বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮৯
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৩৫

বিচারক স্কোরঃ ১.৭৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬ / ৩.০

কিসে এত ভয়!

ভৌতিক সেপ্টেম্বর ২০১৭

মেঘমালার পিছে

কামনা আগস্ট ২০১৭

ঋণের বোঁঝা

ঋণ জুলাই ২০১৭

কবিতা - নগ্নতা (মে ২০১৭)

মোট ভোট ১৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৩৫ নগ্নতা

বকুল বকুল
comment ১৫  favorite ১  import_contacts ৩৬৮
বাবা একমাত্র তুমি আর মা কেঁদেছিলে সেদিন ,
যে দিন আমায় ঘর থেকে বের করে দিয়েছিল ওরা।
আমার বুকের ভিতরে পাথর চাপা কষ্ট একমাত্র তোমরাই অনুভব করেছিলে,
কিন্তু বলতে পারো নি কিছু একটা ভেবে !
দূর্বলদের প্রতি টান সবারই থাকে, কিন্তু তোমাদের একটু বেশিই ।
আমার প্রতি তোমাদের টান ছিল, ভালোবাসার টান, সন্তানের টান, দূর্বলতার টান ।
বাবা অবহেলার পাত্রী হিসেবে একজনই করতো আমায়,
গরিমায় পা মাটিতে রাখা যেমন মুশকিল !
সেই রকম কিছু একটা আমার মাঝে বোধহয় ছিল।
কিন্তু আমি বুজতাম তা
কেউ একজন বলেছে আমায়।
জান তো বাবা পৃথিবী আর আমি সম্পুর্ন আলাদা,
আমি কেন জানি পৃথিবীটাকে ভালবাসতে পারছি নে,
আর পৃথিবীর মানুষ তো দূরে থাক।
আমার একাকিত্ব, আমার সরলতা ওরা এমন ভাবে ব্যবহার করছে
তখন মনে হয় এক একটা ক্ষুধার্ত কুকুর।
মাংসের উপর হিংস্র নঁখের আঁছড়ে কালো কালো চোপে,
এযেন কোন এক অভিশাপের কলঙ্কে
মুড়ানো আমার ধবধবে সাদা দেহ।আমার ধবধবে সাদা শরীরে নরপশুর নখের এক একটা আছঁড়ে
তুলতুলে মাংসপেশি খান খান করে দিয়েছে ।
জান তো বাবা, ওরা কুকুরের মত হাড়গুলোও কামড়াতে বাকি রাখেনি।
খুব ব্যথা আর অসহ্য যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকি তখন।
কিন্তু কেউ শুনে না আমার অসহ্য যন্ত্রনার কথা, আমার হা হা কার
আমার করুন চিৎকার।
জান তো বাবা একসময় যে তুমি ভয় পেতে কি করে একা থাকবো সেই ভয়টা আর করো না
জানো কেন?
কারণ ওরা এখন আমায় একা থাকতে দেয় না বাবা ।
ওই শয়তান গুলো
প্রতিদিন প্রতিরাতে আমায় ব্যবহার করে,
আমার পরিধেয় শরীর নগ্ন করে
ক্ষুধার্ত কুকুরের মতো ঝাঁপিয়ে পরে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন