বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২০ নভেম্বর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ১টি

কবিতা - নারী (নভেম্বর ২০১৭)

প্রতিচ্ছবি

সিরাজুম মুনিরা
comment ১০  favorite ০  import_contacts ৯৪
টিপ আর সিঁদুরের স্ফুলিঙ্গে কপাল পুড়িয়ে
তোমার সাথে গভীর রাতের অভিসারে
যে মেয়েটি হিমালয় ডিঙিয়েছিল ,তার কথা কি মনে পড়ে?
সেদিন দেখা হয়েছিলো , বাবুদের বাগানবাড়িতে।
চেহারার চটক বেড়েছে, কোমরের বাঁক হয়েছে আরো গভীর।
লাল টুকটুকে ঠোঁট, লুকাতে চাইছিলো যেন রাতের নিষিদ্ধ প্রেম।
তার কামনার হাসি টেনেছিল আমাকেও তার গিরিখাতে
দেখেছিলাম তীব্র হাহাকার প্রথম প্রেমের।
মাতাল স্বামীর দেয়া দগদগে ক্ষতে তোমার আদর
ভুলেয়েছিল যে যাযাবর ভালোবাসা
সেই বসতি আজো টিকে আছে এক কালের সাক্ষী হয়ে।
রাতের আঁধারেই পালিয়ে এসেছিলাম।
মুক্তির আশায় তার যে বুক বাঁধা
সে বুকে মাথা রাখার আর সাহস পাইনি।
আজ তাকে আবার দেখেছি , জানো
লাল পেড়ে সাদা শাড়িতে এক মধ্য বয়সী প্রতিমা।
বয়স যেনো সেদিনের মতই পালিয়ে গেছে।
ভার হয়ে বসেছে আমাদের ঘাড়ে।
জুলফিতে পাক আর কাঁচাপাকা চুল
লজ্জা যেনো বাড়িয়ে দিল আরো।
তার সে চাহনী আজো জ্বলছে লুদ্ধক হয়ে
তবে তাতে জেগে আছে এক আগ্নেয়গিরি।
মাথা নত হয়েছিল বলে অনুশোচনা জাগেনি।
বারে বারে করা আমাদের পাপ,
তাকে পাপী করেনি।
সে আজ উদার আকাশ ঠাঁয় দিতে চায়
ঝরে পড়া বৃষ্টিকণাকে।
আবার হারলাম
তার বিশালতা মেনে ,ক্ষুদ্র থাকে ক্ষুদ্রতর হয়ে।
সাত বছরের মেয়েকে দেয়া তার আশীর্বাদ
ব্যঙ্গ করেছিল এক গৃহপিতাকে।
গভীর আস্থায় আঙ্গুল ধরে মেয়েটি আমার
এঁকেছিল আমারই অস্তিত্ব।
মাটিতে মিশেছিলো আমার নরত্ব।
সেদিন ঘরে ফিরেছিলো এক ছায়া
আঙ্গুলে ধরা এক মধ্য বয়সী মেয়ে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন