বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
গল্প/কবিতা: ৫টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৯৭

বিচারক স্কোরঃ ২.১৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

শেফালীর জীবনের এক কল্প কাহিনী

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৭

আঁধারে অন্য রূপ

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

আঁধারের উপাখ্যান

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

গল্প - ভৌতিক (সেপ্টেম্বর ২০১৭)

মোট ভোট ২৪ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৯৭ গার্ড সাহেব

বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত
comment ১৩  favorite ০  import_contacts ২৯২
হাওড়া স্টেশন থেকে মালগাড়ীটা নির্ধারিত সময়ের থেকে প্রায় ৪৫ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে । অনেকগুলি ওয়াগন ভর্তি মাল বোঝাই করে বিহারের গয়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে । মাঝপথে ভাগলপুর , সুলতানগঞ্জ , জামালপুর , কিউল স্টেশনগুলিতে অনেক ওয়াগন থেকে মাল খালাস করা হবে আর বাকি ওয়াগনগুলির মাল গয়া স্টেশনে খালাস হয়ে যাবে । মালগাড়ীর সবার শেষে গার্ডের কামরা । গার্ডের কামরা সাধারনত যেরকম হয় এই মালগাড়ীতে ঠিক সেই রকমই । ছোট একটা কেবিন আর সামনে কিছুটা খোলা জায়গা । এই মালগাড়ীর গার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন শেখর মালাকার । বয়স ৫০ এর কাছাকাছি । চেহারাটি সুন্দর আর বেশ শক্ত - সামর্থ । বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন রুটে গার্ডের দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করে এসেছেন । আজকের এই রুটেও তিনি বহুবার মালগাড়ীর গার্ড হিসেবে যাতায়াত করেছেন । প্রথম প্রথম এই গার্ডের কাজে বড় একঘেয়ে লাগতো । অনেক সময় দিনে বা রাতে জনমানবহীন জায়গায় সিগন্যাল না পেয়ে গাড়ীকে অনেকক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় অবশ্য এখন সবকিছু সয়ে গেছে । ডিসেম্বর মাসের শেষের দিক , এই সময়ে বিহারে রাত্রিবেলায় প্রচন্ড ঠান্ডা । গাড়ী নির্ধারিত সময়ের থেকে অনেকটাই লেট করে চলছে । জামালপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে কিউল স্টেশনের দিকে এগিয়ে চলেছে । বেশ কিছুটা চলার পর সিগন্যাল না পেয়ে হঠাৎ করেই গাড়ী দাঁড়িয়ে পরেছে । শেখর খুব ভাল করেই জানেন কখনো পাঁচ মিনিট আবার কখনো আধ ঘন্টার উপর এই ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে । হাত ঘড়িতে দেখলেন রাত প্রায় ১টা ৪০ । হাতে উলের গ্লাভস আর বড় মাফলারটাকে ভাল ভাবে কান , নাক আর গলায় জড়িয়ে কেবিন থেকে বেড়িয়ে খোলা জায়গায় এসে দেখলেন চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার । লাইনের পাস বরাবর ফুট চারেক মত উঁচু ঘন জংলা গাছের জঙ্গল । জঙ্গলের চারপাশে শুধু জোনাকী পোকা উড়ে বেড়াচ্ছে আর ঝিঝি পোকার ডাক । লাইনের দুপাশটা দেখে মনে হচ্ছে শুধু ফাঁকা ধান খেত , ধারে কাছে কোন জনবসতি নেই । যে জায়গায় গার্ডের কামড়াটা এসে দাঁড়িয়েছে , তার পাশেই একটা রেলের মাইল স্টোনের ফলক পোঁতা রয়েছে । চাঁদের আলোয় দেখা যাচ্ছে সাদা রঙের ফলকটার গায়ে বড় বড় করে কালো রঙ দিয়ে লেখা -- 42/302 . বাহিরে একেবারে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা , খোলা জায়গায় আর দাঁড়ানো যাচ্ছে না । শেখর তাঁর কেবিনে ঢুকতে যাবেন , হঠাৎ একটা আওয়াজে পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখেন কেবিনের খোলা জায়গাটায় একজন মহিলা ঘন ঝোপের মধ্যে থেকে লাফ দিয়ে উঠে এলো । চাঁদের আলোয় যতটুকু বোঝা গেল তাতে মনে হলো - বয়স আনুমানিক ৩০ এর কাছাকাছি । গায়ের রঙটা শ্যামলা , বেশ লম্বা আর অত্যন্ত সাস্থ্যবতী , মুখশ্রীও সুন্দর । মাথা ভর্তি ঘন কালো একরাশ চুল কোমর অবধি ছাড়া । পরনে একটা লাল রঙের শাড়ি আর মাথার সিঁথিতে আর কপালে বড় করে সিঁধুর দেওয়া । হঠাৎ করে মহিলাটিকে দেখে শেখর বেশ থতমত খেয়ে আর ভয় পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন -- আপনি কে ? এত রাতে এই রকম ভীষন ঠান্ডায় আপনি এই ঝোপ জঙ্গলে কি করছিলেন ? আপনি কি ভাবে এতখানি লাফ দিয়ে আমার এই গার্ডের কেবিনের বারান্দায় উঠে এলেন ? আপনি ভাল করেই জানেন , এইভাবে কেউ সরকারি রেলগাড়ীতে গার্ডের কামরায় উঠতে পারে না । আপনি এখুনি গার্ডের কামরা থেকে নেমে যান আর তাছাড়া গাড়ী হয়তো সিগন্যাল পেয়ে এখুনি ছেড়ে দেবে , তখন আপনি নামতে পারবেন না । মহিলাটি হিন্দি আর আধা বাংলায় কাতরকণ্ঠে শেখরকে বললো -- গার্ড সাহেব , আমি ভাল করেই জানি এইভাবে সরকারি গাড়ীর গার্ডের কামরায় উঠতে পারি না । নিরুপায় হয়েই এই কাজ করেছি । আপনাকে কথা দিচ্ছি একটা কথা বলেই আমি এখান থেকে নেমে যাবো । আমার নাম আয়েশা পন্ডিত । আমি এই জায়গা থেকে দুক্রোশ দুরে " ধানকুট্টি " গ্রামে থাকি । আপনি আমার হয়ে একটা উপকার করে দেবেন স্যার ? আপনি শুধু আমাদের বাড়ীতে গিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার স্বামীকে বলবেন -- আমাদের খুব আদরের একমাত্র ছোট ছেলেটাকে পাশের গ্রামে মজিদ দামালের চিলেকোঠার ঘরে আটকে রেখেছে আর বলবেন আমার প্রবল ইচ্ছে থাকলেও আমি আমার বাড়ীতে ঢুকতে পারছি না । রহিম মিস্ত্রি , কালু শেখ আর মাধাই পাণ্ডা এরা যেন তাদের কুকাজের জন্য চরমতম শাস্তি পায় । আমার স্বামী যেন তাদের কখনোই ক্ষমা না করে । হঠাৎ মহিলাটি অস্থির হয়ে বললো -- আপনি তাড়াতাড়ি আমার বাড়ীর ঠিকানাটা লিখে নিন । আমি এখুনি আপনার গাড়ী থেকে নেমে যাব কারন আমার হাতে আর থাকবার সময় নেই । শেখর মনে মনে ভাবলেন ঠিকানাটা লিখে আগে এই উটকো মহিলাটিকে গাড়ী থেকে বিদায় করি , যাব কি যাবনা সেতো পরের কথা । কেবিনের ভিতর থেকে কাগজ আর কলম নিয়ে বললেন -- তাড়াতাড়ি বলুন আপনার বাড়ীর ঠিকানা । মহিলাটি বললো -- তার স্বামীর নাম রোশন পন্ডিত । এখন যেখানে গাড়ীটা দাঁড়িয়ে রয়েছে , এখান থেকে দশ মিনিট গেলেই খুব ছোট একটা রেল স্টেশন -" উরেন " , সেখানে নেমে ভ্যান রিকশায় উঠে বলতে হবে " ধানকুট্টি " গ্রামে রোশন পন্ডিতের বাড়ীতে যাব । সমস্ত রিকশা চালক আমার স্বামীকে চেনে । তারাই আপনাকে আমাদের বাড়ীতে পৌঁছে দেবে । হঠাৎ বিকট আওয়াজ করে পাশের লাইন দিয়ে দ্রুত গতিতে হয়তো কোন মেল ট্রেন চলে গেল আর তারপরেই মালগাড়ীটা সিগন্যাল পেয়ে ঘটাং ঘটাং শব্দ করে চলতে শুরু করল । শেখর চিৎকার করে মহিলাটিকে বললেন -- আপনি তাড়াতাড়ি গাড়ী থেকে নেমে পরুন , গাড়ী সবে চলতে শুরু করেছে এরপর স্পিড দিলে আপনি আর নামতে পারবেন না । মহিলাটি আবারও করুনকণ্ঠে শেখরকে বললো -- গার্ড সাহেব , আমি কিন্তু আপনার ভরসায় থাকলাম । আমি যে কথাগুলি আমার স্বামীকে বলতে বললাম , আপনি দয়া করে তাড়াতাড়ি তাঁকে সেটা জানিয়ে দেবেন । এই কথা বলে চলন্ত ট্রেন থেকে এক লাফ দিয়ে নেমে অন্ধকারে ঝোপের মধ্যে নিমেষে মিলিয়ে গেল ।

তখন দুপুরবেলা , " উরেন " স্টেশনে নেমে ভ্যান রিকশায় চেপে " ধানকুট্টি " গ্রামের রোশন পন্ডিতের নাম বলতেই বোঝা গেল , রোশন পন্ডিতকে এই অঞ্চলের সবাই চেনে । স্টেশন থেকে ভ্যান রিকশায় কাঁচা-পাকা পথ ধরে আধ ঘন্টা যাবার পর একটা বড় মাঠের সামনে এসে ভ্যান চালক শেখরকে বললো -- মাঠটার শেষ প্রান্তে সাদা রঙের যে দোতলা বাড়ীটা দেখছেন , ওটাই রোশন পন্ডিতের বাড়ী । বড় বাড়ীটার সামনে এসে বোঝা গেল রোশন পন্ডিতরা এই গ্রামের অবস্থাপন্ন পরিবার । দেখে মনে হচ্ছে বাড়ীর ভিতরে কোন অনুষ্ঠান হচ্ছে । বাহিরে অনেক লোকের সমাগম , অনেকে আবার খাওয়া-দাওয়া করে বাড়ী থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছে । একজনকে রোশন পন্ডিতের কথা বলতে , সে বাড়ীর ভিতর থেকে একজনকে ডেকে নিয়ে এলো । বয়স ৩৬ কিংবা ৩৭ , সুন্দর চেহারা কিন্তু চোখেমুখে একটা বিপর্যয়ের ভাব । রোশন পন্ডিত হাতজোড় করে শেখরকে নমস্কার জানাল । শেখরও প্রতি নমস্কার জানিয়ে বললেন -- আমি কলকাতা থেকে আসছি , আপনার সঙ্গে আমার বিশেষ কিছু জরুরী কথা আছে । রোশন পন্ডিত সবিনয়ে বললো -- আপনি আমার বাড়ীর ভিতরে আসুন । বাড়ীর প্রধান দরজা দিয়ে ঢুকে বড় একটা বাঁধানো উঠোন । মাঝখানে তুলসী গাছের মঞ্চ । উঠোনের চারিদিকটা বাহারি ফুলের টব দিয়ে সাজানো । উঠোন পেরিয়ে আরো একটা বড় দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকেই বিরাট একটা হলঘর । হলঘরটার মাঝখানে সাদা চাদর দিয়ে ঢাকা একটা টেবিল রাখা হয়েছে । টেবিলটার দুপাশে রজনীগন্ধার স্টিক । ধূপদানিতে সুগন্ধি ধূপকাঠি জ্বলছে । টেবিলের উপর এক মহিলার হাসি মুখের বড় একটা বাঁধানো ছবি রাখা হয়েছে । ছবিতে বেশ কয়েকটি সাদা ফুলের মালা পরানো রয়েছে । ছবিটা এতটাই জীবন্ত লাগছে , মনে হচ্ছে ছবি থেকে হাসি মুখের মহিলাটি এখুনি হয়তো বেরিয়ে আসবে । শেখর টেবিলের উপর রাখা ছবিটার সামনে দাঁড়াতে মনে হল তাঁর সারা শরীরে যেন ইলেকট্রিক কারেন্ট বয়ে যাচ্ছে । মনে মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে - এটা কি করে সম্বব ? রোশন পন্ডিত শান্ত গলায় বললো -- এ আমার স্ত্রী - আয়েশা পন্ডিত । আজ বাড়ীতে আমার স্ত্রীর শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান হচ্ছে । শেখরের সবকিছু যেন ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে । বুঝতে পারছেন না সেদিনের রাতের ঘটনাটা রোশন পন্ডিতের সামনে কি ভাবে শুরু করবেন । প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে নিয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললেন -- আপনার স্ত্রীকে আমি চিনি , তার সঙ্গে আমার আগেই পরিচয় হয়েছে ।

শেখরের থেকে সেরাতের সব ঘটনা শোনার পর রোশন পন্ডিত চোখের জল মুছে নিয়ে বললো -- কয়েকদিন ধরে আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে চরম গন্ডগোল চলছিল । তার পরিণতি যে এই ভাবে আমার সুখের সংসারের উপর ঘটবে , সেটা আমি বুঝতে পারি নি । আমাদের একমাত্র সন্তানকে অপহরণ করা হয় । আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি আর থানাতেও জানিয়েসি , তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরাও ব্যপারটাকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন । আয়েশা আপনাকে বলে দিয়েছে আমাদের সন্তান এখন কোথায় রয়েছে । আমি এখুনি লোকজন নিয়ে থানায় যাচ্ছি আমাদের একমাত্র সন্তানকে উদ্ধার করতে । আসলে ছেলেটা ছিল আয়েশার চোখের মনি । আমার স্ত্রীকে কারা যেন সন্ধেবেলায় বাড়ীর সামনের রাস্তা থেকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করে রেল লাইনের ধারে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে যায় । আমার স্ত্রীর দেহটা যেখানে পরেছিল তার পাশেই ছিল রেলের একটা মাইল স্টোনের ফলক আর তাতে লেখা ছিল - 42/302 । আমাদের মনেও সন্দেহ হয়েছিল কারা আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে খুন করতে পারে , আয়েশাই আপনার মারফত জানিয়ে দিল সেরাত্রে কারা তাকে খুন করেছিল । আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব । আমি আমার সমস্ত রকম শক্তি দিয়ে খুনিদের বিরুদ্ধে আদালতের বিচারে দোষী সাব্যস্ত করে চরম শাস্তির ব্যবস্থা করবোই । এই বলে শেখরের হাত দুটো ধরে অঝোরে কাঁদতে শুরু করলো । একটা সময় হঠাৎই শেখরের দিকে অবাক দৃষ্টি দিয়ে বললো -- আচ্ছা গার্ড সাহেব , আমাকে একটা কথা বলতে পারেন -- আমার স্ত্রী আয়েশা পন্ডিত তো মৃত , তবে সে কি করে আপনার সামনে উপস্থিত হয়ে সেদিনের সত্যি কথাগুলি বলে দিয়ে গেল আমাকে জানাবার জন্য । এই কথা বলে মাথা নিচু করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকলো । এই কঠিন প্রশ্নের উত্তর শেখরেরও জানা নেই । মালগাড়ীর গার্ডের চাকরি করার সুবাদে বিচিত্র রকমের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে কিন্তু সে রাতের ঘটনার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে এই প্রথম আর অলৌকিকতো বটেই । দুপুর গড়িয়ে শীতের পরন্ত বিকেল , সেই রাতের ঘটনার কথা ভাবতে ভাবতে শেখর ভ্যান রিকশায় চেপে স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিল কলকাতা ফেরার ট্রেন ধরবে বোলে ।

অনুরাধার ডাকাডাকিতে শেখরের ঘুমটা ভেঙ্গে গেল । রান্নাঘরে কাজ করতে করতে অনুরাধা চিৎকার করে বললো -- ঘুমের ঘোরে কি সমস্ত বকবক করছিলে ? অনেক রাত অবধি " ভৌতিক " গল্পের বইগুলি পড়বে আর রাত ভরে স্বপ্ন দেখবে । তাড়াতাড়ি উঠে পরো ।আমার রান্না প্রায় হয়ে গেছে । তোমারতো আজ সকালে হাওড়া স্টেশন থেকে মালগাড়ী নিয়ে বিহারের গয়া যাবার ডিউটি রয়েছে ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন