বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জানুয়ারী ১৯৯২
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

৪.১

বিচারক স্কোরঃ ২.৪৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৫ / ৩.০

কবিতা - ঋণ (জুলাই ২০১৭)

মোট ভোট ১১ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.১ অথর্ব্য ঋণের দেবতা ও বেকার স্বাধীনতা

এম আর এফ সোহান
comment ৯  favorite ১  import_contacts ১৩৬
ঋণ সব শেষ। স্বাধীনতার ঋণ কিই'বা বাকি আছে?
সব ঋণ শেষ। শহীদদের ভুলে যাওয়াও চলে।
আস্তিক হয়েছি, নাস্তিক হয়েছি হতে পারিনি মানুষ কেবল।
বঙ্গবন্ধু বেচে নেই সেই ভাল। সোনার বাংলায় সহ্য হতোনা শুওরের পাল।

ঋন সব শেষ। স্বাধীনতার ঋণ আর নেই কোনো।
সব ঋণ শেষ। শহীদদের ভুলে যাওয়াই ভাল।
দেশের কলিজায় রেখে জোকের লালা, জাতীর বিবেক সংবাদ করে ভিনদেশী ভুভুজেলা।
সাগর রুনি বেচেছে খুন হয়ে। এ বাজারে টাকাটাই দামি।

ঋণ সব শেষ। স্বাধীনতা এমনিতেই এসেছে।
সব ঋণ শেষ। শহীদেরা না হলেও স্বাধীনতা হতো।
গলা ফাটায় কথিত প্রগতি, মূলত স্বাধীনতার ঘুনপোকা। জানি চোরের মায়ের বড় গলা।
জাহানারা ইমাম ভেস্তে যাক, স্বাধীনতা বেচে খাক চেতনার রঙধারি সাপ।

ঋণ সব শেষ। স্বাধীনতা আগে থেকেই ছিল।
সব ঋণ শেষ। শহীদেরা এমন করেছেটা কি?
মৌলবাদের পদতলে আদালত পিষ্ট, আতেলের সৎ মায়ের খুনের বিচারে সংস্কৃতির হয় ফাঁসি।
জয়নুল আবেদিন মুছে যাক, ভাতের বদলে ভোট যাক পেটে।

ঋণ সব শেষ। স্বাধীনতার দরকার ছিলনা কোনো।
সব ঋণ শেষ। শহীদেদের যতসব বাড়াবাড়ি।
ক্ষমতার কুঠারে বিচ্ছিন্ন মানবতার দেবতা।
কাঁটাতারের সাইনবোর্ড হয়ে ঝুলে থাকে ফেলানী আর ফেলানীর ভাই।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন