বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫

একাকী প্রান্তর

  • ('আমার আমি' পর্বে লেখা জমা দিতে পারিনি। কোন কিছুই লিখতে পারছিলাম না দীর্ঘ সময়। সময় শেষ হয়ে যাবার পরে এই বিষয়ে একটা কিছু লেখার চেষ্টা করলাম। লেখাটা শেয়ার করতে ইচ্ছে করলো।)

    আশ্চর্য এক মাদকতা আছে যেন শরতের আকাশের। কী বিপুল শুভ্রতায় জড়িয়ে থাকে চারপাশ! নীলাম্বরি আঁচলে যেন থোকা থোকা জুঁই গুচ্ছ। অস্থির আবেগে দাপিয়ে বেড়ানো কোনো চটুল কিশোরী, দু’দণ্ডও যার থেমে থাকার জো নেই। আঁচলের ফাঁক গলে মোমের মতো চুঁইয়ে পড়ে সোনা রঙা রোদ্দুর।

    ব্যাকুল চোখে শুভ্র যৌবনা আকাশকে অনেকক্ষণ ধরে বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলাম। নিজের যৌবনকে বিদায় জানিয়েছি সেই কবেই। যদিও এখনো তার আভিজাত্যের খোলস পুরোপুরি ছেড়ে যায়নি। আয়নার দিকে তাকিয়ে আজো খানিকটা থমকে দাঁড়াই। কী যেন নাম আছে জিনিসটার? বেশ গালভরা নামই বটে! ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে। নার্সিসিজম।

    আমিও আক্রান্ত হই এতে। বেশ ভালোভাবেই। একদা অনেক যুবকের ঘুম হরণকারী রূপ বলে কথা! আজো দামী ক্রিমের প্রলেপ মাখিয়ে চকচকে রাখি। আমার মতো রূপসর্বস্ব মানুষকে দান করা সৃষ্টিকর্তার একমাত্র করুণার দান। তাকে কী আর এতো সহজে হেলায় হারাতে পারি! স্বামী এসব ক্রিম, সাজসজ্জার অজস্র ঢৌকন এনে দেয় দেশের বাইরে থেকে। আমি তার সাজানো ঘরের সাজিয়ে রাখা পুতুল বৈ তো নই। সেই পুতুলে যেন ধুলো বালি না জমে তা তো তাকে দেখতেই হয়!

    লোকে বলে, গুণহীনা মেয়েরাই নাকি রূপসী হয়! নিজেকে দেখতে দেখতে কথাটা এখন পুরোপুরি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি আমি। ঠিকই তো! বিধাতা এত অকৃপণ উদারতায় রূপ ঢেলে দিয়েছিলেন বলেই হয়তো কোনো গুণই নেই আমার।  

    কৈশোরের শুরুতে কিছুটা লেখালিখির সাধ জেগেছিলো মনে। স্কুল শিক্ষক বাবা বাড়িতে মাঝে মধ্যে সাহিত্য পত্র-পত্রিকা নিয়ে আসতেন। বাবার নিজেরও এক আধটু লেখালেখির অভ্যাস ছিল। স্টিলের যে আলমারিটাতে বাবার কাপড় রাখা হতো সেখানে আমি একদিন একটা খয়েরি রঙের মোটা ডায়েরি খুঁজে পেয়েছিলাম। কাপড়-চোপড়ের নীচে লুকিয়ে রেখেছিলেন বাবা। আমি চুপি চুপি খুলে দেখেছিলাম। প্রথম দিকে অনেকটা রোজনামচার মতো করে লেখা। কিন্তু শেষেরদিকে কিছু গল্প লেখার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই বয়সে বুঝতাম না তেমন, কিন্তু এটুকু বেশ বুঝতে পেরেছিলাম সেই লেখাগুলোতে বাবা তার মনের সবটুকু আবেগ উজাড় করে ঢেলে দিয়েছিলেন। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়েছিলাম বাবার সেই লেখা। বাবাকে জানতে না দিয়েই।

    আমার মা ছিলেন পাঁচ সন্তানকে সামলানো মোটা সোটা এক মোটা বুদ্ধির মানুষ। যে পাঁচ সন্তানের চারটিই আবার অতি দুরুহ বোঝা কণ্যা সন্তান। সেই বোঝাকে যতো তাড়াতাড়ি ঘাড় বদল করা যায় ততোই মঙ্গল। জীবনের পঞ্চাশটা বছরে মা তার রান্নাঘরের আলু পেঁয়াজ তেলের হিসাব আর তার মেয়েদের বয়স, এই দুই জটিল অংকেই সবটুকু মেধা ঢেলে দিয়েছিলেন। আমার মতো গুন আছে কী নেই এই হিসাব খুলে বসার সময় নিশ্চয়ই তার হয়ে ওঠেনি। আর সেটা তো না হওয়ারই কথা!

    কিন্তু আমার যে অফুরন্ত সময়! এই বিশাল প্রাসাদোপম বাড়ির তিন সদস্যের একজন হলাম আমি। অবশ্য চাকর বাকর মিলিয়ে আরো গোটা ছয়েক মানুষ বাস করে এই বাড়িতে। নিজের হাতে কিছু করার দরকারই পরে না আমার। না চাইতেই সবকিছু চলে আসে একেবারে হাতের মুঠোয়। আগে শখ করে একটু আধটু রান্না বান্না করেছি। আমার স্বামী সপ্তক আমাকে খুব ভালো করে বুঝিয়ে দিয়েছে,

    ‘মঞ্জুরি, ভালো মাইনে দিয়ে এই যে গোটা তিনেক রাঁধুনি বাড়িতে রেখেছি, সেটা কী তাদের বসিয়ে রাখার জন্য? তুমি নিজেই যদি রান্না করবে তাহলে বলো তাদের বিদায় করে দিই।’

    আমিও পাল্টা তর্ক জুড়েছি অনেক।

    ‘তাহলে আমি সারাদিন বাসায় বসে করবো টা কী? আমার যে সময় কাটে না!’

    ‘কেন? সময় কাটবে না কেন? বাসায় দুটো গাড়ি সারাদিন বসে থাকে। যেখানে যেতে চাও নিয়ে যাবে। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধব, শপিং, সিনেমা...সময় কাটানো কোনো সমস্যা হতে পারে নাকি মানুষের?’

    আমার তর্কেরও ভাষা হারিয়ে গেছে একসময়। তাই তো! সময় না কাটাতে পারা কি কোনো সমস্যা হতে পারে?

    আমার আত্মজা মঞ্জুলিকাও হতে পারতো আমার একান্ত সময়ের সঙ্গী। মঞ্জুলিকা আমাদের একমাত্র মেয়ে। এই ভারি কাব্যিক নামটি আমারই রাখা। লেখালেখি করা আমার আর হয়ে ওঠেনি ঠিকই, কিন্তু বাবা’র নিয়ে আসা সেই সব সাহিত্য পত্রিকার ভূত এখনো আমার মাথায় চেপে আছে। এই বাসাতেও অনেক পত্র-পত্রিকা রাখা হয়। আমার আগ্রহ দেখে আমার স্বামী কিছু সাহিত্য পত্রিকাও বাসায় রাখেন। অবশ্য মেয়ের এই মঞ্জুলিকা নামটি রাখতে আমাকে অনেক যুদ্ধ-বিগ্রহের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে।

    ‘দেখো, মঞ্জুরি, এটা আধুনিক যুগ। এ যুগে এমন ব্যাকডেটেড নাম চলে না। মঞ্জুলিকা...এই নাম শুনলে লোকে হাসবে তো!’

    ‘রবীন্দ্রনাথ কখনো ব্যাকডেটেড হবেন না।’

    ‘প্রায় দেড় শতক আগে জন্ম নেওয়া একজন মানুষ কেন এই যুগে ব্যাকেডেটেড হবেন না?’

    আমার মনের মধ্যে অনেক কথা জমেছিল বলার জন্য। কতো নাম না জানা অনুভূতির জন্ম হয় মনের একান্ত গহীনে! কতো না বলা অনুভব! কীভাবে তাকে ভাষায় রূপ দিতে হয় আমি জানি না। কিন্তু যখন রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়ি তখন আশ্চর্য হয়ে ভাবি, আরে! এটা তো আমারই মনের কথা! তিনি কীভাবে বুঝতে পারলেন? এতো সূক্ষ্ণ অনুভূতি এমন নিখুঁত ভাবে কীভাবে প্রকাশ করা সম্ভব!

    কিন্তু সপ্তককে এসব কথা বলা হয়নি আমার। আমি নীরব যুদ্ধ চালিয়েছি। কোনো কথা শুনিনি। মাঝে মাঝে নিজের মধ্যে কোথা থেকে যে এমন জোর চলে আসে নিজেও বুঝি না!

    কিন্তু আমার মেয়ে মঞ্জুলিকা আমার দেওয়া নামটাকেই ধারণ করেছে কেবল। আর সবকিছুতে সে একান্তভাবেই তার বাবার মেয়ে। ষোলো-সতেরো বছরের একটা মেয়ের মাঝে এতো গাম্ভীর্য যে কোথা থেকে আসে আমি ভেবে পাই না।

    এই বয়সে আমি কলাবেনী বেঁধে পুরো পাড়া ঘুরে বেড়াতাম। আমাদের বাড়ির পেছনেই ছিল খেসারীর ক্ষেত। পাড়ার বন্ধুরা মিলে জামার কোছায় এত্তো এত্তো খেসারী তুলে ইটের চুলো বানিয়ে সিদ্ধ করতাম। তারপর দল বেঁধে সেই খেসারী খেতে কী যে মজা লাগতো! অনেক দিন পরে গত বছরে সপ্তকের এক আত্মীয়ের বিয়েতে গ্রামে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে রাস্তায় খেসারীর ক্ষেত দেখে নেমে পড়েছিলাম গাড়ি থেকে। ছেলেমানুষের মতো সেদিন খেসারী তুলতে শুরু করেছিলাম। আমার এই ‘ভীষণরকম’ আদিখ্যেতায় আমার মেয়ে আর স্বামীর নাক কাটা গিয়েছিল সেদিন। আমি ভেবেছিলাম আমাকে দেখে আমার মেয়েটাও দৌঁড়ে আসবে। লুকিয়ে রাখা কৈশোর যতো সাবধানেই আড়ালে থাকুক না কেন, একসময় তো সামনে আসবেই! মেয়েটাকে পাশে বসিয়ে কতো যে গল্প করতে ইচ্ছে করে আমার! ছেলেবেলার গল্প, আমার স্বপ্নের গল্প...স্বপ্নভঙ্গের গল্প, আমার কিছু না হতে পারার গল্প। কিন্তু আমার মেয়ের কোনো সময়ই নেই তার মার জন্য। মঞ্জুলিকা গান শেখে, ভালো পিয়ানো বাজায়। ফ্রেঞ্চ ক্লাসে যায়। দারুণ টেনিস খেলে। আমার মতো গুণহীনা নয় আমার মেয়ে। ও অনেক কিছু পারে। ওকে ওর মার মতো সময় কাটাতে না পারার বিলাসী ভাবনায় দিন কাটাতে হয় না।

    সপ্তক আমাকে সময় কাটাতে আত্মীয় স্বজনের বাসায় বেড়াতে যেতে বলেছে। আমি আমার স্বামীকে বলতে পারিনি আত্মীয় স্বজনের বাসায় প্রতিদিন যাওয়া যায় না। তাছাড়া খুব বড়লোকের বউ বলে নিয়মিত আমার উপস্থিতিতে আত্মীয়স্বজনও বিব্রত হয়ে ওঠে। আমি গেলে তারা অকারণেই ব্যস্ত হয়ে ওঠে। আমার অভয় দানকারী হাসি কিংবা আমার আশ্বস্তবাণী...যা কিছু আমার নিজের, তা তাদের মোটেও শান্ত করতে পারে না।

    এই তো, আমার বাসা থেকে কুড়ি মিনিটের হাঁটা পথেই আমার ছোট ফুপুর বাসা। রিক্সায় গেলে পাঁচ মিনিটও লাগে না। বেড়াতে বেরুলে আমি অবশ্য গাড়ি নিই না কখনো। এটা একদিন জানতে পেরে সপ্তক খুব রাগ করেছিল আমার উপর। আমি পাত্তা দিই নাই। আমার গাড়িতে কোথাও যেতে ভালো লাগে না। রিক্সায় চড়ে রাস্তার দু’পাশ দেখতে দেখতে যাই। এটার আনন্দ যে কতোটা তা আমি সপ্তককে বুঝিয়ে বলতে পারবো না। আর আমার ধারণা ও সেটা বুঝতেও পারবে না।

    একসময় আমি ছোট ফুপুর প্রিয় ভাস্তি ছিলাম। ছোট ফুপু আমাদের বাড়িতে বেড়াতে গেলে আমি সারাদিন ফুপুর গা ঘেঁষে থাকতাম। রাতে ঘুমাতাম ফুপুর সাথে। ফুপুও আমাকে আর সবার চেয়ে বেশি প্রশ্রয় দিতো। সেই ফুপু এখন আমাকে দেখলেই কেমন যেন সম্ভ্রমের সাথে তাকায়। এমনভাবে কথা বলে যেন আমার মন জুগিয়ে না চলতে পারলে ভীষণ একটা কাণ্ড হয়ে যাবে। ফুপুর ছেলে মেয়েগুলোও দূর থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে আমাকে দেখে। আদর করে কাছে ডাকলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। জোর করে নিয়ে আসলে কেমন যেন জড়োসড়ো হয়ে যায়। ওদের এই ভীষণ রকম অস্বস্তির কারণ একটাই, আমি বড়লোক। মস্ত ধনী আমার স্বামী।

    আমার বুক চিরে বেরিয়ে আসা দীর্ঘশ্বাসকে কেউ দেখতে পায় না। কে চেয়েছিল এতো বড়লোকের বাড়ির বউ হতে? আমি তো কখনো চাইনি! একটা সাধারণ সাদামাটা জীবন চেয়েছিলাম। একটা ঘর চেয়েছিলাম একান্তই আমার নিজের। যার প্রতিটি কোণে মিশে থাকবে আমার নিজের হাতের ছোঁয়া। ঘর থেকে বেরুবার আগে আমার স্বামী এটা ওটা খুঁজে না পেয়ে আকুল হয়ে আমাকে ডাকবে। মেয়ে স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দুদ্দাড় জিনিসপত্র ছুড়ে মেরে আমার হাতের রান্না খাবে আয়েশ করে। আমি সারাদিন প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে ঘরবাড়ি গুছিয়ে না রাখতে পারার অকারণ ব্যর্থ অভিযোগ জানাবো। আর কেউ আমার কথা শুনছে না দেখে কপট রাগ করবো।

    কিন্তু পরিবর্তে যা পেয়েছি তা কী সত্যিই কখনো চেয়েছিলাম আমি! এতো বড়লোকের বাড়ি থেকে প্রস্তাব এসেছিল দেখে মা খুশিতে অস্থির হয়ে গেলেন। আমি তখন কেবল কলেজে ভর্তি হয়েছি। বাবার ইচ্ছে ছিল আমাকে পড়ানোর। কিন্তু এতোবড় বাড়ির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেবার মতো সবল ছিল না তার মনের জোর। কারণ তার মাথায় তখনো আরো তিন মেয়ের চিন্তা। তাছাড়া আমি তখন পাড়ার ছেলে ছোকরাদের অত্যাচারে রীতিমত অতিষ্ট। কতোদিন মনে মনে ভেবেছি মুখে কালি মেখে রাখবো। যাতে কেউ জ্বালাতে না পারে। এতোটুকুও সাজগোজ করতাম না। তবু ঠিক একদিন আমার হবু স্বামীর চোখে পড়ে গেলাম। আমার স্বামী তখন আমার শ্বশুরের বিশাল পারিবারিক ব্যবসার উঠতি কর্নধার। আর আমার বাবা সামান্য স্কুল শিক্ষক। কিন্তু আমার রূপের কাছে সেসব বিষয় তুচ্ছ হয়ে গেল। গুণহীনা আমি নগদ রূপের মূল্যে বন্দি হয়ে গেলাম এই সিংহপুরীতে!

    আজ এই এতোগুলো বছরে আমি প্রায় ভুলতেই বসেছিলাম আমার নিজের কোনো আলাদা সত্তার কথা।

    কিন্তু আজকের সকালটাই কেমন যেন অন্যরকম। শরৎ শুভ্রতায় যেন সব অস্পষ্টতা সরে গেল আমার মন থেকে। আমি নিজেকে আকুল হয়ে খুঁজে বেড়ালাম সব জায়গাতে। এই বিশাল বাড়ির এতটুকু কোণাতেও আমি নেই, আমার হাতের স্পর্শ মিশে নেই। এ বাড়ির কোনো সদস্যের জীবনে আমার কোনোই ভূমিকা নেই। জীবনের ফেলে আসা এতোগুলো বছরে আমি কিছুই হতে পারিনি। সহধর্মিনী, জননী, বন্ধু...কিছুই নয়। সবকিছুকে ছাপিয়ে এই কিছু না হতে পারার কষ্টটাই আজ আমাকে পেয়ে বসলো। দুকূল ছাপিয়ে ধেয়ে আসা নোনা প্লাবনে স্নাত হলো আমার বিবর্ণ প্রকৃতি; জ্বালাময় মরু প্রান্তর...ঘর...মন...দুয়ার।

     

  • কেতকী মণ্ডল
    কেতকী মণ্ডল কম সময় নিয়ে অনলাইনে এসেছি। শিরোনামটা ভালো লেগেছে। ফ্রি হয়ে পড়তে বসবো ইনশাহআল্লাহ।
    শুভেচ্ছা রইল।
    প্রত্যুত্তর . ২৮ অক্টোবর, ২০১৬
  • কেতকী মণ্ডল
    কেতকী মণ্ডল আমার কাছে বিবাহিত মেয়েদেরকে সাধারণত স্বামীর (প্রভুর) বাগানের মালি মনে হয়। এই গল্পের মেয়েটিও ঠিক তেমন যেনো। যেখানে নিজের বলে কিছু নেই।

    পায়ের নিচের মাটি শক্ত রাখতে এই বোধটা মেয়েদের সবসময় থাকা দরকার।
    গল্পের মূল কথাটা ভালো লেগেছে।
    প্রত্যুত্তর . thumb_up . ২৯ অক্টোবর, ২০১৬