বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ মে ১৯৯৫
গল্প/কবিতা: ১০টি

সমন্বিত স্কোর

২.৬

বিচারক স্কোরঃ ০.৬৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯৫ / ৩.০

রমণীর ছোঁয়া

রমণী ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অধরা বাবার ছায়াপথ

স্বপ্ন জানুয়ারী ২০১৮

নীলাভ কষ্ট

প্রশ্ন ডিসেম্বর ২০১৭

গল্প - ঋণ (জুলাই ২০১৭)

মোট ভোট ২৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৬ একজন অদম্য মায়ের স্বপ্ন

নূরনবী
comment ৪  favorite ০  import_contacts ২৫৫
প্রথম আলোর ‘ছুটির দিনে’ কোন এক নারী কর্মকর্তার সাফল্যের জীবনী পড়েছিলেন একজন মা। এরপর নিজের মাঝেও একটা স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন তিনি। গার্মেন্টসের চাকুরী ছেড়ে একটু বাড়তি উপার্জনের জন্য নিজেই বসেন চায়ের দোকান দিয়ে।তার স্বপ্ন তার মেয়ে তুলিও একদিন বড় অফিসার হবে। তার ছবিও পত্রিকায় ছাপা হবে।তার মতে, সেই দিনটার জন্য তিনি অদম্য পরিশ্রম করে যেতে চান এক নাগাড়ে। এই মায়ের পরিবারের সদস্য বলতে তিনি এবং তার মেয়ে তুলি। থাকেন মোহাম্মাদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের পাশে একটা বস্তিতে। সেদিন ওনার দোকানে দাড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম। তার সাথে কথা প্রসঙ্গে জানতে পারলাম তার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা। তুলিও তখন দোকানে। বয়স ৮-৯ বছর হবে। সে মায়ের পাশে বসেই বই পড়ছে। মা’ও চা বানানোর ফাঁকে ফাঁকে মেয়েকে একটু পড়া দেখিয়ে দিচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম ওকে দোকানে এনেছেন কেন?
বললো- কি করমু মামা, বাসায় তো কারেন্ট নাই। তাছাড়া কার কাছেই বা রাইখা আমু।
জানতে চাইলাম ওর বাবা কোথায় থাকে।
বললো, বিদেশ যাওনের নাম কইরা পাঁচ বছর আগে আমগো ছাইড়া গেছে আর কখনো খোঁজ নেয় নাই। এহন এই মাইয়া’ই আমার সব
তিনি বললেন, মামা আমার তুলির লাইগা দোয়া কইরেন। আমি অরে অনেক বড় অফিসার বানামু।
কথাটা শুনে এই মায়ের জন্য শ্রদ্ধায় বুকটা ভরে গেলো। এমন মায়েদের কাছে আমাদের মত সন্তানরা সারাজীবন ঋণী। যে ঋণে ভর করেই আমরা সভ্য নাগরিক হয়ে উঠি সমাজের বুকে।
হুম খালা দোয়া করি, আপনার কষ্টের ফল একদিন তুলি নিয়ে আসবে, ইনশাহ-আল্লাহ। সত্যি সত্যি তুলি একদিন অনেক বড় অফিসার হবে।
চা শেষ করে ১০০ টাকার একটা নোট বের করে দিলাম।
খালা বাকিটা রাইখা দেন তুলিকে কলম কিনে দিয়েন।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন