বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৫ জানুয়ারী ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ৩টি

কবিতা - কামনা (আগস্ট ২০১৭)

সাধ

এইচ এম মহিউদ্দীন চৌধুরী
comment ৬  favorite ০  import_contacts ৩৬
এক ছুটির দিবসে মনের হরসে,
বেরিয়ে পড়ি জঙ্গলে যাবার মানসে।
হাঁটতে হাঁটতে সেই গহীন জঙ্গলে-
গেলাম একাকী যেথা, হৃদয় হিল্লোলে।
ঘুরে ঘুরে দেখি সেথা বৃক্ষ নানারূপ,
সবুজ পত্রালী আহা! কি যে অপরূপ!!
.
দেখতে দেখতে এলো রোদেলা দুপুর,
তখন শুনি একটি মিষ্টিময় সুর।
যে সুরে বাজে নুপুর ঝুমুর ঝুমুর,
কোথা থেকে আসছে এ মোহময় সুর?
জাদুময় শব্দ কেন এ গহীন জঙ্গলে?
ভাবতে ভাবতে ভয় পাই নিজ মনে।
.
চোখ বুলিয়ে তখন খুঁজি চারপাশে,
দেখি দুই জ্বীনপরী নাচছে উল¬াসে।
দেখে জ্বীনপরী আমি ভয়ে যেন মরি,
আস্তে আস্তে সরে যাব এ সিদ্ধান্ত করি।
পিছনে ফিরতে গিয়ে গাছে ধাক্কা লাগে,
শব্দ শুনে জ্বীনপরী এলো বায়ু বেগে।
.
মোর নাকে রক্ত দেখে বললো আমাকে,
‘হে মানুষ আঘাত কে করলো তোমাকে?
একথা শুনে, সাহস পাই নিজ মনে,
বলি, আঘাত করেনি মোরে কোন জনে।
আপনাদের ভয়ে যাচ্ছিলাম পালাতে,
গাছের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ি মাটিতে।
.
এবার, দু’জনে মোর দুই হাত ধরে,
উড়িয়ে নিল তাদের নিজেদের ঘরে।
ছ’দিনান্তে বলি ভাল হলো মোর ক্ষত,
ধন্যবাদে করছি যে শির অবনত।
আমায় পৌছিয়ে দিন সেই জায়গায়,
মোর কথা শুনে ওরা বলে, ‘ঠিক তাই’।
.
তখনি দু’হাত ধরে নিজ ডানা মেলে,
নিয়ে এলো অতি দ্রুত গহীন জঙ্গলে।
শেষে বলে-‘যাও আর নেই কোন ভয়,
এভাবে কেবল ওরা দিচ্ছিল অভয়।
বলি, আপনারা করে গেলেন যে সেবা,
যেরুপে করতো মোর মাতা-বাবা।
.
শুভ হোক আপনাদের বাকী জীবন,
এই প্রার্থনাই করি যে আমি এখন।
উড়ে গেল তারা দিয়ে মোরে ধন্যবাদ,
ভাবি, পূর্ণ হলো মোর বনে যাওয়ার সাধ।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • Md. Abu bakkar siddique
    Md. Abu bakkar siddique ইচ্ছে গুলো এমনি।শুভকামনা রইল
    প্রত্যুত্তর . ৭ আগস্ট
  • এস এম নূরনবী সোহাগ
    এস এম নূরনবী সোহাগ আহ কবিতাটার প্রেমে পরে গেছি। ভোট দিতে আমি বাধ্য
    প্রত্যুত্তর . ১৩ আগস্ট
  • গোবিন্দ বীন
    গোবিন্দ বীন তখনি দু’হাত ধরে নিজ ডানা মেলে,
    নিয়ে এলো অতি দ্রুত গহীন জঙ্গলে।
    শেষে বলে-‘যাও আর নেই কোন ভয়,
    এভাবে কেবল ওরা দিচ্ছিল অভয়।
    বলি, আপনারা করে গেলেন যে সেবা,
    যেরুপে করতো মোর মাতা-বাবা।ভাল লাগল,ভোট রেখে গেলাম।কবিতা পড়ার আমন্ত্রন রইল।
    প্রত্যুত্তর . সোম ৯:০৭ অপরাহ্ণ