বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ২৬ মে ১৯৮৭

মেয়েদের বুঝি সুখী হতে নেই!

  • advertisement

    একদিন দরজার ওপাশ থেকে আমায় টেনে নিয়ে, সমুদ্র-সঙ্গমে হাজার বছরের ভালোবাসা বুঝিয়ে দিলে। তারপর পাশাপাশি দু’জন জেগে থাকা অনেকটা সময়। টেরাকোটার ফাঁক দিয়ে চুঁইয়ে পরে অবাধ্য আলো।

    ভেবেছিলাম তুমি বুঝি সুখী হলে এইবার
    তাই, নিরপরাধ ঘুমের গল্প চোখে ছুঁই আবার।
    মানুষের কথা, এলোমেলো ভোরের আলো
    কবিতার লাইন, ঠোঁট বুকে রক্তিম আগুন জ্বালো।

    তুমি কিনা চোখ নামালে। আমার চোখে তোমার ফর্সা বুক দেখা যায়। আয়নায় চোখ ফিরিয়ে ঝুঁকে তাকাও। দেখাও- কষ্টের শ্লেস্মা ঘুরে ঘুরে পাক খায়। জোর করে হয়তো তোমার সুখের পাশের শূন্যতা ছুঁই। তুমি যে বলেছিলে- আমরা থাকবো বুকের কাছে, পরস্পর। তবু কটা মুহুর্ত তুমি আলাদা করে নাও মুহুর্তেই। কষ্টের সেই প্রথম লাইন তাই এখনো আছে, আগের মতো। মেয়েদের বুঝি সুখী হতে নেই!
    একদিন আবার তুমিই

    এ পাশে ও পাশে নিরুদ্দেশে যাও দূরে
    হাত বাড়িয়ে চাপা সুখ ছোঁও হলুদ দুপুরে।
    সন্ধ্যা-ভোরে বুকের মাঝে মুখ ডুবিয়ে
    খেলা ঘরের কাঁকন বাজাও বিস্ময়ে।

    ভেবেছিলাম, তুমি এইবার সুখী হবেই। তাই বুকের কথা সারাটি রাত ধরে কানাকানি করে গেলো। তবু সমুজ্জ্বল ভোরে- ছায়াধূপে কালি জমে থাকে তোমার চোখে। জানিয়ে গেলে বুকের মাঝে- সমুদ্রস্নানে গা জুড়ায়, অন্তরের তৃষ্ণা মেটে না। তুমি তাই বেলা করে হাসো, বেলা করে কাঁদো। কোন কারন ছিলো না।
    মেয়েদের বুঝি সুখী হতে নেই

advertisement