বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
গল্প/কবিতা: ৪৮টি

সমন্বিত স্কোর

২.০১

বিচারক স্কোরঃ ০.৬১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৪ / ৩.০

রমণী

রমণী ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অধরা ধরিত্রী

স্বপ্ন জানুয়ারী ২০১৮

কষ্টগুচ্ছ

প্রশ্ন ডিসেম্বর ২০১৭

গল্প - ঐশ্বরিক (মার্চ ২০১৭)

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.০১ প্রাপ্তি

শাহ আজিজ
comment ৫  favorite ০  import_contacts ২২৭
বুঝছস কিছু জীবনের??
কোনদিন একটু সিরিয়াস হইয়া ভাবছস জীবনটা কি ? কেন ? কেন এই ধরায়?
শুধু খরায় দাঁড়াইয়া কাটাইছি কখন বারান্দায় আইসা ভেজা এলো চুলে রেলিঙে শাড়ি নাড়ব । কোন মাইয়া কোনদিন কয়নাই ‘মফিজ , তোমারে ভালবাসি’।
দুইবার মাইর খাইছি হাতে হাতে চিঠি দেবার অপরাধে ।
শেষ মাইর পাছায় বাঁশের বাড়ি।
জ্ঞান ফিরলে দেখি বাসায় বিছানাতে উপুড় হয়ে শোয়া। সামনের জানালা দিয়ে দেখা যায় বাঁশ বাগান আর ঘন ছায়া ।
মুখ ঘুরিয়ে কাউকে দেখার মত সাহস ছিলনা ।
মা পিঁড়িতে বসে মুখে খাবার তুলে দেন ।
বাড়ীর মানুষরা পালাক্রমে পাছায় রসুন ফোঁড়ন দেয়া তেল মালিশ দেয়। কে দেয় তাদের মুখ দেখিনা ।
১০/১২ দিনে মনে হইল মালিশের হাতটা খুব নরম আর কায়দা কানুনও বেশ গরম।
হইব হয়ত খালা, ফুপু,কেউ। আমার পাছায় ব্যাম্বু খবরটি ১০ গ্রামে চাউর হইয়া গেছে।
১৮ দিনের সকালে মনে হইল চিত হইয়া শোয়া যাবে। শুয়ে দেখলাম , পারছি।
কে যেন আসতেছে , আবার উপুড় ।
হ্যা এই সেই নরম হাত । এ কদিনে কার হাত কেমন তা বুঝে গেছি। আজ আর তর সইলনা । মাইর ভুইলা গেছি । কাধ উল্টিয়ে দেখি সেই মেয়ে যার জন্য বাঁশের বাড়ি খাইয়া বিছানায় আজ আমি !!
সেই থেকে ও আমার জীবনের অংশ । আমার খাওয়া দাওয়া , কাপড় , চুল আঁচড়ানো , চৈত্রের রাতে হাত পাখার বাতাস – সব কিছু ।
খালি সেই মালিশটা হারায় গেছে।
কিছু পেতে হলে কিছুতো হারাতে হয়? নাকি?
তবে যা পেয়েছি তা আমার জনম জনমের সাধনা।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • আমিনুল ইসলাম
    আমিনুল ইসলাম ভালো লেগেছে।আমার পাতায় আমন্ত্রন।আশা করি।সমালোচনা করবেন আমার লেখার
    প্রত্যুত্তর . ৩ মার্চ, ২০১৭
  • নাসরিন চৌধুরী
    নাসরিন চৌধুরী পড়ে বেশ মজা পেলাম -- ভাল থাকা হোক
    প্রত্যুত্তর . ৪ মার্চ, ২০১৭
  • আহা রুবন
    আহা রুবন ওসব কিছু না‍! মেয়েরা ভাইদের দিয়ে ভাবি জামাইকে এভাবেই পোষ মানায়!
    প্রত্যুত্তর . ৬ মার্চ, ২০১৭
    • শাহ আজিজ একখানে দেখেছিলাম ছেলের ফুলে যাওয়া পায়ে ব্যান্ডেজ করছে কম্পাউনডার আর একদিক দিয়ে কাজি সাহেব বিয়ের কাজ সম্পন্ন করছেন সুরা পড়ে । ছেলে পক্ষের লোকজন কিছুক্ষন বাদে হামলা চালিয়ে ছেলেকে হাইজ্যাক করল আর মেয়ে স্বেচ্ছায় ছেলে পক্ষের সাথে দৌড়াতে লাগলো । ছেলে পক্ষ শেষ রাতে তাদের ভুরিভোজন শেষ করল।
      প্রত্যুত্তর . ৬ মার্চ, ২০১৭