপোকারা ডাক দিলো?
    মহাকাল তোমার দার খোলো, হা করো বন্ধমুখ
    আমি তোমার কোঁটি ছরের পুরানো পেটের মধ্যে
    আজ রাতেও একটু লুকাতে চাই।

    ___নৈশতরী
    07-01-13বিকেল

advertisement