বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২১ অক্টোবর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

৩.০৫

বিচারক স্কোরঃ ১.৪৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৫৮ / ৩.০

আজিজ (বি.এসসি)

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৭

মানবিকা

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৭

আঁধারের কাব্য

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

গল্প - আঁধার (অক্টোবর ২০১৭)

মোট ভোট ২১ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.০৫ অন্ধকারের যাত্রী

ম নি র মো হা ম্ম দ
comment ৮  favorite ০  import_contacts ৩৬২
কিগো বাজান খবর কি তোমার?
জ্বী বাজান ভালো! মাথা নিচু করে জবাব দেয় ফাহিম।
এয়াকুব আলী পান বানিয়ে নিজের মুখে দিতে দিতে বলল ভালো হইলেই ভালো, আইজকাল তো আর ভালো খবর শুনিনা, যা শুনি সবি দুঃসংবাদ! খারাপ খবর শুনলে মাথা আওলাইয়্যা যায়।যাক তোমার কাছ থাইক্যা তো ভালো কথা টা শুনা যায়।
ফাহিম মাথা নিছু করে তার বাবা এয়াকুব আলীর কথা শুনে যাচ্ছে আর পায়ের আঙুল দিয়ে মাটিয়ে আঁকাআঁকি করছে, এটা তার ছোট বেলার অভ্যাস! বয়স ২৫ হলো কিন্তু ছোট বেলার অভ্যাস টা আজো রয়ে গেছে!
ফহিমের চোখে রিম লেস লেন্সের মাইপিয়া চশমা! কাছের জিনীস কম দেখে! তিনমাস আগে চোখ পরীক্ষা করিয়ে চশমা আনছে। গ্রামে বের হলে চশমা পড়েনা, তার নাকি চশমা দিয়ে ঘুরতে লজ্জা লাগে!
এয়াকুব আলী এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। ছোট খাট দেহের মানুষ মাথার ঠিক মাঝখানে একটা টাক। মাথার সাইডে কিছু লম্বা চুল রাখছে,তা দিয়ে টাক ঢাকার ব্যার্থ্য চেষ্টা করেন সবসময়। খাটো মানুষ নাকি বুদ্ধিমান হয়, এয়াকুব আলীরে দেখলে বুঝাযায়। তার একজন ম্যানেজার আছে নাম সাদেক।সাদেকের ভাষ্যমতে এয়াকুব চাচার সাত ছালা বুদ্ধি। উনার বুদ্ধির লগ্যে হিটলারও ফেল মারবো! সাদেক এয়াকুবের সাথে আছে প্রায় নয় বৎসর যাবৎ। সাদেকের বাবা মরার পর বাবার জায়গায় সাদেক কাজ করে। সাদেক মরার পর তার ছেলেও মনে হয় তার পদে বসবে, এ যেন খানদানী চাকর।
এয়াকুব ফাহিমকে দমকের সুরে বলল পাও দিয়া আঁকা আঁকি বন্ধ কর। তোমার মা মরার পরে আমি নিকাহ করি নাই, কেন জানতে চাও?
জি না বাজান, মাথা নিচু করে জবাব দেয় ফাহিম।
এয়াকুব শার্টের বুতাম আটকাতে আটকাতে বলল শুনো বাজান আমার এই যে বিষয় সম্পত্তি যা আছে এর কিছুই আমি নিজে করিনাই, সব তোমার নানাজানের সম্পত্তি। তোমার মায়ের আর কোন ভাই বোন ছিলোনা। তোমার মায় আছিল একলা, আমি তোমার নানার দোকানের কর্মচারী আছিলাম, তোমার মায়ের সাথে আমার মহবত হইলো,তোমার নানাজান একদিন টের পাইয়া আমাদের বিবাহ দিলো। আমারতো ত্রিকুলে কেউ নাই। তোমার নানা আমারে আশ্রয় দিলো, আমাদের বিয়ের ছয় মাসের মাথায় তোমার নানা মারা যান। সবার ধারণা আমি উনারে ঘুমের মধ্যে খুন করছি। তোমার মায়েরও একি ধারণা ছিলো।
হঠাৎ ফাহিম বলল বাজান আমি ঢাকায় যামু কাল, একটা চাকুরীর ইন্টারবিউ আছে।
আমার কথা শুনতে তোমার ভালো লাগেনা এইড্যা আমি বুঝি, তবুও মাঝে মাঝে অনেক কথা বলতে হয় তাই বলি, সবার ধারণা আমি সম্পত্তির জন্য তোমার নানাজানরে পাগল বানায়ে খুন করছি, আসল ঘটনা কেউ জানেনা আফসোস, বড়ই আফসোস বলতে বলতে আকাশের দিকে তাকিয়ে বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো! ঢাকা যাইবা ভাল কথা আমারে মিথ্যে বলার প্রয়োজন নাই।এক মিথ্যা শত মিথ্যার জন্ম দেয়। অনেক ঢাকা থাকছো, পড়াশোনা শেষ করছো, এবার এলাকায় ফিরে আসো। বিষয় সম্পত্তির খেয়াল রাখ,আর ঢাকা থেকে ফিইরাই ব্যবসায় বসবা। আর মায়ের জন্য একটু আধটু দোয়া কইরো। মৃত পিতামাতার জন্য সন্তানের দোয়া অনেক বড় দোয়া! কথাটা মনে রাইখো, আর ভ্যবলার মতন ঘুরবানা,একটু চালাক চতুর হও। ফাহিম তার বাবার কথাগুলো সব মনযোগ দিয়ে শুনছে আর পা দিয়ে আবার মাটিতে আঁকাআঁকি করছে।

এয়াকুব আলী সাদা একটা লুঙ্গী আর ভেজা গামছা গায়ে দিয়ে রৌদ্রে বসে হাতে পায়ে সরিষার তৈল দিচ্ছে। সাদেক এক ঘন্টা ধরে বাহির ঘরে হিসেবের খাতা নিয়ে অপেক্ষা করছে। মাঝে মাঝে জানলা দিয়ে এয়াকুব আলীকে দেখছে। হঠাৎ এয়াকুব সাদেক বলে ডাক দিল,সাদেক ডাক শুনা মাত্রই সামনে হাজির হলো!
চাচাজি সাম্মালিকুম, আমারে ডাকছেন?
সালাম দেওয়াটাও আজো শিখলানা, মুসলমানের সাওয়াল হইছো কিন্তু আজো সালাম দেওয়া জানোনা।আফসোস! শুন সাদেক সালাম সুন্দর করে দিবা, এতে অনেক সওয়াব, দুই পক্ষেরই লাভ। সাদেক মাথা নিচু করে বলল জি চাচাজি ভুল করে ফেলছি। ক্ষমা দেন।
ক্ষমা দেওয়ার মালিক উপর ওয়ালা, উনার নিকট ক্ষমা চাও।
আর ফাহিমের ঘটকে কোন খবর দিছে? তারা কয় কি?
সাদেক গাল চুলকাতে চুলকাতে বলল মেয়ের বাপ মাশাল্লাহ রাজি, আর রাজি না হয়ে যাইবো কই? এমন সোনার চান পোলা আমগো।তয় চাচাজি কিছু মনে না করলে একটা কথা বলতাম।
এয়াকুব চেয়ারটা নারিকেল গাছের ছায়ায় নিয়ে বসল, শোন এয়াকুব তুমি কি বলবা আমি জানি, সবি বয়সের দোষ! এই বয়সে সবাই একটু আধটু পিরিতি করবো এটাই নিয়ম। ফাহিম ঢাকায় গেছে চাকুরীর নামে, সে ক্যান গেছে আমি জানি, পুরান প্রেম জাগান দিছে তাই জল ঢালতে গেছে, পুরান প্রেম হইলো দূর্বা ঘাসের মত জল দিলেই জাগান দিয়া উঠে।
সাদেক হিসেবের খাতা এগিয়ে দিতে দিতে বলল কি কন বুঝিনা?
তোমার না বুজলেও চলবো। তুমি তারারে খবর দেও, আমরাও রাজী যেকোন একটা দিন দেইখ্যা খবর দিমু, এক বৈঠকেই কাম শেষ করমু। বিবাহ টা দিতে পারলেই বাঁচি, চিনিনা জানিনা হাফপ্যান্ট পড়া মাইয়া হইবো আমার ছেলের বউ, ভাবতেও লজ্জা লাগে। হিসাব পরে দেখমু তুনি অহন যাও। আর বিড়ি সিগারেট খাইয়া আমার সামনে আসবানা।মুখ থেকে বদ গন্ধ বের হয়।
সাদেক বাম হাত দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বলল জি চাচাজি আমি তাইলে আসি।
আজ শাপলার বিয়ে, শাপলা অনেক সুন্দর করে সেজেছে, ফাহিম চিঠিতে যা যা বলেছে, ঠিক তার কথামত সেজেছে, পায়ে আলতা দিছে, চোখে কাজল দিছে, আজকাল মেয়েরা চোখে কাজল দেয়না, কাজলের পরিবর্তে মাশকারা দেয়, কাজলের সাথে মশকরা করতে গিয়ে মনে হয় মাশকারার আবিষ্কার। শাপলা তার মার সব গহনা পড়েছে, হাতে গাছের বাটা মেহেদী দিয়ে নকশা করে লিখেছে ফাহিমের নাম। সাথে একটা সুটকেস আর হাত ব্যাগ নিয়ে ২ ঘন্টা ধরে এয়ারপোর্ট স্টেশনে বসে আছে, লোকজন যাচ্ছে আর তার দিকে তাকিয়ে আছে। কি বিচ্ছিরি ব্যাপার! এরকম ঘটনা তার জীবনে এই প্রথম, তাও পালিয়ে এসে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত।এখন নিজের উপর তার খুব রাগ লাগছে, বাসায় গেলে বাবা জ্যান্ত পুঁতে ফেলবে,শাপলা কি করবে কিছু বুঝতে পারছেনা! এতক্ষণ তো লাগার কথা না। তার কাছে কোন ঠিকানাও নেই, ফাহিম ঢাকায় যে মেসে থাকতো সেই মেসে একটা খুঁজ নিলে কেমন হয়। ফাহিমের খুঁজে শাপলা ফাহিমের মেসে গেলো। মেসের সব বর্ডার নতুন,কাউকে সে চিনেনা। আগে যারা ছিলো সবাই তাকে চিনতো। এই মেসে ফাহিমের সাথে সে অনেকবার এসেছিলো। আগে যারা ছিলো সবাই পড়াশোনা শেষে মেস ছেড়ে দিয়ে আলাদা আলাদা বাসা নিছে। সে ফাহিমের বাড়িওয়ালীর সাথে দেখা করতে গেলো, বাড়িওয়ালী মহিলা অনেক ভালো, ফাহিম তার ছোট ছেলেকে অনেকদিন পড়িয়েছে, সে শাপলাকে দেখা মাত্রই চিনতে পারলো। মহিলা তাকে দেখা মাত্রই আরে কি খবর?
শাপলা নিচু গলায় বলল জ্বী ভালো।
বাড়িওয়ালী বলল আসো আসো ভীতরে আসো।শাপলা বাড়িওয়ালী কে সব খুলে বলল, আরে এতে চিন্তার কি আছে,আমার কাছে স্যারের বাড়ির ঠীকানা আছে,আমি দিয়ে দিচ্ছি। তুমি কিছুক্ষণ রেস্ট নাও। খাওয়া দাওয়া করে পরে যেও। আমি তোমাকে স্টেশনে পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করছি।শাপলা কিছু বলছেনা সে মাথা নিছু করে কাঁদছে। কান্নার জলে কাজল মুছে কাজল ধোয়া ছাপ পরে গেছে গালে।
নজরুলের ভাষায় বলতে গেলে "নহে নহে প্রিয়,এ নয় আঁখিজল।"
ফাহিমের স্টেষনে পৌঁছতে অনেক দেড়ী করে ফেললো, বাড়ি থেকে স্টেশন ২০ মাইল দূরে, রাস্তা খারাপ থাকায় ভেঙে ভেঙে আসতে হলো এর মধ্যে ট্রেন চলে গেছে। ফাহিম বুক পকেট থেকে মায়ের ছবিটা বের করে কিছুক্ষণ দেখে আবার পকেটে ঢুকিয়ে রাখলো।এদিকে তার বাবার কথাগুলোও খুব মনে পড়ছে, সে জানে তার বাবা তার মাকে কতখানি ভালবাসতো, আজো গভীর রাতে মায়ের ছবি হাতে বসে বসে ভাবে ,আর তার দু'চোখ বেয়ে ভালবাসা গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে। আজ আর ঢাকাগ্রামী কোন ট্রেন নেই। ট্রেন আসতে আসতে আবার কাল ভোর চারটায় আন্তঃনগর এক্সপ্রেস। ফাহিম কয়েকবার ফ্লাট ফর্মের এদিক ওদিক ছোটাছুটি করলো। না আর ট্রেনের আশা করে লাভ নেই, ক্লান্ত হয়ে ফ্লাটফর্মের কোনায় এক বেঞ্চিতে ব্যাগটা কুলে নিয়ে বসে রইলো। দূরে দাঁড়িয়ে বয়স্ক হাল্কা দাঁড়ীওয়ালা এক লোক সব লক্ষ্য করছে, আশে পাশে আর কোন মানুষজন নাই। লোকটা ফাহিমের কাছে এগিয়ে এসে বলল কি ট্রেন মিস করছেন? চিন্তা করার কি আছে বাসে করে চলে যান,ভালো গেইটলক গাড়ী দেখে উঠে পড়েন। তাড়াতাড়ি পৌঁছে যাবেন। ফাহিম কোন জবাব দিলোনা, সে ব্যাগটা কুলে নিয়ে শক্ত হয়ে বসে রইলো।ফাহিম বাসে চড়তে পারেনা, বাসে উঠলেই গা ঘুলায়, মাথা ঘুরায় বমি আসে।লোকটা বললো চা খাবেন ইয়ংম্যান? চলেন সামনে একটা চায়ের দোকান আছে, চাইলে আসতে পারেন।আমি ও ট্রেন ফেল করেছি, দুজনে বসে গল্প করে সময়টা কাটিয়ে দেয়া যাবে।।ফাহিম লোকটার পিছনে পিছনে একটা চায়ের দোকানএ গেলো। চা দোকানী দুজনকে দুকাপ চা দিলো। লোকটি বলল কি হলো ইয়ংম্যান কোন কথা বলছেন না যে? শুনেন আমার একটা ছেলে ছিলো, আপনার মতো।
ফাহিম বলল ছিলো বলছেন কেন এখন কোথায়? লোকটা পরিত্যক্ত কয়েকটা রেলের ডাব্বার দিকে তাকিয়ে রইলো, মফস্বল এলাকায় সাধারণত পরিত্যক্ত ডাব্বা খুব একট চোখে পড়েনা,কিন্তু এখানে অনেকগুলো ডাব্বা! হঠাৎ লোকটি বলল শোন বাবা! কিছু মনে করোনা তুমি বলে ফেললাম, এই রেল লাইন দিয়ে কত মানুষ যায় কত মানুষ আসে তাদের আপন জন নিয়ে,আমার আপন জন ফিরে আসেনা।বলতে বলতে লোকটির চোখে অশ্রু চলে আসলো। লোকটি চোখের জল মুছতে মুছতে বলল একান্ত ব্যক্তিগত কথা বলে ফেললাম কিছু মনে করোনা। ফাহিম বললো আপনার ছেলের কি হয়ছ্যে? লোকটি বলল আবার যদি দেখা হয় কখনো সেইদিন বলব! চা শেষ করার পর পরেই লোকটি চলে গেলো।
ফাহিমের লোকটির ছেলের গল্পটা খুব শুনতে ইচ্ছে করছে। এদিকে শাপলার জন্য তার খুব খারাপ লাগছে, আজ তাদের বিয়ে,এই কথাটা সে আর শাপলা ছাড়া কেউ জানেনা, তার বাবা শহুরে মেয়ে পছন্দ করেনা, শহুরে মেয়েরা নাকি সংসারী হয়না, কিন্তু শাপলা একদম আলাদা একটা মেয়ে, একটা ভালো মেয়ের যতসব গুন থাকা দরকার সব তার মাঝে আছে। সে আর কিছু ভাবতে পারছেনা তার সামনের যা কিছু আছে সব জাপসা হয়ে আসছে, অন্ধকারে যেন চারপাশ ছেয়ে গেছে, ফাহিম এর মধ্যে একবার বমি করলো,মনে হচ্ছে নাড়িবুড়ি মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে। ফাহিমের বুক পকেট থেকে মায়ের ছবিটা মেঝেতে পড়ে গেলো। মাথার ভীতরে ট্রেনের হুইসেল বাজছে।সে যেখানে বসেছিলো সেখানেই কুন্ডলী পাকিয়ে শুয়ে পড়লো।তার মনে হচ্ছে অন্ধকারের ভীতর থেকে একটা ট্রেন ছুটে আসছে, সে ট্রেনে উঠার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে, ভীড়ের মধ্যে থেকে একটা হাত তার দিকে এগিয়ে দিলো, এই হাতটা তার প্রিয় চেনা একটা হাত!সে হাতটা ধরতে চাইলো, কিন্তু তার আগেই ট্রেনটা চলে গেলো। হুইসেল বাজাতে বাজাতে ট্রেনটা মিলিয়ে গেলো অন্ধকারে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মোঃ মোখলেছুর  রহমান
    মোঃ মোখলেছুর রহমান ভাগ্যিস শাপলা কোন বিপদে পরেনি, তবে পড়লে অন্ধকারটা আরও ঘনীভূত হত ।শুভ কামনা ।
    প্রত্যুত্তর . ১৩ অক্টোবর
  • সেজান খন্দকার
    সেজান খন্দকার শুরুটা খুব ভালভাবেই করেছিলেন, শেষটা আটকানোর চেষ্টাও করেছিলেন খুব। হয়েছেও ভাল। অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
    প্রত্যুত্তর . ১৪ অক্টোবর
  • মৌরি হক দোলা
    মৌরি হক দোলা শেষ হয়ে হঈল না শেষ....প্রথম অংশ খুব ভালো লেগেছিল, এক কথায় অসাধারণ। কিন্তু শেষের দিকটায় কিছুটা মনক্ষুণ্ন হয়েছি। তবুও বলব খুব ভালো হয়েছে।
    প্রত্যুত্তর . thumb_up . ২৫ অক্টোবর