বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৬ আগস্ট ১৯৯৪
গল্প/কবিতা: ১৯টি

নারী

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নভেম্বর ২০১৭

“আঁধার নিধন”

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

“আঁধার”

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

গল্প - বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (নভেম্বর ২০১৭)

“বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী”

মোঃ নয়ন আহমেদ
comment ৬  favorite ০  import_contacts ১০০
একটা শ্লোগান তুলেছিলেন তিনি। কিভাবে একজন আলোকিত মানুষ চাই। এই কথা ভাবতে ভাবতে একটা দুঃখ কুড়িঁয়ে পেয়েছিলেন। আর দুঃখটা সোনার বাংলা। আর সোনার বাংলা আমরা যে ভাবে বলি সেটা আবেগের কথা। আচ্ছা বাংলা কী সত্যি সোনার বাংলা। নাকি আমাদেরকে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। কাদা মাঠি বা ক্লেশ লেগে আছে তা আগে দুর করতে হবে। আর কিভাবে তা সম্ভব হে বই পড়া শুধু বই পড়া আর বই পড়া। বিশ্বসেরা পাঠক সাহিত্য এই হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেয়ার কথাই ভাবতে হয়েছিলো তাকে। আর তিলে তিলে গড়ে ঊঠলো এই বৃহত্তর পাঠক সমাজ। তিনি জন্মেছিল অবিভুক্ত পার্ক সার্কাসে কলকাতায় আর হে এতো গেলো ১৯৩৯ সালের কথা। আর তার কাজ কর্ম সব এপার বাংলায়। তার চোঁখের সামনে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন দেখেছেন। মাতৃভাষার মধ্যে দিয় আত্ব পরিচয়ের গৌরবের অনুভব করতে শিখেছেন। আর সেই ভাষাতে তিনি কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, নাটক অনুবাদ এবং অনেক জিবনী মূলক বই লিখেছেন এবং লিখবেন। তবে সব মিলিয়ে তার গন্থের সংখ্যা প্রায় সত্তর ছুই ছুই। আর গত শতকের ষাট থেকে নব্বই দশকের প্রর্যন্ত অধ্যাপনা করেছেন। ঠিক তারই পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা ও সঞ্ছালনার কাজও করেছেন। তিনি সুনিদিষ্ট হাওয়া নিয়ে এসেছেন। আর তিনি এমন মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন তা অপরূপ। আর কথাও বলেন যেমন সরচল সংঙ্গীতে টেনে নিয়ে আছেন অজস্র উপমা। কোন সামাজিক সংকটকে দেখার বিস্লবি জ্ঞান আছে তার। এমনকি সামনে থেকে কথা শুনলে মনে হয় কত কাছের মানুষ এই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এবং ষাটের দশকে বাংলাদেশের যে, নতুন ধারায় আন্দোলন শুরু হয়। আর সেখানে তিনি একজন অগ্রনি মানুষ। আর তারো এক দশকের বেশী সময় ধরেই সেই ধারায় দিক সঞ্চার করে আসছেন। এবং আক্তারুজামান ইলিয়াস,নির্মলেন্দু, মাহদেব সাহা, জাফর ইকবাল এমনকি অনেক কবি সাহিত্যিক এই আন্দোলনে সঙ্গী হয়েছেন। কিন্তু তিনি ছাত্র ছাত্রীদের সাথে মেলামেশা আর সাহিত্য কর্মের মধ্যে বুঝেছেন আলোকিত সমাজ গড়তে চাইলে আলোকিত মানুষ চাই। আর তেমনি আলোকিত হয়ে ওঠার বইয়ের কোন বিকল্প নেই। তাই একাই ছুঁটে গিয়েছেন বাংলাদেশের এক প্রান্তো থেকে আরেক প্রান্তে। আর বিশেষ করে ছাত্রদের বিশ্বসেরা সাহিত্য পড়তে হবে। এবং এ পড়ার সঙ্গে যে অন্য পাড়ার কোন মিল নেই। তাই বিশ্ব সাহিত্য যে পড়বে সে গান ভালোবাসবে, নাচ ভালোবাসবে, কবিতা পড়বে, ছবি ভালোবাসবে, পূণিমার রাত, আর মানুষকে ভালোবাসার এই বিশ্বাস। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ঢাকায় গড়ে তুলেছেন এক বিশ্ব সাহিত্যিক কেন্দ্র। তবে চল্লিশ বছরে ধারাবাহিক আন্দোলন অনেক। অনেক কবি সাহিত্যিক তার সাহিত্যের মানুষ সঙ্গী। আর এই সাহিত্য কেন্দ্রের বিশ্বে পাঁচশত শ্রেনির বিশিষ্ট বই বাংলায় অনুবাদ করেছে। জেলায় ও উপজেলায় ঘুড়েঁ বেড়িয়েছেন এই সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান গ্রন্থাগার সাহিত্য নিয়ে তারা পৌছে যাচ্ছে লক্ষাধিক পাঠকের কাছে। আর এ প্রর্যন্ত পচিঁশ লক্ষ পাঠক তৈরি করতে পেরেছে। তবে এ গ্রন্থাগার আগামি দু' বছরে পাঠকের সংখ্যা আরো দিগুন হবে। আর এই প্রর্যন্ত চৌত্রিশ কোটি টাকার শেরা বইটি ছাত্র ছাত্রীদের পুরস্কার হিসেবে দিয়েছেন। তিনি বলেন পাঠকের মাঝে এক শ্রেনী আছে যারা সুন্দরকে খুজেঁ উন্নত পারিচয় পায় আর বাংলাদেশের প্রতেকটি জেলা শহরে তাদের স্কুলে স্কুলে যেতে হয় না। সরকারি বিশ্ব সাহিত্যক কেন্দ্রে জড়িয়ে নতুন নিতিমালা করেছেন। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আনন্দে ঘোষনা করেছেন। যে রাজনৈতিক দল সরকারি ক্ষমতায় আসুক বিশ্ব সাহিত্যক মহত উদ্দেশ্যকে তারা গ্রহন করেছে। আর পাঠক গড়ার এই কারিগর পেয়েছেন "রামোন ম্যাগসেস পুরস্কার" তবে একথাই তিনি বলেন মানুষ তার স্বপ্নের মতো সমান।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন