বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৫ জানুয়ারী ১৯৯৯
গল্প/কবিতা: ২টি

গল্প - বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১৭)

চিরকুট

Farhad Emon
comment ০  favorite ০  import_contacts ২২
ছেলেটির নাম ফাহিম I
খুবই দুষ্ট স্বভাবের ছেলে Iপুষ্প, ফাহিমের প্রেমিকা I মেয়েটি যেমন
ভদ্র তেমন সুন্দরী I তারা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসতো I ফাহিমের দুষ্টামি,পাগলামী,ছোটোখাটো খুনসুটি, ঝগড়া, রাগারাগি নিয়েই চলছিলো তাদের মিষ্টি একটা সম্পর্ক I রিলেশনের এক পর্যায়ে পুষ্প হঠাৎ ফাহিমের কাছে কারণ ছাড়াই ব্রেকআপ করতে চায় এবং শেষ পর্যন্ত ব্রেকআপ করে নেয়।
ব্রেকআপের পর ফাহিম পুষ্পকে একটা চিরকুট দেয় সেটায় লেখা ছিলো:-
.
"তুমি আমাকে ছেরে চলে গিয়েও পরাজিত আমার
কাছে I কারণ তোমার রেখে যাওয়া স্মৃতি গুলো তুমি
নিয়ে যেতে পারো নাই I যেটা আমার ও আমার তোমার
মাঝে বিদ্যমান Iতোমার নিজের উপর এতই অহংকার
যার জন্য আমাকে একলা রেখে চলে গেলা কিন্তু স্মৃতি
গুলোকে কেনো নিয়ে যেতে পারলা না ?"
.
চিরকুট টা পেয়ে সেদিন পুষ্প খুব কাদে কিন্তু এর কোনো উত্তর দেয় না ফাহিমকে I কিছু একটা না পাওয়ার ভয় যেনো পুষ্পর মাঝে কাজ
করছিলো I প্রায় রাতে পুষ্প ফাহিমের জন্য নামাজ পড়তো আর ফাহিমের জন্য আল্লাহর কাছে কেদে কেদে দোয়া করতো যেনো সে সুখে থাকে, ভালো থাকে I আর ভাবতো এই পাগল ছেলেটাকে কি আমার মতো অন্য কোনো মেয়ে সহ্য করতে পারবে?
বুঝবে তার পাগলামোগুলো???
অন্যদিকে চিরকুটের উত্তর না পাওয়া আর পুষ্পর ব্যাবহারে অনেক কষ্ট পায়, সাথে পুষ্পর প্রতি এক প্রকার ঘৃণাও জন্মে যায় I আর এই কষ্ট আর ঘৃণা নিয়েই কাটছিলো তার দিনগুলো I
প্রায় ১ মাস পরের ঘটনা, পুষ্পের ভাই প্রান্তো ফাহিমের কাছে এসে বলে পুষ্প মারা গেছে কারণ তার ব্লাড ক্যান্সার ছিলো, আর এই কথাগুলা তার কাছে গোপন রাখতে বলেছিল পুস্প I প্রান্তো পুষ্পের দেয়া ৩১ টা চিরকুট নিয়ে আসে ফাহিমের কাছে I
প্রথম চিরকুটটিতে ছিলো ফাহিমের চিরকুটের উত্তর:
.
"SORRY"
.
আর বাকি চিরকুট গুলো ছিলো পুষ্পের একা কাটানো ৩০ দিনের ৩০টা চিরকুট তার সবগুলিতে লেখা ছিলো:
.
"আমি আজও তোমাকে অনেক ভালোবাসি ফাহিম"
.
Note: অদৃশ্যমান কিছু ভালোবাসা আজও রয়ে যায় আমাদের মাঝে I যে ভালোবাসা গুলো মানুষের মাঝে সুখের চেয়ে কষ্ট আর ঘৃনাটা একটু বেশিই সৃষ্টি করে I
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন