বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ জানুয়ারী ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ২৪টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৩৪

বিচারক স্কোরঃ ১.৪৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮৭ / ৩.০

ওপারের চিঠি

আঁধার অক্টোবর ২০১৭

সুখের আশায়

কামনা আগস্ট ২০১৭

ভালোবাসার ঋণ

ঋণ জুলাই ২০১৭

কবিতা - ভয় (সেপ্টেম্বর ২০১৭)

মোট ভোট ২৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৩৪ ভয়

ইমরানুল হক বেলাল
comment ১৭  favorite ০  import_contacts ১৪৭
অপূর্ব জ্যোৎস্না এক গভীর রাতে,
হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর উঠেছে আমার গায়ে;
রাত-বিরেতে মৃদু-মৃদু হাওয়ায় নিজন পথে হেঁটে চলেছি একা একা -
হঠাৎ দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে
ভূত বাবাজী বেটা!
নিচে তার দুটি পা,
আসমান ছুঁয়েছে মাথা !
জ্যোৎস্না মাখা এই গভীর রাতে এসে -
পড়লাম এবার ভূত -বিপদের মুখে !
এমনিতেই গায়ে একশো ডিগ্রি জ্বর,
তার ওপর ভূতের ভয়!
দুইয়ে মিলে মৃত্যু-ভয়ে থর-থর কাঁপছে
আমার হৃদয় !
যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ্ব,
আমি তখন প্রাণের ভয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দিলাম-
কে কোথায় আছ বাচাও!...!
এই নিজনে কেউ শোনেনি আমার আর্তনাদ,
বুঝলাম সব ফাও !
ভয়ে মরছি হায় ! হায় !
কী করি উপায় !
হঠাৎ মনের ভেতর বুদ্ধি এলো,
পকেট থেকে গ্যাস লাইট বের করে
জ্বালালাম আলো।
কী আশ্চর্য !
আগুনের ভয়ে ভূত বাবাজী পালালো !
বাস্তবে কী ভূত দেখেছো ভাই,
লোকের মুখে শুনে শুনেই বলা ;
তবে কেন ভূতের ভয়ে শুকায়
তোমার গলা।
মনের ভেতর রাখ যদি ভয়ের বাসা,
অতি সহজেই মেনে নিতে হবে জীবনের পরাজয়,
ব্যর্থ-নিরাশা।
মানুষ ভয় পায় ভূতকে,
ভূত ভয় পায় মানুষকে,
মৃত্যু নদীতে দুজনেরই বসবাস।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন