বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ অক্টোবর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ৭টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৫৪

বিচারক স্কোরঃ ১.৯৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬ / ৩.০

আলোর অপেক্ষায় ..........

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

অভিশপ্ত সময়ের মুখোমুখি

ভৌতিক সেপ্টেম্বর ২০১৭

প্রণয় ঋণ

ঋণ জুলাই ২০১৭

গল্প - অবহেলা (এপ্রিল ২০১৭)

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৫৪ অবহেলার শব্দাবলীতে নগ্ন বাস্তবতা

রংতুলি
comment ৮  favorite ০  import_contacts ১৯৪
(১)
এখন রাত ৩.১০ মিনিট। প্রকৃতি গভীর ঘুমে আছন্ন। ভাবছি, গল্পটা শেষ করে, আমিও ঘুমিয়ে যাব, মিশে যাব প্রকৃতির একাত্মে।

'এই পৃথিবীতে এতদিন একজনকে অবলম্বন করে বেঁচে ছিলাম, আজ তাই সবকিছু ছেড়ে অপেক্ষা করবো ওপারে। মানুষ মৃত্যুর সময় মিথ্যা কথা বলে না। বিশ্বাস করবে কি না জানি না, তুমি একটু চোখের আড়াল হলে যন্ত্রনার যন্ত্রনা কতটুকু তা আমি বুঝেছি। আমার জীবন কাহিনী আজকের পর তোমাকে আর শুনতে হবে না। সবকিছু এখানেই শেষ হয়ে গেল। ওপারের অপেক্ষায় থাকলাম।’

এ কথাগুলো মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুঞ্জয়, পাশের গ্রামে তার ভালবাসার মেয়ে নিহারীকার উদেশ্যে লিখেছিল। যেটা সুইসাইড নোট হিসাবে পুলিশ আমলে নেয়।
(২)
পড়ানোর সুবাদে মৃত্যুঞ্জয়ের পরিচয় হয় নিহারিকার সাথে। অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মৃত্যুন্জয়, নিহারীকার প্রাইভেট টিউটর ছিল। খুব লাজুক স্বভাবের মৃত্যুঞ্জয়, ছাত্র হিসাবে বেশ ভাল ছিল। সর্বদা লেখাপড়ার মধ্যে ডুবে থাকত। জন্মাব্দি পিতা হারা মৃত্যুঞ্জয় ছিল তার মায়ের একমাত্র বেঁচে থাকার অবলম্বন। সেন বংশে জন্ম নেওয়া ছেলেটার, সেন উপাধি কেবল তার পূর্বপুরুষ গণের বিত্ত-বৈভবেরই প্রকাশ! সহায়-সম্বলহীন পরিবারে বেড়ে ওঠা মৃত্যুন্জয়ের শৈশবটা কেটেছে সীমাহীন দরিদ্রতার ভেতর। দুবেলা দু-মুঠো খাবার জোগাড় করার সামর্থ্যও ওর বিধবা মায়ের ছিলনা। পড়ালেখার শুরুর সময় থেকে মৃত্যুন্জয়ের মেধার পরিচয় মেলে, যার কারনে স্কুল কিংবা কলেজে ও বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ, সাথে অন্যান্য সুবিধাদিও পেত । যার ফলশ্রুতিতে, মৃত্যুঞ্জয় টিউশনি করে পারিবারিক খরচ তথা অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা করত।

(৩)
ইন্টারমিডিয়েট ১ম বর্ষে পড়া নিহারীকাকে মৃত্যুন্জয় ইংরেজি পাঠদান করাত যা দিনে দিনে মেয়েটার কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে। অল্পদিনে চঞ্চলমতি মেয়েটা, মৃত্যুন্জয়ের সাথে আলাপচারিতায় মুখোর হয়। মৃত্যুন্জয়ের লাজুকতা বা তার তেল চিটচিটে চুল নিয়ে মেয়েটির মুখে হাসি রহস্য লেগেই থাকত। কখনও আবার মৃত্যুন্জয়ের পুরনো ফ্রেমের চশমাটা নিয়ে বলত, স্যার এ চশমাটা বোধ হয় সেন যুগে তৈরি। লক্ষন সেন বুঝি আপনার বংশধর ছিলেন? মৃত্যুন্জয় হাসত, কিছুই বলত না।

দিনে দিনে মেয়েটির দুরন্ত ছেলেমিপনায় মৃত্যুন্জয়, নিজের মধ্যে তার প্রতি বিন্দু বিন্দু মোহাঞ্জন উপলব্দি করে। কখনো ও মেয়েটিকে নিয়ে ভাবে, আবার কখনো ডালপালা বিহীন ভাবনা গুলো বাতাসে উড়িয়ে, নিজের পরাবাস্তবতায় ফিরে আসে।
(৪)
সময়ের পরিক্রমায়, দুরন্তপনায় অভ্যস্ত মেয়েটি, ধীর স্থিরতার মধ্যে প্রবেশ করতে থাকে। মৃত্যুন্জয় লক্ষ্য করে, নীহারিকা আগের মত তার সাথে আর কৌতুক করেনা। চপলালক্ষ্মীর মত কি যেন অন্তহীন ভাবে। কখনও তার দীর্ঘশ্বাসের উষ্ণ বাতাস, মৃত্যুন্জয়কে নাড়া দিয়ে যায়। মৃত্যুঞ্জয় সবটা বোঝে। কিন্তু ভাললাগা-ভালবাসার এই মায়া জালে জড়াতে, তার মন কোনভাবে সায় দেয়না। তার রুঢ় বাস্তবতায়, এ যে এক উচ্চ বিলাসি স্বপ্ন ছাড়া, ভিন্ন কিছু নয়। যেখানে নীহারিকা বনেদি স্বর্ন ব্যবসায়ী পিতার একমাত্র কন্যা, সেখানে মৃত্যুন্জয়ের চরম দরিদ্রতার সাথে নিত্য বসবাস।

অল্পদিনে নীহারিকার অভিসারী মন, মৃত্যুন্জয়ের প্রতি আরও বেশী দূর্বল হয়ে পড়ে। মেয়েটির অপ্রকাশ্য অভিব্যপ্তে, বইয়ের পাতা, জলের গ্লাস, পুষ্করিণীর অথই জল, দূর দৃষ্টসীমানা কিংবা কল্পলোকে, সর্বত্র মৃত্যুঞ্জয়ের মুখোচ্ছবি, তাকে যেন অহর্নিশ আবর্তিত করে চলেছে।

মৃত্যুন্জয় লক্ষ্য করে মেয়েটা পড়ার টেবিলে বসে, আজ-কাল ক্ষনে ক্ষনে উদাসি কবির মত তার দিকে চেয়ে থাকে। অভিমানি মেয়ের মত, বড় বেশী অভিমান তার চোখে মুখে। মৃত্যুন্জয়ের কোন কারনে পড়াতে যেতে দেরি হলে, মেয়েটা মন খারাপ করে বসে থাকে। মৃত্যুন্জয় ইদানিং মেয়েটার পড়াশোনায় উদাসিনতা বুঝতে পারে। ইংরেজি খাতায়, রোমান্টিক বাংলা কবিতা লেখার চেষ্টাও, মৃত্যুন্জয়ের চোখ এড়িয়ে যায় না।

দিনে দিনে মরা নদীর পাড়ের এ ছিপছিপে মেয়েটির ভালবাসার অভিমানি আঘাত মৃত্যুন্জয়ের মনকেও ক্রমশ দূর্বল করে। সরল জীবন বোধে বিশ্বাসী মৃত্যুঞ্জয়, এই বক্র জীবনের প্রবল চাপ সামলাতে ক্রমশ ডুবে যেতে থাকে, অন্তহীন চিন্তার সমুদ্রে।
(৫)
সময় মানুষকে পরিপক্ব করে তোলে। মৃত্যুন্জয় উপলব্দি করে, তার মাঝে মৌ বনের গোপন কুঠরি রচিত হচ্ছে। ভালবাসা,ভাল লাগা সেখানে গোপনে তাকে বেঁধে ফেলছে। ভাবনার অলি-গলিতে আজ শুধু নীহারিকা, আর নীহারিকা।

মৃত্যুঞ্জয় শেষ পর্যন্ত মেয়েটির ভালবাসার কাছে হার মানে। নীহারিকার চোখ, মুখ এমন কি দেহে বিচ্ছুরিত হত ভালবাসার লক্ষণগুলি। আর ক্রমে ক্রমে মৃত্যুঞ্জয় সে ভালবাসার গ্রহনমুখে নিজেকে ঠেলে দেয়।

একান্তেই ওরা দুজন দুজনার মাঝে বসবাস শুরু করে। সেদিন ছিল ভালবাসার নীরবতা পালন--গভীর দর্শনে একে অন্যকে চিনে নেওয়া। যেন কোন তপ্ত দিবসের মাঝে হঠাৎ হিমেল কুয়াশার ছুঁয়ে যাওয়া। না, তখনও প্রজাপতি, মৌমাছির ফুলের মধু শুষে খাবার সময় আসে নি। ভাল লাগার মগ্নতায় ভালবাসার জন্ম নিচ্ছিল।

মৃত্যুন্জয়ও দেখেছে, কখনও মানুষ নিজের উপলব্দির থেকেও বেশী কিছু পায়। দিন-রাতের ভালবাসায় কোন পার্থক্য আসে না। স্বপ্নালু চোখের ভাষা দুটি মনের একই অভিব্যক্তিতে রূপ নেয় । তাই তো মৃত্যুন্জয়ের রাতের ঝর্ণা কিংবা পূর্নিমার চাঁদকে পূর্বের মত ভালো লাগত না। আজ মৃত্যুন্জয়ের মনে হয়, ঝর্ণার রূপ যতটা না তার চেয়ে প্রসাধনী চমক তার অনেক বেশী। কিংবা পূর্নিমার চাঁদটা বড় বেশী নিজের সৌন্দর্য প্রদর্শনে ব্যাস্ত।


সময়ের গড়িয়ে যায়, ওদের অভিসারি মন দুটি স্বপ্ন বিলাসি হয়ে ভাসতে থাকে, নিত্য নতুন স্বপ্নের মাঝখান দিয়ে। কখনও ওরা ঘর সাজায়, আবার কখনও মৃত্যুঞ্জয় অল্পতে অভিমানি মেয়েটার অভিমান ভাঙ্গাতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তৃষ্ণার আগুনে জ্বলে জ্বলে দুটি মন, সমস্থ নৈরাশ্যবাদিতাকে ঠেলে দেয় পায়ের নরম মাটির তলে। সপ্তরঙ্গা পরিকল্পকের মাঝে, ওদের দিন গুলো এভাবে এগিয়ে চলে।
(৬)
এরই মধ্যে ওদের জীবনে ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিপত্তি। যা চলতি ঘটনা প্রবাহকে ক্রমশ বিপরীত ধারায় ঠেলে দিতে থাকে। যেখানে, নীহারিকার মা, মৃনালিনী দেবী, মেয়ের ঘর পরিস্কার করতে গিয়ে, মৃত্যুন্জয়ের উদেশ্যে, নীহারিকার লেখা একখানা চিঠি হাতে পায়। যেখানই সে মেয়ের চালচলন পরিবর্তনের ভাল ব্যাখ্যা পেয়ে যায়। প্রথম দিকে, বিভিন্নভাবে মেয়েকে বুঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটা, মৃত্যুন্জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারেনা। খুব অভিমানি একমাত্র মেয়ের প্রতি মৃনালিনী দেবী বেশী জোরাজুরিও করতে পারেনা।

সময় এগিয়ে চলে, মৃত্যুন্জয় অনার্স শেষ বর্ষের ফলাফলে কৃতিত্বতার সহিত উত্তীর্ণ হয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হয়। তার দুমাস পরে বের হয় নীহারিকার ইন্টারমিডিয়েটের ফলাফল, যেখানে মেয়েটা আশানুরূপ রেজাল্ট করতে পারেনি। মেয়ের খারাপ রেজাল্টের জন্য মৃত্যুন্জয়কে কাঠগড়ায় দাড় করায় ওর বাবা-মা। মৃত্যুঞ্জয়, রেজাল্টের খবর জানতে গিয়ে, ওর বাবা-মায়ের কাছে চরমভাবে অপদস্থ হয়।

এরূপ পরিস্থিতিতে, অনেকদিন কেটে যায়, মৃত্যুন্জয়ের সাথে নিহারীকার কোন যোগাযোগ নেই। অনেক চেষ্টাচরিত্র করার পরও ওর সাথে দেখা করার কোন উপায় খুজে পায়না মৃত্যুন্জয়।

(৭)
এক কালো মেঘের বৈশাখী সন্ধ্যায়, কোনভাবে মৃত্যুন্জয় আর নিজকে ধরে রাখতে পারেনা। নীহারিকার জন্য ওর মনটা বড় ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। চরম অস্থিরতায়, বেপরোয়া জেদ, ওর মাথাটাকে যেন চিবিয়ে চিবিয়ে খাচ্ছে। মৃত্যুন্জয় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, আজ যদি মৃত্যুও ওর সামনে এসে দাড়ায়, যদি কালবৈশাখীর ঝড়ো বাতাসে সমস্থ বৃক্ষ ভূপাতিত হয়ে রাস্তা বন্দ হয়ে যায়, যদি বজ্রফলাও আজ ওর শরীর বিদ্ধ করে, তবুও মৃত্যুন্জয় আজ নীহারিকার সাথে দেখা করবেই। সমস্থ ভয়ভীতি, লজ্জ্বা, ঘৃনাকে পদদলিত করে মৃত্যুন্জয় এগিয়ে চলে নীহারিকার বাড়ির উদেশ্যে। পায়ে পায়ে, ও নীহারিকার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছয়ে দেখে, দোতলা বাড়িটির সর্বত্র আলোকসজ্জায় সজ্জিত। অস্পষ্ট বাজনার শব্দও ওর কানে আসে। মৃত্যুন্জয় কিছুই ঠাওর করতে পারেনা। সামনে এগিয়ে যায়, অনেক লোকের সমাগম, গেটে বড় বড় অক্ষরে লেখা 'নীহারিকার শুভ বিবাহ'। মৃত্যুন্জয় নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেনা। ভীড় ঠেলে, গেটের ভেতরে ঢুকে, দুরদৃষ্টিতে দেখে সত্যিই নীহারিকার আজ বিয়ে, ওর যে "সাত পাক চলছে" ওর এক অভালবাসার পুরুষের সাথে! ও বারবার দেখে, আর ভাবে, তার ভালবাসার নীহারিকা কেমন করে, তাকে দূর্বোধ্য অন্ধকারে ঠেলে, অন্যের ঘরের আলো হতে বিদায় নিচ্ছে। নিজের হৃদপিন্ড ছেড়া অশ্রুধারা অবিরত ওর দুচোখ থেকে গড়িয়ে পড়ে। শুধু ভাবে নিহারীকার এ কেমন অলৌকিক বিদায়!

মৃত্যুন্জয়ের অপাপবিদ্ধ হৃদয়টা হঠাৎ যেন দুষ্ট ভাবনার যাত্রী। ও আজ চায়, কাল বৈশাখির ভয়ানক আচরনে, যেন নীহারিকার সাত পাক থেমে যায়। বৃষ্টি জলের বন্যায় সব তলিয়ে যায়। লন্ডভন্ড হয় সমস্থ বিদ্রোহী কাঁটাতার।

মৃত্যুন্জয়ের ভাবনায় ছেদ পড়ে। ও বাড়ির পথে রওনা হয়।

(৮)
কষ্টের সাতকাহনে, মৃত্যুন্জয়ের দেহ পিঞ্জরে আজ শুধুই শূন্য পাখির হাহাজরি। জরা ব্যাধের তীর যেন ওর হৃদপিন্ডটাকে ছিন্ন-বিছিন্ন করেছে আর বেদনার শকুনগুলো তা উন্মাদের মত কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। গন্ধহীন জীবনের বিকলাঙ্গতা, শুষে নিচ্ছে, ওর সমস্থ জীবনীশক্তি। বেদনার তীব্র হলাহলে, বেঁচে থাকার অর্থহীন ভাবনা ওকে যেন ক্রমশ গিলছে।

'টবের যত্নে লালিত গোলাপ কখনও বুঝবেনা, কি অমায়িক বাস্তবতায় জংলি ফুলের জীবন কাটে'।

সকালে মৃত্যুন্জয়ের বাড়িতে অনেক লোক, ওর বৃদ্ধা মায়ের আহাজারিতে, আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নেমেছে। কিন্তু এই মামুলি বৃষ্টির এত ক্ষমতা নেই, যে ওর মায়ের চোখের জল ধুয়ে দেবে। পুলিশ এসে মৃত্যুন্জয়ের নিথর দেহ, ওর বাড়ির পেছনের তেঁতুল গাছ থেকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে আসে, গত রাতে, ওই তেতুল গাছে মৃত্যুন্জয় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ অধিকতর তদন্তের সুত্র ধরতে, মৃত্যুন্জয়ের ঘর সার্চ করে, একটা ডায়রি উদ্ধার করে। ডায়রির ৯২৩ পৃষ্টা জুড়ে ছিল এই ঘটনাপ্রবাহ। ঘটে যাওয়া ঘটনাবলির বাক্য স্খখল, ওই ডায়রিরই কিদংশ মাত্র।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন