বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৫ নভেম্বর ১৯৭১
গল্প/কবিতা: ৩০টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৪৭

বিচারক স্কোরঃ ৩.০৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৪৪ / ৩.০

অভিসার

কামনা আগস্ট ২০১৭

নির্মোহ নৈ:শব্দে

কামনা আগস্ট ২০১৭

মধ্যরাতের নারী

নগ্নতা মে ২০১৭

কবিতা - ঐশ্বরিক (মার্চ ২০১৭)

মোট ভোট ২৪ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৪৭ একদিন ঈশ্বরের সাথে

আল মামুন খান
comment ১৫  favorite ০  import_contacts ২৪৩
এক পড়ন্ত বেলায় ছাদে ছিলাম
আর পেছনে ছিল দিগন্তব্যাপী সবুজের শেড
আমার মাথা ছাড়িয়েছিল সেই সবুজ রেখা
এভাবেই বসেছিলাম আমি নির্ভার
নিশ্চুপ চারিধার!
নিথর ক্লান্ত প্রহর
আকাশের পানে চেয়ে ছিল সেদিন...দীর্ঘসময়।

আমি তাকিয়েছিলাম আমার ইশ্বরের দিকে
আমার ভিতরেই তখন তিনি
অভিযোগগুলি শুনছিলেন নিরবে।

আমি আমার ইশ্বর কে বললাম,
- তুমি বাবার ইচ্ছেপূরণের জন্য আমার ছেলেবেলা কেড়ে নিয়েছ!
নেভার মাইন্ড- কিছুই মনে করিনি আমি
তুমি অন্তর্যামী!

এক পুলিশ কর্মকর্তার ঘুমকাতুরে ছেলেকে
সপ্তাহের ছ'দিন আমাকে দিয়ে ঘুম থেকে তুলিয়েছ
অথচ জানতে তুমি, সকালবেলাটা ঘুমাতে কতটা ভালবাসতাম আমি!
তারপরও কিছুই মনে করিনি আমি
তুমি অন্তর্যামী!

টিউশন যাবার পথে অনেক অনেক হাঁটিয়েছ
রোদে পুড়িয়েছ বরষায় ভিজিয়েছ
তবুও কিছুই মনে করিনি আমি
তুমি অন্তর্যামী!

রোদ বৃষ্টি আর মনের ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে
পরিচিতদের উপেক্ষার অপরিচিত মুখগুলো না দেখতে
এক দালালকে টাকা দিয়েছিলাম বিদেশ যাব বলে!
সে টাকা নিয়ে পালালে
সেদিন রিটায়ার্ড বাবার সামনে দাঁড়ানোর মুহুর্তটি বড্ড কঠিন ছিল আমার!
তা ও সয়ে গেছি আমি
তুমি-ই অন্তর্যামী!

মাঝখানে তবে তুমি এ কী করলে?
পারুকে দিলে না তুমি!
আমার প্রতি বড্ড অবিচার করলে হে অন্তর্যামী!
সেদিন আমার নির্ভীক মাথা ছুঁয়ে ছুঁয়ে
আলোগুলোকে হারিয়ে যেতে দেখলাম দিগন্তের ওপারে..

আমি আর আমার ইশ্বর
অন্ধকারে যার যার আলোয় বসেছিলাম একদিন দীর্ঘক্ষণ।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন