বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ জুলাই ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ৫টি

আমরা সবাই দুঃখী

প্রশ্ন ডিসেম্বর ২০১৭

সৌন্দর্যের প্রতিমা তুমি নারী

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৭

আলোর বান আসবে বলে...।

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

গল্প - স্বপ্ন (জানুয়ারী ২০১৮)

ঘুম এবং স্বপড়ব নিয়ে মজার কিছু তথ্য

মোহাম্মদ বাপ্পি
comment ১২  favorite ৩  import_contacts ১,১২৬
গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থেকে এই ব্যাপার টা নিয়ে লেখার চিন্তা মাথায় আসলো। লেখাটা ঘুম এবং স্বপ্নের সর্ম্পক নিয়ে। ঘুমে প্রায়ই আমরা ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি পাই। আবার কখনো চোখ খোলা রেখেও একচুল পরিমাণ নড়তে পারি না ।

কেন? কী তার বৈঙ্গানিক বিশ্লেষণ?

মানুষ মাএই এসবের শিকার হতে পারে । আমার নিজেরও এমন অভিঙ্গতা হয়েছে অনেকবার ।

যেমন ধরুন, আপনি আজ রাতে ঘুমাতে গেলেন। বাতি নিভালেন, নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন, অল্প অল্প তন্দ্রা লেগে এল, হঠাৎ মনে হল আপনি অনেক উচুঁ থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছেন । চমকে উঠলেন আপনি!

আবার হয়ত একদিন আপনি আরামেই ঘুমিয়ে আছেন। হঠাৎ ঘুমটা একটু পাতলা হতে লাগলো আর আপনি দেখলেন যে আপনি আর নড়াচড়া করতে পারছেন না। মনে হচ্ছে কেউ আপনাকে চেপে ধরে আছে । আপনি প্রাণপণে চিৎকার করতে চাইছেন কিন্তু গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বের হচ্ছে না । একটা আঙ্গুল নাড়াতে পারছেন না আপনি । কিছুক্ষণ পর ঘেমে উঠলেন আপনি । স্বাভাবিক হয়ে আসলো সবকিছু এ ধরণের ঘটনা কারো জীবনে ঘটেনি এমন মানুষ পাওয়া বিরল । তা ছাড়াও ঘুমের মধ্যে কথা বলা, নাক ডাকা বা ঘুমের মধ্যে হাঁটা কোনটাই বিচিএ নয় এবার আসুন জেনে নেই, কেন এমন হয় এবং কী তার সম্ভাব্য প্রতিকার ?

ঘটনা -১
ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মনে হওয়া যে ওপর থেকে পড়ে যাচ্ছি । একে বলে হাইপনিক জার্ক । আমরা যখন ঘুমিয়ে পড়ি আমাদের সারা শরীর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসে, মাংসপেসীগুলো শিথিল হয়ে আসে । কিন্তু যদি সে সময়ের মধ্যে আমাদের মস্তিক ততটুকু বুঝতে না পারে তবে মস্তিক একে ওপর থেকে শরীর পড়ে যাচ্ছে এটা ভুল করে । সেক্ষেএে সে শরীরকে সে সময়ের জন্য প্রস্তুত করতে হাত-পা শক্ত করে ফেলে সেই আসনড়ব বিপদ মোকাবেরা করার জন্য । আর তাই আমরা ঝাঁকি দিয়ে হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠি । এটা আসলে সে সময় হয় যদি আমরা অনেকক্ষণ ধরে ব্রেনকে রেস্ট না দেই ।

যেমণ আমি ঘুমের ঘোরেও মুভি দেখি! আবার অনেকে একটানা পড়াশুনা বা অফিসের কাজ বা গবেষণায় এসব চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে এবং ঘুমরে মধ্যেও যদি এসব চিন্তা চলতে থাকে তবে তখনই এ ঘটনা ঘটে ।
ঘটনা -২
বোবায় ধরার ঘটনাকে অনেকে কুসংস্কারের বশে ‘বোবা ভূত’ ধরা বলে। যার আসল নাম হচ্ছে স্লিপ প্যারালাইসিস । এক্ষেএে ব্যাপারটা একটু জটিল । আমাদের ঘুমের মধ্যে দুইটা পর্য়ায় আছে ।

১। REM (Rapid Eye Movement)
২। Non-REM (Non-Rapid Eye Movement)
ঘুমের মধ্যে এদুটি চক্র পর্যায় ক্রমে আমাদের মাঝে আসে । আমরা যদি কোন ভাবে এই দুটি চক্রের মাঝের সময়ে জেগে যাই তখনই আমরা হাত পা নাড়াতে পারি না । কথা বলতে পারি না , কারণ আমাদের এই জেগে থাকা সর্ম্পকে মস্তিক অবগত থাকে না । এক্ষেতে কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে । আর ঘুমে এ সময়কে অনেক সময় বলে মনে হতে পারে ।

আমরা জেগে আছি এ তথ্য মস্তিক সাহেব (!) যদি জানতে পারেন তাহলে আমরা হাত পা স্বাবাবিক ভাবে নাড়াতে পারি এবং জেগে উঠি । এ সময় কোন কিছু দেখা বা গন্ধ পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু না । কারণ মস্তিক তখন স্বপেড়বর মত দৃশ্য ‣তরি করে । এই সুযোগে অনেকে কাল্পনিক ভূত-প্রেতও দেখে ফেলতে পারেন । কারণ মস্তিক যখন অক্সিজেনের ঘাটতি হয় তখন আমরা স্বপেড়বর মাধ্যমে অস্বাভাবিক অনেক কিছু দেখতে পাই।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন